ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহার কথা



একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহার কথা
ছবি: ধ্রুবকন্ঠ

এক সাগর ও রক্তের বিনিময়ে, বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা , আমরা তোমাদের ভুলেও না। হা একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা বলছি । নেত্রকোনা জেলার মোহনগন্জ উপজেলায় তার বসবাস। নাম , খন্দকার শামসুন্নাহার । ১৯২২ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিনি মহিলা বীর মুক্তিযুদ্ধার সম্মাননা পান । উনি মেঘালয়ের তলদেশই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১ নাম্বার সেক্টর। সেই ১১ নাম্বার সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন শামসুন্নাহার। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার টানে , বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করাই ছিল তার চিন্তা, চেতনা।

১৯৭০ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ভারতের মহেষখলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন এই মহীয়সী নারী। অনেক মানুষের খাবার, আশ্রয়, উষধের যোগান ছিল তার কাজ। সেই দিন বীর বাঙ্গালী বুঝতে পারছেন, গেরিলা যুদ্ধ ছাড়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব না । তাই ভাটি অঞ্চলের কৃষক, ছাত্র, জনতা কে সংগ্রহ করে সকলের ট্রেনিং করলেন। এ ভাবেই একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গড়লেন শামসুন্নাহার।

মহিলা মানুষ হয়ে, একটুকু ও মনোবল হারান নি তিনি। সত্যিকারের দেশ প্রেম নিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে তিনি শত্রু মুক্ত করলেন। বিজয় ছিনিয়ে আনলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলো। এই শামসুন্নাহারের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০২২ সালে বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্মাননা ও ২০১৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী সন্মাননা পেলেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : মুক্তিযোদ্ধা মহিলা শামসুন্নাহার

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহার কথা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

এক সাগর ও রক্তের বিনিময়ে, বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা , আমরা তোমাদের ভুলেও না। হা একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা বলছি । নেত্রকোনা জেলার মোহনগন্জ উপজেলায় তার বসবাস। নাম , খন্দকার শামসুন্নাহার । ১৯২২ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিনি মহিলা বীর মুক্তিযুদ্ধার সম্মাননা পান । উনি মেঘালয়ের তলদেশই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১ নাম্বার সেক্টর। সেই ১১ নাম্বার সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন শামসুন্নাহার। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার টানে , বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করাই ছিল তার চিন্তা, চেতনা।

১৯৭০ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ভারতের মহেষখলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন এই মহীয়সী নারী। অনেক মানুষের খাবার, আশ্রয়, উষধের যোগান ছিল তার কাজ। সেই দিন বীর বাঙ্গালী বুঝতে পারছেন, গেরিলা যুদ্ধ ছাড়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব না । তাই ভাটি অঞ্চলের কৃষক, ছাত্র, জনতা কে সংগ্রহ করে সকলের ট্রেনিং করলেন। এ ভাবেই একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গড়লেন শামসুন্নাহার।

মহিলা মানুষ হয়ে, একটুকু ও মনোবল হারান নি তিনি। সত্যিকারের দেশ প্রেম নিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে তিনি শত্রু মুক্ত করলেন। বিজয় ছিনিয়ে আনলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলো। এই শামসুন্নাহারের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০২২ সালে বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্মাননা ও ২০১৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী সন্মাননা পেলেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত