প্রধান নির্বাচন
কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির
উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচারিত এই ভাষণে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের
স্বার্থে ভোটার তালিকা হালনাগাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
সিইসি
জানান, একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে নির্বাচন কমিশন গত এক বছরে ভোটার
তালিকা নির্ভুল করার কাজে হাত দেয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ২১ লক্ষাধিক মৃত
ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির
পাশাপাশি ভোটদানে বিমুখ এবং তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রায় ৪৫ লাখ ভোটারকে তালিকায়
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সিইসি আরও
উল্লেখ করেন, নারী ভোটারদের যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্তির অভাবে পূর্বে পুরুষ ভোটারের
সঙ্গে নারী ভোটারের ব্যবধান প্রায় ২৯ লাখে দাঁড়িয়েছিল। বাদ পড়া নারী ভোটারদের
মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সেই ব্যবধান উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব
হয়েছে। এছাড়া, আইন সংশোধন করে ভোটার হওয়ার যোগ্যতার তারিখ প্রতিবছর ১
জানুয়ারির পরিবর্তে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে
চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যোগ্য তরুণ ভোটাররা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সিইসি
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত সর্বশেষ তারিখ অনুযায়ী বর্তমানে
দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে
পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৬
কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৯৪২ জন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রধান নির্বাচন
কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির
উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচারিত এই ভাষণে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের
স্বার্থে ভোটার তালিকা হালনাগাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
সিইসি
জানান, একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে নির্বাচন কমিশন গত এক বছরে ভোটার
তালিকা নির্ভুল করার কাজে হাত দেয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ২১ লক্ষাধিক মৃত
ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির
পাশাপাশি ভোটদানে বিমুখ এবং তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রায় ৪৫ লাখ ভোটারকে তালিকায়
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সিইসি আরও
উল্লেখ করেন, নারী ভোটারদের যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্তির অভাবে পূর্বে পুরুষ ভোটারের
সঙ্গে নারী ভোটারের ব্যবধান প্রায় ২৯ লাখে দাঁড়িয়েছিল। বাদ পড়া নারী ভোটারদের
মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সেই ব্যবধান উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব
হয়েছে। এছাড়া, আইন সংশোধন করে ভোটার হওয়ার যোগ্যতার তারিখ প্রতিবছর ১
জানুয়ারির পরিবর্তে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে
চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যোগ্য তরুণ ভোটাররা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সিইসি
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত সর্বশেষ তারিখ অনুযায়ী বর্তমানে
দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে
পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৬
কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৯৪২ জন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন