সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাও ইউনিয়নের খাউয়াজুরী হাওরের হাওর রক্ষা বাধের বিল নিয়ে বিপাকে হাওর রক্ষা বাধের কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা। গতকাল সরজমিনে উপজেলার খাউয়াজুরী হাওরের ৩৮ ও ৪০ এবং ৯ নং হাওর রক্ষা বাধ ঘুরে দেখা যায় গেল বছরের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে এবার হাওর রক্ষা বাধের কাজ ভালই হয়েছে। খাউয়াজুরীর হাওরের উল্লেখ যোগ্য চল্লিশ নং বাধের পি আইসি রাশেদ মিয়া, জানান, হাওর রক্ষার্থে নিজের সব কিছু ত্যাগ করে আমরা হাওর রক্ষা বাধের কাজ করে আসছি।বিগত বছরের তুলনায় এবার আপনাদের দেখা মতে আমাদের বাধের কাজ ইনশাআল্লাহ ভালোই হয়েছে। বিভিন্ন কষ্টের বিনিময় আমরা এ বাদগুলোর কাজ করে থাকি।বিগত কয়েকদিন আগে উদ্দ্যেশ প্রনোদিত ভাবে আমাদের হাওর রক্ষা বাধে হাওর বাচাও আন্দোলনের কথিত এক নেতা আমার কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবী করেন। আমি নারাজি প্রকাশ করলে তিনি আমার ৪০ নং হাওর রক্ষা বাধের মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপপ্রচার করেন। আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের আমার বাধের পরিদর্শনে আসার জন্য আমি আমন্ত্রণ জানাই।৩৮ নং হাওর রক্ষা বাধ কমিটির সভাপতি রুবেল তালুকদার জানান, দুর থেকে অনেকেই জ্ঞান দেন। যে হাওর রক্ষা বাধের কাজ করেন তিনিই ভালো জানেন,আমরা কৃষকের কল্যাণে বাধের কাজ করি, এ হাওর আমাদের ফসল আমাদের৷ তাই হাওর রক্ষা বাধের কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা অতি কষ্টের বিনিময়ে কাজ করছি। কাজের বাস্তব চিত্র বিবেচনা করে আমাদের বিল টুকো পরিপূর্ণ ভাবে দেওয়ার জন্য শান্তিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।৯ নং হাওর রক্ষা বাধ কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান জানান, আমরা খুব কষ্টের বিনিময়ে বাধের কাজ করেছি। গত বছরের নায় আমাদের কাজ খুব ভালো হয়েছে। আমাদের দ্রুত বিল দেওয়ার জন্য শান্তিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাহায্য কামনা করছি। এব্যাপার শান্তিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মোহন বলেন,বাধের কাজের তদারকির জন্য আমরা প্রতিনিয়ত মাঠে আছি। অচিরেই কাজের মান বিবেচনা করে বিল পরিশোধ করা হবে। এনএম/ধ্রুবকন্ঠ