ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

অবকাঠামোগত সংকটেও শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে পাঠানপাড়া বিদ্যালয়



অবকাঠামোগত সংকটেও শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে পাঠানপাড়া বিদ্যালয়
ছবি: কামরুজ্জামান (কামরুল)

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার পাঠানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়টি একটি প্রাচীনতম উচ্চ বিদ্যালয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। তা সত্বেও নিরবে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয়টি।

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে নানা সঙ্কট ও সমস্যা মোকাবেলা করে বিদ্যালয়টি আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। এ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে গিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করছে অনেকেই। এ বিদ্যালয়ের ছাত্র মোজাহারুল ইসলাম শান্ত এ বছর সহকারী জজ হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছে। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে  ছাত্র ছাত্রী পাশ করে এলাকার সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ২০০২ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করি। আমার দায়িত্ব গ্রহনকালীন সময়ে বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিলো। ধীরে ধীরে বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টিকে এই এলাকার একটি অন্যতম বিদ্যালয়ে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছি।

বিদ্যালয়ে এখনও কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা যেমন, বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব নেই,যার ফলে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিখতে সমস্যা হচ্ছে। এবং বিদ্যালয়ে  বাওন্ডারি ওয়াল নেই।ছাত্র ছাত্রীদের সাইকেল গ্যারেজ নেই,  জলঢাকা উপজেলা প্রশাসন ও নীলফামারী জেলা প্রশাসন সুনজর দিলে বিদ্যালয়টি আরও মানসম্মত শিক্ষাদানে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : সংকট অবকাঠামোগত পাঠানপাড়া বিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


অবকাঠামোগত সংকটেও শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে পাঠানপাড়া বিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার পাঠানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়টি একটি প্রাচীনতম উচ্চ বিদ্যালয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। তা সত্বেও নিরবে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয়টি।

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে নানা সঙ্কট ও সমস্যা মোকাবেলা করে বিদ্যালয়টি আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। এ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে গিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করছে অনেকেই। এ বিদ্যালয়ের ছাত্র মোজাহারুল ইসলাম শান্ত এ বছর সহকারী জজ হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছে। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে  ছাত্র ছাত্রী পাশ করে এলাকার সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ২০০২ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করি। আমার দায়িত্ব গ্রহনকালীন সময়ে বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিলো। ধীরে ধীরে বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টিকে এই এলাকার একটি অন্যতম বিদ্যালয়ে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছি।

বিদ্যালয়ে এখনও কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা যেমন, বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব নেই,যার ফলে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিখতে সমস্যা হচ্ছে। এবং বিদ্যালয়ে  বাওন্ডারি ওয়াল নেই।ছাত্র ছাত্রীদের সাইকেল গ্যারেজ নেই,  জলঢাকা উপজেলা প্রশাসন ও নীলফামারী জেলা প্রশাসন সুনজর দিলে বিদ্যালয়টি আরও মানসম্মত শিক্ষাদানে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত