মতবিনিময় সভায় রিয়েল এস্টেট খাতের বর্তমান আবাসন ব্যবসা, বিভিন্ন সংকট ও তা থেকে উত্তরণের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান বলেন, "অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সরকারি নির্দেশনা না মেনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা পরিচালনা করছে। এমনকি অনেকে ব্যক্তি পর্যায়ে শেয়ার বিল্ডিং তৈরি করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ম-বহির্ভূত কাজ করে একদিকে যেমন সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি করছে, অন্যদিকে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে।" তিনি মনে করিয়ে দেন যে, মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করতে হলে ডেভেলপারদের অবশ্যই রিহ্যাব সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক।
রিহ্যাব এর পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান-১ সারিস্ত্ বিনতে নুর রিয়েল এস্টেট খাতে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কম সুদে ব্যাংক লোন প্রবর্তনের প্রস্তাব করেন। একই সাথে তিনি বর্তমান বাজারে নির্মাণ সামগ্রীসহ সকল প্রকার দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
রিহ্যাব এর পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান-২ জনাব এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সরকারি সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা পেলে দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কম দামে আবাসন ব্যবস্থার সংকটের সহজ সমাধান করা সম্ভব।
রিহ্যাব নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও প্রস্তাবনা শোনার পর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, এমপি বলেন, "কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে অনেক খালি জায়গা রয়েছে, যেখানে রিহ্যাব সদস্যরা নতুন আবাসন প্রকল্প ডেভেলপ করতে পারেন।"
তিনি রিহ্যাবের সকল যৌক্তিক দাবি ও প্রস্তাবনা লিখিত আকারে তাঁর কাছে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, রিহ্যাবের এই দাবিগুলো তিনি আগামী সংসদ অধিবেশনে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরবেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির সম্মানিত সদস্য জনাব হৃষিকেশ চৌধুরী, জনাব সৈয়দ ইরফানুল আলম, জনাব নুর মোহাম্মদ এবং জনাব আশীষ রায় চৌধুরী।
.png)
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
মতবিনিময় সভায় রিয়েল এস্টেট খাতের বর্তমান আবাসন ব্যবসা, বিভিন্ন সংকট ও তা থেকে উত্তরণের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান বলেন, "অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সরকারি নির্দেশনা না মেনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা পরিচালনা করছে। এমনকি অনেকে ব্যক্তি পর্যায়ে শেয়ার বিল্ডিং তৈরি করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ম-বহির্ভূত কাজ করে একদিকে যেমন সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি করছে, অন্যদিকে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে।" তিনি মনে করিয়ে দেন যে, মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করতে হলে ডেভেলপারদের অবশ্যই রিহ্যাব সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক।
রিহ্যাব এর পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান-১ সারিস্ত্ বিনতে নুর রিয়েল এস্টেট খাতে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কম সুদে ব্যাংক লোন প্রবর্তনের প্রস্তাব করেন। একই সাথে তিনি বর্তমান বাজারে নির্মাণ সামগ্রীসহ সকল প্রকার দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
রিহ্যাব এর পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান-২ জনাব এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সরকারি সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা পেলে দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কম দামে আবাসন ব্যবস্থার সংকটের সহজ সমাধান করা সম্ভব।
রিহ্যাব নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও প্রস্তাবনা শোনার পর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, এমপি বলেন, "কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে অনেক খালি জায়গা রয়েছে, যেখানে রিহ্যাব সদস্যরা নতুন আবাসন প্রকল্প ডেভেলপ করতে পারেন।"
তিনি রিহ্যাবের সকল যৌক্তিক দাবি ও প্রস্তাবনা লিখিত আকারে তাঁর কাছে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, রিহ্যাবের এই দাবিগুলো তিনি আগামী সংসদ অধিবেশনে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরবেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির সম্মানিত সদস্য জনাব হৃষিকেশ চৌধুরী, জনাব সৈয়দ ইরফানুল আলম, জনাব নুর মোহাম্মদ এবং জনাব আশীষ রায় চৌধুরী।
.png)
আপনার মতামত লিখুন