গুলি ওসমান হাদির ডান
দিক দিয়ে ঢুকে বামে বেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
(ডিজি) মো. আবু জাফর।
তিনি আরও বলেন, ওসমান
হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া
হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা
মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বাগান গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
আবু জাফর বলেন, ঢাকা
মেডিকেলে অস্ত্রোপচার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওসমান হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে
নেওয়া হয়েছে। যখন হাদিকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন তার জিসিএস (গ্লাসগো কোমা স্কেল)
ছিল সর্বনিম্ন। যেটা ৩ থেকে ১৫ পর্যন্ত থাকে। সেখান থেকে চিকিৎসকের চেষ্টায় উন্নত
হয়েছে। তিনি এখন আর্টিফিশিয়াল ভেন্টিলেশনে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ওনার
ব্রেনের অবস্থা ছিল— গুলি কানের ডান দিক দিয়ে ঢুকে বাম দিয়ে বের হয়ে গেছে। বুলেট
ইনজুরি হচ্ছে— যেদিক দিয়ে ঢুকে সেদিক ছোট, যেদিক দিয়ে বের হয়, সেখানে বড় ইনজুরি
হয়, সেটাই হয়েছে। ব্রেন ইনজুরি হচ্ছে, ব্রেন ফুলে ফেঁপে যায়, প্রেশার বেড়ে যায়।
এটা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এটা যেন না হয়, এজন্য নিউরো সার্জনরা যারা ছিলেন, ডা.
জাহিদ রায়হান ও তার টিমরা ব্রেনের খুলিটা বড় করে খুলে দিয়েছে, যেন প্রেশার না বাড়ে।
স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন,
কিছু রক্তক্ষরণ হচ্ছিল নাক ও গলা দিয়ে। সেটা নাক-গলার চিকিৎসকেরা ঠিক করে দিয়েছেন।
আমাদের সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত ছিল তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে
যাওয়ার। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে চাচ্ছিল এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যেতে। আমরা
এভারকেয়ার হাসপাতালে যোগাযোগ করে সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, হাদি একটি রিকশায় বিজয়নগরের দিকে যাচ্ছিলেন।
সে সময় হেলমেট পরা দুজন মোটরসাইকেলে এসে বায়তুস সালাম জামে মসজিদের সামনে তাকে
গুলি করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, এ গুলির ঘটনা ঘটে পল্টন ডিআর টাওয়ার ও বাইতুস সালাম জামে মসজিদের মাঝামাঝি
সড়কে।
ডিআর টাওয়ারের
নিরাপত্তাকর্মী সাকিব হোসেন বলেন, যখন গুলি চলে তখন আমি ভবনের ভেতরে ছিলাম। শব্দ
শুনে দ্রুত রাস্তায় গিয়ে দেখি একটি রিকশায় তাকে (হাদিকে) নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায়
রক্ত পড়ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা
যায়, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন হাদি। এ সময় পিছু নেয় একটি
মোটরসাইকেল। রিকশাটির ডান পাশ ঘেঁষে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন
হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলটি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : শরিফ ওসমান বিন হাদি ডিজি
.png)
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
গুলি ওসমান হাদির ডান
দিক দিয়ে ঢুকে বামে বেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
(ডিজি) মো. আবু জাফর।
তিনি আরও বলেন, ওসমান
হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া
হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা
মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বাগান গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
আবু জাফর বলেন, ঢাকা
মেডিকেলে অস্ত্রোপচার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওসমান হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে
নেওয়া হয়েছে। যখন হাদিকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন তার জিসিএস (গ্লাসগো কোমা স্কেল)
ছিল সর্বনিম্ন। যেটা ৩ থেকে ১৫ পর্যন্ত থাকে। সেখান থেকে চিকিৎসকের চেষ্টায় উন্নত
হয়েছে। তিনি এখন আর্টিফিশিয়াল ভেন্টিলেশনে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ওনার
ব্রেনের অবস্থা ছিল— গুলি কানের ডান দিক দিয়ে ঢুকে বাম দিয়ে বের হয়ে গেছে। বুলেট
ইনজুরি হচ্ছে— যেদিক দিয়ে ঢুকে সেদিক ছোট, যেদিক দিয়ে বের হয়, সেখানে বড় ইনজুরি
হয়, সেটাই হয়েছে। ব্রেন ইনজুরি হচ্ছে, ব্রেন ফুলে ফেঁপে যায়, প্রেশার বেড়ে যায়।
এটা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এটা যেন না হয়, এজন্য নিউরো সার্জনরা যারা ছিলেন, ডা.
জাহিদ রায়হান ও তার টিমরা ব্রেনের খুলিটা বড় করে খুলে দিয়েছে, যেন প্রেশার না বাড়ে।
স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন,
কিছু রক্তক্ষরণ হচ্ছিল নাক ও গলা দিয়ে। সেটা নাক-গলার চিকিৎসকেরা ঠিক করে দিয়েছেন।
আমাদের সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত ছিল তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে
যাওয়ার। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে চাচ্ছিল এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যেতে। আমরা
এভারকেয়ার হাসপাতালে যোগাযোগ করে সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, হাদি একটি রিকশায় বিজয়নগরের দিকে যাচ্ছিলেন।
সে সময় হেলমেট পরা দুজন মোটরসাইকেলে এসে বায়তুস সালাম জামে মসজিদের সামনে তাকে
গুলি করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, এ গুলির ঘটনা ঘটে পল্টন ডিআর টাওয়ার ও বাইতুস সালাম জামে মসজিদের মাঝামাঝি
সড়কে।
ডিআর টাওয়ারের
নিরাপত্তাকর্মী সাকিব হোসেন বলেন, যখন গুলি চলে তখন আমি ভবনের ভেতরে ছিলাম। শব্দ
শুনে দ্রুত রাস্তায় গিয়ে দেখি একটি রিকশায় তাকে (হাদিকে) নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায়
রক্ত পড়ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা
যায়, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন হাদি। এ সময় পিছু নেয় একটি
মোটরসাইকেল। রিকশাটির ডান পাশ ঘেঁষে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন
হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলটি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন