ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

টেকনাফে এনজিও কর্মীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা



টেকনাফে এনজিও কর্মীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা এলাকায় বিভিন্ন এনজিওতে কর্মরত স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার নামে কিছু জনপ্রতিনিধির উস্কানি, বহিরাগত কিছু সিনিয়র এনজিও কর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এর ফলে প্রকৃত স্থানীয় ও যোগ্য কর্মীরা নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, আগে যেখানে তারা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন, বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যথায় চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে অনেক কর্মী মানবিক ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার কারণে প্রকৃত স্থানীয় কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বেকার যুবসমাজ হতাশাগ্রস্ত হয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষ করে হ্নীলা ইউনিয়ন-এর ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ অনিয়ম ও বৈষম্যের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক স্থানীয় এনজিও কর্মীদের ন্যায্য বেতন, অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : টেকনাফ অভিযোগ এনজিও বৈষম্য

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


টেকনাফে এনজিও কর্মীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা এলাকায় বিভিন্ন এনজিওতে কর্মরত স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার নামে কিছু জনপ্রতিনিধির উস্কানি, বহিরাগত কিছু সিনিয়র এনজিও কর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এর ফলে প্রকৃত স্থানীয় ও যোগ্য কর্মীরা নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, আগে যেখানে তারা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন, বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যথায় চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে অনেক কর্মী মানবিক ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার কারণে প্রকৃত স্থানীয় কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বেকার যুবসমাজ হতাশাগ্রস্ত হয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষ করে হ্নীলা ইউনিয়ন-এর ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ অনিয়ম ও বৈষম্যের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক স্থানীয় এনজিও কর্মীদের ন্যায্য বেতন, অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত