ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

"দালাল নয়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভগণ এদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী"

"দালাল নয়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভগণ এদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঔষধ প্রতিনিধিদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সোমবার (১১ মে) সকালে কলাপাড়া প্রেসক্লাব চত্বরে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।বাংলাদেশ ফার্মা রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) কলাপাড়া উপজেলা ও মহিপুর থানা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।সমাবেশে কলাপাড়া উপজেলা ফারিয়ার সভাপতি জাহিদ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সরকার ও ঔষধ কোম্পানিগুলোর প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমানে তাদের পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক মর্যাদা সংকটের মুখে।সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকদের পাশাপাশি মেডিকেল প্রতিনিধিরা দিনরাত পরিশ্রম করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ মাঠপর্যায়ে তাদের সঠিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। উল্টো অনেক ক্ষেত্রে তারা নানাভাবে হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। বক্তারা অবিলম্বে এই পেশাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদান এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও ঔষধ কোম্পানিগুলোর প্রতি জোর দাবি জানান।মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন: কলাপাড়া উপজেলার ফারিয়ার ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি ও মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক, হুমায়ুন কবির, ক্রীড়া সম্পাদক এবং মহিপুর থানা ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক, লোকমান হোসেন প্রমুখ।সারাদেশে একযোগে পালিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলাপাড়া ও মহিপুরের প্রতিনিধিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের অধিকার আদায়ের শপথ নেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা জনগণের দোরগোড়ায় ঔষধ পৌঁছে দেওয়ার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করি। আমাদের দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।"‘অধিকার আদায়ে আমরা সবাই একসাথে’—এই অঙ্গীকার সংবলিত ব্যানারে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই মানববন্ধনটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। কর্মসূচি শেষে নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে স্মারকলিপি প্রদানের ইঙ্গিত দেন।ওষুধ প্রতিনিধিদের এই ন্যায্য দাবি নিয়ে এখন সংশ্লিষ্ট মহলের পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী কয়েক হাজার পেশাজীবী।   এনএম/ধ্রুবকন্ঠ