যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার জাতীয় নেটওয়ার্কে কুবির দুই শিক্ষক
কমিউনিকেশন
অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (CJEN) বাংলাদেশের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে
স্থান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দুই
শিক্ষক। তারা হলেন সহকারী অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হুসাইন এবং সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল
হাসান।বুধবার (১৫
এপ্রিল) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান।দেশের শীর্ষস্থানীয়
পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট CJEN–এর এই নতুন
কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। যা এপ্রিল ২০২৬ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত দুই বছর মেয়াদে
দায়িত্ব পালন করবে। যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলা এবং অ্যাকাডেমিক অংশীদারিত্ব জোরদারে এই নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে আসছে।কমিটিতে দ্বিতীয়বারের
মতো মনোনীত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে সহকারী অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হুসাইন বলেন, “আমি
দ্বিতীয় বারের মতো এই কমিটিতে মনোনীত হয়েছি। নবগঠিত এই কার্যনির্বাহী কমিটির সকলকে
অভিনন্দন জানাই। সকলের সহযোগিতা, গবেষণা এবং পেশাগত উন্নয়নের মাধ্যমেই এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত
হবে। আমার বিশ্বাস, এই কমিটির সদস্যরা নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে, একাডেমিক
অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে এবং মিডিয়া, যোগাযোগ ও ডিজিটাল রূপান্তরের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো
মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”এ বিষয়ে গণযোগাযোগ
ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান বলেন, “CJEN মূলত
যোগাযোগ ও গণমাধ্যম বিষয়ক শিক্ষকদের একটি নেটওয়ার্ক। ডিডব্লিউ একাডেমির পৃষ্ঠপোষকতায়
পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা, সাংবাদিকতা বিষয়ক সমসাময়িক
জ্ঞান নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন কনফারেন্স আয়োজন করা এই নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ। কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এখানে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি আনন্দিত।”উল্লেখ্য,
(CJEN) বাংলাদেশ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং
শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আসছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের
মধ্যে নেটওয়ার্কিং জোরদার করার ক্ষেত্রেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ