চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় চলমান টিকাদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট হামের টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৯৭ জন। এর বিপরীতে ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ ডোজ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬৪ জনকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা থাকলেও ইতোমধ্যে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩০ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ অর্জনের কাছাকাছি।
এদিকে, জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় সন্দেহজনক হামের মোট ১ হাজার ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে পূর্বের ভর্তি রোগী ছিলেন ৮৯ জন এবং নতুন ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৮১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৭৭ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো রোগী নেই। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ১৭৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৩ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।
এছাড়া, জেলায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : স্বাস্থ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ
.png)
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় চলমান টিকাদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট হামের টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৯৭ জন। এর বিপরীতে ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ ডোজ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬৪ জনকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা থাকলেও ইতোমধ্যে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩০ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ অর্জনের কাছাকাছি।
এদিকে, জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় সন্দেহজনক হামের মোট ১ হাজার ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে পূর্বের ভর্তি রোগী ছিলেন ৮৯ জন এবং নতুন ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৮১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৭৭ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো রোগী নেই। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ১৭৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৩ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।
এছাড়া, জেলায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন