ইনকিলাব মঞ্ছের
মুখপাত্র শহীদ শরীফ
ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হামলার অভিযোগ তুলেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনাটি ঘটে।
ইনকিলাব
মঞ্চ জানায়, এ হামলার ঘটনায় সংগঠনের সদস্যসচিব জাবের ও রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পরে ঘটনার
বর্ণনা দিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের এক আহত কর্মী কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের মেরে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম। তারা হঠাৎ করে জলকামান নিক্ষেপ ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে থাকল। এরপর আমরা সরে এলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। তাদের হামলায় অনেকের শরীর থেকে রক্ত ঝড়তে থাকে। সেখানে পুলিশ ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।’
আরেকজন কর্মী বলেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে যেভাবে হামলা করল, এটা ফ্যাসিস্ট হাসিনা যুগের পুলিশি আচরণের পুনরাবৃত্তি। পোশাক পরিবর্তন হলেও পুলিশের আচরণ পরিবর্তন করা গেল না। নির্বাচনের আগে এ ধরনের হামলার পেছনে সরকারকে বিতর্কিত করা এবং নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : হামলায় ইনকিলাব মঞ্চে
.png)
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্ছের
মুখপাত্র শহীদ শরীফ
ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হামলার অভিযোগ তুলেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনাটি ঘটে।
ইনকিলাব
মঞ্চ জানায়, এ হামলার ঘটনায় সংগঠনের সদস্যসচিব জাবের ও রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পরে ঘটনার
বর্ণনা দিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের এক আহত কর্মী কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের মেরে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম। তারা হঠাৎ করে জলকামান নিক্ষেপ ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে থাকল। এরপর আমরা সরে এলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। তাদের হামলায় অনেকের শরীর থেকে রক্ত ঝড়তে থাকে। সেখানে পুলিশ ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।’
আরেকজন কর্মী বলেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে যেভাবে হামলা করল, এটা ফ্যাসিস্ট হাসিনা যুগের পুলিশি আচরণের পুনরাবৃত্তি। পোশাক পরিবর্তন হলেও পুলিশের আচরণ পরিবর্তন করা গেল না। নির্বাচনের আগে এ ধরনের হামলার পেছনে সরকারকে বিতর্কিত করা এবং নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন