শ্বেতপত্রে
বলা
হয়েছে,
এটি
কোনো
ব্যক্তি
বা
দলের
বিরুদ্ধে
প্রতিশোধমূলক
দলিল
নয়।
বরং
ভবিষ্যতের
নীতিনির্ধারণে
স্বচ্ছতা
ও
জবাবদিহি
নিশ্চিত
করার
উদ্দেশ্যে
তৈরি
করা
হয়েছে।
কমিটি
আইসিটি
খাতে
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কার,
স্বাধীন
অডিট
ব্যবস্থা
জোরদার
ও
কঠোর
নজরদারি
বৃদ্ধির
সুপারিশ
করেছে।
বিশেষজ্ঞরা
মনে
করেন,
রাজনৈতিক
সদিচ্ছা
ও
কার্যকর
আইনি
ব্যবস্থার
অভাবে
শ্বেতপত্রটি
অতীতের
অনেক
প্রতিবেদনকেই
‘ফাইলবন্দি
দলিল’
হিসেবে
সীমাবদ্ধ
রাখার
ঝুঁকিতে
রয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি
ইন্টারন্যাশনাল
বাংলাদেশ
(টিআইবি)-এর নির্বাহী
পরিচালক
ড.
ইফতেখারুজ্জামান
বলেন,
“শ্বেতপত্রে
তথ্যভিত্তিক
দুর্নীতি
ও
অনিয়মের
প্রমাণ
উঠে
এসেছে।
তবে
এটি
কার্যকর
হবে,
যদি
সরকার
প্রাতিষ্ঠানিক
ও
আইনি
পর্যায়ে
জবাবদিহি
নিশ্চিত
করে।”
প্রসঙ্গত,
শ্বেতপত্র
কমিটি
উন্নয়ন
অর্থনীতিবিদ
প্রফেসর
ড.
নিয়াজ
আসাদুল্লাহর
নেতৃত্বে
গঠিত।
কমিটিতে
ছিলেন
পিজিসিবি
চেয়ারম্যান
অধ্যাপক
রেজওয়ান
খান,
ব্র্যাক
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক
চৌধুরী
মফিজুর
রহমান,
পারডু
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক
মুহাম্মদ
মুস্তাফা
হোসেন,
বুয়েট
অধ্যাপক
রিফাত
শাহরিয়ার,
ব্যারিস্টার
আফজাল
জামি
সৈয়দ
আলী,
প্রযুক্তি
বিশেষজ্ঞ
আসিফ
শাহরিয়ার
সুস্মিত
ও
সাংবাদিক
মো.
শরিয়ত
উল্লাহ।
আপনার মতামত লিখুন