দিল্লিও নয়, পিন্ডিও নয়, সবার আগে বাংলাদেশ : তারেক রহমান
বিএনপি
চেয়ারম্যান
তারেক
রহমান
বলেছেন,
‘কেউ
যায়
দিল্লি,
কেউ
যায়
পিন্ডি।
দিল্লিও
নয়,
পিন্ডিও
নয়,
নয়
অন্য
কোনো
দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।
যেহেতু
আমরা
বিশ্বাস
করি,
দেশের
মানুষই
হচ্ছে
আমাদের
রাজনৈতিক
সব
ক্ষমতার
উৎস।
সে
জন্যই
আমরা
দেশের
মানুষের
ভাগ্যোন্নয়নে
বিশ্বাস
করি।‘আজ
বৃহস্পতিবার (২২
জানুয়ারি)
সন্ধ্যায়
হবিগঞ্জ
জেলার
শায়েস্তাগঞ্জ
উপজেলার
প্রস্তাবিত
উপজেলা
পরিষদের
মাঠে
নির্বাচনী
জনসভায়
প্রধান
অতিথির
বক্তব্যে
তিনি এসব
কথা
বলেন।তিনি
বলেন,
‘আগামী
১২
তারিখের
নির্বাচন
হচ্ছে
দেশকে
এগিয়ে
নেওয়ার
নির্বাচন,
জনগণের
শাসন
কায়েমের
নির্বাচন,
দেশ
গড়ার
নির্বাচন।
তাই
ফজরের
নামাজ
নয়
তাহাজ্জুদের
নামাজ
পড়েই
ভোট
কেন্দ্রে
যেতে
হবে।
দলীয়
নেতা
কর্মীকে
সজাগ
ও
সতর্ক
থাকতে
হবে। একটা
দল
নানাভাবে
ভোট
দখলের
চেষ্টা
করছে।
বিএনপি
ক্ষমতায়
গেলে
রাসুল
(সা.)
ন্যায়পরায়ণতার
ভিত্তিতে
দেশ
পরিচালনা
করা
হবে।‘বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন,
‘কেউ কেউ বলে,
অমুককে দেখেছি, তমুককে
দেখেছি। এবার
একে দেখেন। ৫০
বছর আগেই তাদেরকে দেখেছি। ১৯৭১
সালে যে যুদ্ধ,
যে যুদ্ধে তারা
স্বাধীনতার বিরোধী
পক্ষের সাথে ছিল।
যাঁদের ভূমিকার জন্য
এই দেশের লক্ষ
লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ
হয়েছেন। এই
দেশের লক্ষ লক্ষ
মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাঁদের তো
বাংলাদেশের মানুষ
দেখেই নিয়েছে।‘শায়েস্তাগঞ্জে লক্ষাধিক জনগণের উপস্থিতিতে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় দেশবাসীর সাহায্য ও দোয়া কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।বিএনপি দেশের প্রত্যেক মানুষকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন,
‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চা বাগানের নারী শ্রমিক,
গ্রামগঞ্জের নারীদের জন্য ফ্যামেলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে।‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন,
‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে একের পর এক প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।‘তারেক রহমান বলেন,
‘আমরা দেখেছি,
বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কীভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।’হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশ মঞ্চে তারেক রহমান আসেন ৫টা ৩৪ মিনিটে। নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে মঞ্চেই তিনি মাগরিবের নামাজ আদায় করেন এবং প্রায় ২৮ মিনিট বক্তব্য দেন। তিনি আসার আগেই লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে সমাবেশস্থল। মঞ্চে উঠে বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার সিফা। এ সময় হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থীদের তিনি পরিচয় করিয়ে দেন। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু। বক্তব্য রাখেন বিএনপি প্রার্থী ডা.
সাখাওয়াত হোসেন জীবন,
ড. রেজা কিবরিয়া,
জিকে গউছ,
এসএম ফয়সল ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আহমদ আলী মুকিম।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ