কুড়িগ্রামে ১৫ ফুট উচ্চতার
গাঁজাগাছসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় দুই যুবককে কামড়ে রক্তাক্ত
করে পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হন।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)
দিবাগত রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চর খলিশাকুড়ি এলাকায় এ অভিযান চালানো
হয়।
আটক মনজু আলম (৫৫) ওই গ্রামের
মৃত নজির উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চর খলিশাকুড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ও বিজিবি। এ সময় মনজুর
মালিকানাধীন ১৫ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজাগাছ জব্দ করা হয়। পরে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে
স্থানীয় রাতুল (২১) ও পারভেজ (২২) নামের দুই যুবক তাকে আটকের চেষ্টা করেন। এ সময় ক্ষিপ্ত
হয়ে ওই কারবারি দুই যুবকের হাতে কামড় বসিয়ে রক্তাক্ত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও
বিজিবির সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত
ছিলেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও বিজিবির সোনাহাট
কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. ফরিদুল ইসলাম খান।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের
সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।‘
তিনি আরও বলেন, বিজিবির সঙ্গে
সমন্বয় করে এমন যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : কুড়িগ্রাম মাদক কারবারি
.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামে ১৫ ফুট উচ্চতার
গাঁজাগাছসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় দুই যুবককে কামড়ে রক্তাক্ত
করে পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হন।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)
দিবাগত রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চর খলিশাকুড়ি এলাকায় এ অভিযান চালানো
হয়।
আটক মনজু আলম (৫৫) ওই গ্রামের
মৃত নজির উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চর খলিশাকুড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ও বিজিবি। এ সময় মনজুর
মালিকানাধীন ১৫ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজাগাছ জব্দ করা হয়। পরে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে
স্থানীয় রাতুল (২১) ও পারভেজ (২২) নামের দুই যুবক তাকে আটকের চেষ্টা করেন। এ সময় ক্ষিপ্ত
হয়ে ওই কারবারি দুই যুবকের হাতে কামড় বসিয়ে রক্তাক্ত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও
বিজিবির সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত
ছিলেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও বিজিবির সোনাহাট
কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. ফরিদুল ইসলাম খান।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের
সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।‘
তিনি আরও বলেন, বিজিবির সঙ্গে
সমন্বয় করে এমন যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন