ঈদুল
ফিতর
উপলক্ষে
টাঙ্গাইল
শহরের
যানজট
নিরসনে
ব্যতিক্রমী
উদ্যোগ
নিয়েছেন
মৎস্য
ও
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের
প্রতিমন্ত্রী
এবং
টাঙ্গাইল
সদর
আসনের
এমপি
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু।
তাঁর
ব্যক্তিগত
উদ্যোগে
শহরে
যানজট
নিয়ন্ত্রণে
স্বেচ্ছাসেবী
কার্যক্রম
শুরু
হয়েছে।
সকাল
থেকে
ঈদের
চাঁদ
রাত
পর্যন্ত
চলবে
এ
কার্যক্রম
।
এ
উদ্যোগকে
প্রশংসা
করছেন
সাধারণ
মানুষ।
শহরের
গুরুত্বপূর্ণ
সড়ক
ও
মোড়গুলোয়
দেখা
যায়
স্বেচ্ছাসেবক
টীম
ট্রাফিক
পুলিশের
সহায়ক
হিসেবে
দায়িত্ব
পালন
করছেন।
পুরাতন
বাসস্ট্যান্ড,
নিরালা
মোড়ে
৫
জন,
কালীবাড়ি
ব্রিজ
ও
বিন্দুবাসিনী
গার্লস
স্কুলের
মোড়
এবং
ক্যালসুল
মার্কেট
এলাকায়
তারা
তীব্র
রোদে
কাজ
করে
যাচ্ছেন।
এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের
বিভিন্ন
মার্কেট,
শপিংমল
ও
অভ্যন্তরীণ
সড়কগুলোতে
মানুষের
ব্যাপক
ভিড়
সৃষ্টি
হয়েছে।
তবে
স্বেচ্ছাসেবকদের
সক্রিয়
ভূমিকার
কারণে
যান
চলাচলে
কিছুটা
স্বস্তি
ফিরেছে।
স্বেচ্ছাসেবীরা
হলুদ-টিয়া রঙের বিশেষ ইউনিফর্ম
পরে
এবং
বাঁশি
ব্যবহার
করে
সকাল
থেকে
রাত
পর্যন্ত
যানবাহন
চলাচল
নিয়ন্ত্রণে
কাজ
করছেন।
তাদের
ইউনিফর্মে
‘সার্বিক
ব্যবস্থাপনায়
মাননীয়
প্রতিমন্ত্রী
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু’
লেখা
রয়েছে।
অটোরিকশা
চালকরা
বলেন,
যানজট
নিরসনে
স্বেচ্ছাসেবীদের
কাজ
মানুষের
উপকারে
আসছে।
তবে
শহরে
রিকশা
ও
অটোরিকশা
বেশি
থাকায়
দিনদিন
যানজটের
সমস্যা
বাড়ছে।
ঈদে
কেনাকাটা
করতে
আসা
রোকেয়া
খাতুন
মনিরা
সুলতানা
বলে
রমজান
ও
ঈদকে
সামনে
রেখে
শহরে
মানুষের
চাপ
অনেক
বেড়েছে।
আগে
এখানে
দীর্ঘ
সময়
দাঁড়িয়ে
থাকতে
হয়।
স্বেচ্ছাসেবীরা
কাজ
করায়
চলাচল
কিছুটা
সহজ
হয়েছে।
টাঙ্গাইল
সদর
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
রুহুল
আমিন
বলেন,
প্রতিমন্ত্রীর
উদ্যোগে
স্বেচ্ছাসেবীরা
জেলা
পুলিশের
পাশাপাশি
শহরের
যানজট
নিরসনে
কাজ
করছেন।
এটি
একটি
প্রশংসনীয়
উদ্যোগ।
প্রতিমন্ত্রী
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু
বলেন,
ঈদকে
সামনে
রেখে
শহরে
মানুষের
চলাচল
ও
কেনাকাটার
চাপ
অনেক
বেড়ে
যায়।
ভোগান্তি
কমানোর
জন্যই
স্বেচ্ছাসেবী
টিমকে
কাজ
করছে।
ভবিষ্যতেও
এ
ধরনের
জনকল্যাণমূলক
উদ্যোগ
অব্যাহত
থাকবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ঈদুল
ফিতর
উপলক্ষে
টাঙ্গাইল
শহরের
যানজট
নিরসনে
ব্যতিক্রমী
উদ্যোগ
নিয়েছেন
মৎস্য
ও
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের
প্রতিমন্ত্রী
এবং
টাঙ্গাইল
সদর
আসনের
এমপি
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু।
তাঁর
ব্যক্তিগত
উদ্যোগে
শহরে
যানজট
নিয়ন্ত্রণে
স্বেচ্ছাসেবী
কার্যক্রম
শুরু
হয়েছে।
সকাল
থেকে
ঈদের
চাঁদ
রাত
পর্যন্ত
চলবে
এ
কার্যক্রম
।
এ
উদ্যোগকে
প্রশংসা
করছেন
সাধারণ
মানুষ।
শহরের
গুরুত্বপূর্ণ
সড়ক
ও
মোড়গুলোয়
দেখা
যায়
স্বেচ্ছাসেবক
টীম
ট্রাফিক
পুলিশের
সহায়ক
হিসেবে
দায়িত্ব
পালন
করছেন।
পুরাতন
বাসস্ট্যান্ড,
নিরালা
মোড়ে
৫
জন,
কালীবাড়ি
ব্রিজ
ও
বিন্দুবাসিনী
গার্লস
স্কুলের
মোড়
এবং
ক্যালসুল
মার্কেট
এলাকায়
তারা
তীব্র
রোদে
কাজ
করে
যাচ্ছেন।
এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের
বিভিন্ন
মার্কেট,
শপিংমল
ও
অভ্যন্তরীণ
সড়কগুলোতে
মানুষের
ব্যাপক
ভিড়
সৃষ্টি
হয়েছে।
তবে
স্বেচ্ছাসেবকদের
সক্রিয়
ভূমিকার
কারণে
যান
চলাচলে
কিছুটা
স্বস্তি
ফিরেছে।
স্বেচ্ছাসেবীরা
হলুদ-টিয়া রঙের বিশেষ ইউনিফর্ম
পরে
এবং
বাঁশি
ব্যবহার
করে
সকাল
থেকে
রাত
পর্যন্ত
যানবাহন
চলাচল
নিয়ন্ত্রণে
কাজ
করছেন।
তাদের
ইউনিফর্মে
‘সার্বিক
ব্যবস্থাপনায়
মাননীয়
প্রতিমন্ত্রী
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু’
লেখা
রয়েছে।
অটোরিকশা
চালকরা
বলেন,
যানজট
নিরসনে
স্বেচ্ছাসেবীদের
কাজ
মানুষের
উপকারে
আসছে।
তবে
শহরে
রিকশা
ও
অটোরিকশা
বেশি
থাকায়
দিনদিন
যানজটের
সমস্যা
বাড়ছে।
ঈদে
কেনাকাটা
করতে
আসা
রোকেয়া
খাতুন
মনিরা
সুলতানা
বলে
রমজান
ও
ঈদকে
সামনে
রেখে
শহরে
মানুষের
চাপ
অনেক
বেড়েছে।
আগে
এখানে
দীর্ঘ
সময়
দাঁড়িয়ে
থাকতে
হয়।
স্বেচ্ছাসেবীরা
কাজ
করায়
চলাচল
কিছুটা
সহজ
হয়েছে।
টাঙ্গাইল
সদর
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
রুহুল
আমিন
বলেন,
প্রতিমন্ত্রীর
উদ্যোগে
স্বেচ্ছাসেবীরা
জেলা
পুলিশের
পাশাপাশি
শহরের
যানজট
নিরসনে
কাজ
করছেন।
এটি
একটি
প্রশংসনীয়
উদ্যোগ।
প্রতিমন্ত্রী
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু
বলেন,
ঈদকে
সামনে
রেখে
শহরে
মানুষের
চলাচল
ও
কেনাকাটার
চাপ
অনেক
বেড়ে
যায়।
ভোগান্তি
কমানোর
জন্যই
স্বেচ্ছাসেবী
টিমকে
কাজ
করছে।
ভবিষ্যতেও
এ
ধরনের
জনকল্যাণমূলক
উদ্যোগ
অব্যাহত
থাকবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন