আক্কেলপুরে নলকূপ ড্রাইভারকে বেঁধে রাতভর নির্যাতন, ট্রান্সফরমারের কয়েল লুট
জয়পুরহাটের
আক্কেলপুরে একটি গভীর নলকূপের
ড্রাইভারকে রাতভর বেঁধে রেখে মারধরের পর
তিনটি ট্রান্সফরমারের কয়েল লুট করার ঘটনা
ঘটেছে । ঘটনাটি বৃহস্পতিবার
(২৩এপ্রিল) উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের চকরঘুনাথ মাঠে মাঠে ঘটেছে।এর আগে ওই নলকূপ
থেকে চিরকুটের মাধ্যমে ফোন নাম্বার দিয়ে
বৈদ্যুতিক মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরি
না করার শর্তে নানা
হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
সেই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। মালিকপক্ষে অভিযোগ চাঁদার টাকা না দেওয়ায়
এই ঘটনাটি ঘটেছে। জানা
গেছে, বুধবার(২২এপ্রিল) রাত ১০টার পরে
ওই নলকূপের ড্রাইভার আব্দুল কুদ্দুস(৬০) নলকূপের ঘরে
যায়। সেই সময় পাঁচ
থেকে ছয় জন তাকে
আক্রমণ করে এবং রাতভর
তার হাত-পা ও
মুখ বেঁধে রেখে মারধর করে।
এক পর্যায়ে তাকে বাঁধা অবস্থায়
রেখে গভীর নলকূপের তিনটি
বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের কয়েল নিয়ে চলে যায়।
সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই
নলকূপের ঘরের ভেতর থেকে
শব্দ পেয়ে নলকূপ মালিকদের খবর দেয়। পরে
তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার
করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসা
হয়। এর আগে চলতি বছরের
২৫ ফেব্রুয়ারি ওই নলকূপে চিরকুটের
মাধ্যামে ফোন নাম্বার দিয়ে
চুরি না করার শর্তে
হুমকি দিয়ে টাকা দাবি
করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় ওই
নলকূপে সভাপতি আব্দুস সালাম ১মার্চ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। ওই গভীর নলকূপের সাধারণ
সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বলেন, ড্রাইভারকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। সে
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এর আগে আমাদেরকে
হুমকি দেওয়া হয়েছিল। টাকা না দেওয়ার
কারণে আজ এই ঘটনা
ঘটেছে। অপরাধীদের ফোন নাম্বার থাকা
সত্ত্বেও তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে
থাকছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের
নলকূপ পরিচালনা করা সম্ভব হবে
না। আক্কেলপুর
থানার ওসি শাহীন রেজা
জানান, খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থন পরিদর্শন করেছে। এ ধরনের অপরাধ
রোধে এবং অপরাধীদের সনাক্ত
করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে আমরা সর্বাত্মক
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অধিকাংশ ঘটনায় অপরাধীরা অন্যের নামে রেজিস্ট্রেশন করা
সিম কার্ড ব্যবহার করছে। এ কারণে আমাদের
কাজে একটু বেগ পেতে
হচ্ছে।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ