চট্টগ্রামে এনসিপির কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
সারাদেশের
সকল
সন্ত্রাসীদের
অবিলম্বে
গ্রেপ্তারের
দাবি
জানিয়ে
সংবাদ
সম্মেলন
করেছেন চট্টগ্রাম
শাখা
জাতীয়
নাগরিক
পার্টির
(এনসিপি)
নেতারা।
আসামিদের
গ্রেপ্তার
করা
না
হলে
আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয়
নির্বাচনে
প্রার্থী,
ভোটার,এবং চট্টগ্রামবাসীর
নিরাপত্তার
স্বার্থে
জনগণকে
সাথে
নিয়ে
কঠোর
কর্মসূচির
হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন
তারা। আজ সোমবার
(১৯
জানুয়ারি)
বিকেলে
চট্টগ্রাম
নগরীর
দুই
নম্বর
গেইট
এলাকায়
আয়োজিত
সংবাদ
সম্মেলনে
লিখিত
বক্তব্য
পাঠ
করেন
এনসিপি
চট্টগ্রাম
মহানগর
যুগ্ম
সমন্বয়কারী
মোহাম্মদ
এরফানুল
হক।সংবাদ
সম্মেলনে
এনসিপির
নেতারা
বলেন,
‘শনিবার
চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন
পুলিশ
কমিশনার
কর্তৃক
প্রদত্ত
এক
বিজ্ঞপ্তিতে
৩৩২
জন সন্ত্রাসীকে
সিএমপি
এলাকায়
প্রবেশ
না
করতে
বলা
হয়েছে
এবং
তাদেরকে
চট্টগ্রাম
ত্যাগ
করার
পরামর্শ
দেওয়া
হয়েছে। যাদের মধ্যে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যাকারী অনেক আসামি এবং চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম রয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি স্পষ্টভাবে এই এই বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করছে। আমরা মনে করি, এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কোনো দায়িত্বশীল বিবৃতি নয়, বরং এই বিবৃতির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিজেদের দায় এড়ানোর চেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে। আমাদের প্রশ্ন, যদি সিএমপির কাছে সন্ত্রাসীদের নাম, পরিচয় ও অবস্থান আগে থেকেই জানা থাকে, তাহলে তারা কেনো এখনো গ্রেপ্তার হচ্ছে না?’সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ‘আইনের শাসন মানে সন্ত্রাসীদের এলাকা বদলানোর সুযোগ দেওয়া নয়। আইনের শাসন মানে সন্ত্রাসী যেখানেই থাকুক, তাকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা।‘সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ এরফানুল হক বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনেকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে ডাক্তার শাহাদাতের বহাল থাকা নিয়ে জনমনে অস্থিরতা এবং ভোটারদের মধ্যে একধরনের উদ্বেগ রয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদটি প্রজাতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পদ। এই পদে অধিষ্ঠিত থেকে তিনি বিএনপি প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
এলাকায় চারটি সংসদীয়
আসনেই বিএনপির প্রার্থী
রয়েছে। এই বাস্তবতায়
বিএনপি মনোনীত একজন
ব্যক্তি যদি মেয়র
পদে বহাল থাকেন,
তাহলে আসন্ন নির্বাচনে
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড
বলে কিছু থাকে
না। এটি নির্বাচনকে
ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।‘
সংবাদ
সম্মেলনে তিনি আরও
বলেন, ‘নির্বাচনের নিরপেক্ষতা
রক্ষার স্বার্থে স্থানীয়
সরকার উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ এবং তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
অনেক আগেই তাঁদের
পদ থেকে পদত্যাগ
করেছেন। একই বাস্তবতায়
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের
বর্তমান মেয়র ডা.
শাহাদাত হোসেনকেও পদত্যাগ
করতে হবে। একজন
সক্রিয় রাজনৈতিক দলের
নেতা হয়ে তিনি
মেয়র পদে বহাল
থাকলে আসন্ন নির্বাচনে
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড
নষ্ট হবে এবং
নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
যেহেতু চলতি মাসের
২৭ তারিখে তাঁর
মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে,এবং
আগামী ২২ তারিখ
থেকে ভোটে প্রার্থীদের
প্রচারণাও শুরু হচ্ছে
সুতরাং এই বাস্তবতায়
চট্টগ্রামের নির্বাচনী পরিবেশ
অবাধ, সুষ্ঠ এবং
নিরপেক্ষ রাখতে হলে
অবিলম্বে তাকে পদত্যাগ
করতে হবে।‘
সংবাদ সম্মেলনে
এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের
যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ
মঈনুদ্দিন ,জুবায়ের হোসেন,
নিজাম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ