সিলেটেরই ছেলে নাসুম আহমেদের দুরন্ত বোলিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ে ফিরলো সিলেট টাইটান্স।
বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন ৬১ রানে অলআউট হয়ে আসরে টানা ৪ ম্যাচে হারের মুখ দেখলো প্রথমবার অংশ নেয়া নোয়াখালী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নোয়াখালী। ইনিংসের শুরুতেই সৌম্য সরকারকে হারিয়ে ধাক্কা খায় তারা। ব্যক্তিগত ৬ রানে নাসুমের শিকার এই ওপেনার। এরপর ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হন মুনিম শাহরিয়ার। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা হাবিবুর রহমান সোহান ফেরেন ১৮ রানে খালেদের শিকার হয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে মাহিদুল ইসলাম অংকনের ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত নাসুম আহমেদের বোলিং দাপটে মাত্র ৬১ রানে থামে নোয়াখালির ইনিংস।
৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাসুম, যা কিনা তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। সেই সঙ্গে বিপিএলে যেকোনো স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগারও এটি।
মামুলি রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে 'ওপেনার' পারভেজ হোসেন ইমনকে হারায় সিলেট। ১৮ বলে ৩২ রান করে ক্যাচ আউটের ফাঁদে পড়েন তৌফিক খান। এরপর জাকির হাসানের ২৪ রানের কল্যাণে সহজেই জয় পায় সিলেট। ৮ ওভার ৪ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় পায় তারা।
নোয়াখালীর পক্ষে ৩টি উইকেট শিকার করেন জহির খান। এ নিয়ে বিপিএলের ৬ ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে সিলেট। আর ৪ ম্যাচের কোনোটিতেই জয় পায়নি নোয়াখালী।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
সিলেটেরই ছেলে নাসুম আহমেদের দুরন্ত বোলিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ে ফিরলো সিলেট টাইটান্স।
বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন ৬১ রানে অলআউট হয়ে আসরে টানা ৪ ম্যাচে হারের মুখ দেখলো প্রথমবার অংশ নেয়া নোয়াখালী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নোয়াখালী। ইনিংসের শুরুতেই সৌম্য সরকারকে হারিয়ে ধাক্কা খায় তারা। ব্যক্তিগত ৬ রানে নাসুমের শিকার এই ওপেনার। এরপর ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হন মুনিম শাহরিয়ার। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা হাবিবুর রহমান সোহান ফেরেন ১৮ রানে খালেদের শিকার হয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে মাহিদুল ইসলাম অংকনের ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত নাসুম আহমেদের বোলিং দাপটে মাত্র ৬১ রানে থামে নোয়াখালির ইনিংস।
৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাসুম, যা কিনা তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। সেই সঙ্গে বিপিএলে যেকোনো স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগারও এটি।
মামুলি রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে 'ওপেনার' পারভেজ হোসেন ইমনকে হারায় সিলেট। ১৮ বলে ৩২ রান করে ক্যাচ আউটের ফাঁদে পড়েন তৌফিক খান। এরপর জাকির হাসানের ২৪ রানের কল্যাণে সহজেই জয় পায় সিলেট। ৮ ওভার ৪ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় পায় তারা।
নোয়াখালীর পক্ষে ৩টি উইকেট শিকার করেন জহির খান। এ নিয়ে বিপিএলের ৬ ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে সিলেট। আর ৪ ম্যাচের কোনোটিতেই জয় পায়নি নোয়াখালী।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন