জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মনোনীত পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, ‘রক্ত দিয়ে দেবেন, জীবন দিয়ে দেবেন, তবুও একটা ভোট চুরি করতে দেবেন না। যে ভোট চুরি করতে আসবে, তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন’।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি)
বিকেলে পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন সারাজিস আলম।
সারাজিস আলম বলেন, ১২ তারিখের
নির্বাচন শুধু একটি ভোটের লড়াই নয়, এটি ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ও মুক্তির
লড়াই। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যদি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা গোপন কোনো নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সারজিস আলম আরও বলেন, যারা নিজেদের ভালো মানুষের মুখোশ পরে রাজনীতি করেন, অথচ তৃণমূল পর্যায়ে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের
লালন-পালন করেন, জনগণকে তাদের মুখোশ চিনে নিতে হবে। একটি অভ্যুত্থান দেশকে পুরোপুরি মুক্ত করতে পারেনি, তবে এই নির্বাচনই
নব্য স্বৈরাচার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ভোট হাসপাতাল এনসিপি সারাজিস আলম
.png)
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মনোনীত পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, ‘রক্ত দিয়ে দেবেন, জীবন দিয়ে দেবেন, তবুও একটা ভোট চুরি করতে দেবেন না। যে ভোট চুরি করতে আসবে, তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন’।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি)
বিকেলে পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন সারাজিস আলম।
সারাজিস আলম বলেন, ১২ তারিখের
নির্বাচন শুধু একটি ভোটের লড়াই নয়, এটি ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ও মুক্তির
লড়াই। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যদি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা গোপন কোনো নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সারজিস আলম আরও বলেন, যারা নিজেদের ভালো মানুষের মুখোশ পরে রাজনীতি করেন, অথচ তৃণমূল পর্যায়ে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের
লালন-পালন করেন, জনগণকে তাদের মুখোশ চিনে নিতে হবে। একটি অভ্যুত্থান দেশকে পুরোপুরি মুক্ত করতে পারেনি, তবে এই নির্বাচনই
নব্য স্বৈরাচার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন