ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল



নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে এবং এনজিও থেকে নেওয়া নারীদের কিস্তির ঋণের দায়িত্ব সরকার নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ঠাকুরগাঁও- আসনের ধানের শীষ প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা হওয়ায় ঠাকুরগাঁওকে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি বলা হয়।

মির্জা ফখরুল এবং স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের শেকড় বিএনপিকে এখানে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মহাসচিবের জেলা হিসেবে এখানে জানপ্রাণ দিয়ে মাঠে থাকে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হবে। আর নারীদের জন্য ভালো খবরআপনারা এনজিও থেকে কিস্তিতে ঋণ নেন না? তারেক রহমান বলছেন, ওই ঋণ সরকার নিয়ে নেবে। আমরা যখন সরকারে ছিলাম, তখন হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মাফ করেছিলাম এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছিলাম।

এবারের নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে এবার ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। ভালো মানুষ ভালো দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ আছে। আপনারা সবাই ভোট দিতে চান। 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের দরকার এমন সরকার যার অভিজ্ঞতা আছে এবং আমানতের খেয়ানত করে না।

মির্জা ফখরুল তার নিজ প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার আওয়ামী লীগ নেই, নৌকা মার্কা নেইএবার দাঁড়িপাল্লা। দাঁড়িপাল্লা অনেক আগে থেকে রাজনীতি করে আসছে, কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। আমার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে বিদ্যুতের তারসহ সবকিছু পাকিস্তানিরা খুলে নিয়ে গিয়েছিল। বহু মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি হয়েছে। যারা বাংলাদেশকে মানতে চায়নি, শুধু বাংলাদেশ নয়পাকিস্তান চায়নিতাদের কী করে ভোট দেব

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির পথে বিভাজনের রাজনীতি বড় বাধা। যারা ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে, তারা এলে দেশের স্বার্থের বিরোধী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র জনগণের অধিকার রক্ষায় সব ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি।

সভায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

 


এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে এবং এনজিও থেকে নেওয়া নারীদের কিস্তির ঋণের দায়িত্ব সরকার নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ঠাকুরগাঁও- আসনের ধানের শীষ প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা হওয়ায় ঠাকুরগাঁওকে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি বলা হয়।

মির্জা ফখরুল এবং স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের শেকড় বিএনপিকে এখানে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মহাসচিবের জেলা হিসেবে এখানে জানপ্রাণ দিয়ে মাঠে থাকে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হবে। আর নারীদের জন্য ভালো খবরআপনারা এনজিও থেকে কিস্তিতে ঋণ নেন না? তারেক রহমান বলছেন, ওই ঋণ সরকার নিয়ে নেবে। আমরা যখন সরকারে ছিলাম, তখন হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মাফ করেছিলাম এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছিলাম।

এবারের নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে এবার ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। ভালো মানুষ ভালো দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ আছে। আপনারা সবাই ভোট দিতে চান। 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের দরকার এমন সরকার যার অভিজ্ঞতা আছে এবং আমানতের খেয়ানত করে না।

মির্জা ফখরুল তার নিজ প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার আওয়ামী লীগ নেই, নৌকা মার্কা নেইএবার দাঁড়িপাল্লা। দাঁড়িপাল্লা অনেক আগে থেকে রাজনীতি করে আসছে, কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। আমার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে বিদ্যুতের তারসহ সবকিছু পাকিস্তানিরা খুলে নিয়ে গিয়েছিল। বহু মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি হয়েছে। যারা বাংলাদেশকে মানতে চায়নি, শুধু বাংলাদেশ নয়পাকিস্তান চায়নিতাদের কী করে ভোট দেব

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির পথে বিভাজনের রাজনীতি বড় বাধা। যারা ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে, তারা এলে দেশের স্বার্থের বিরোধী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র জনগণের অধিকার রক্ষায় সব ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি।

সভায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

 


এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত