রাষ্ট্রপতি
মো.
সাহাবুদ্দিনের
ভাষণ
বর্জন
করে
সংসদ
কক্ষ
থেকে
বেরিয়ে
গেলেও
সেই
ভাষণের
ওপর
৫০
ঘণ্টা
আলোচনার
দাবি
জানিয়েছে
বিরোধী
দল।
আজ রবিবার
সংসদ
অধিবেশনে
অনির্ধারিত
আলোচনায়
অংশ
নিয়ে
বিরোধী
দলীয়
নেতার
বক্তব্যের
জবাবে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন
আহমেদ
এ
তথ্য
জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন,
‘রাষ্ট্রপতি
সংবিধানের
৭৩
অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী
ভাষণ
দিয়েছেন।
আমাদের
বিরোধী
দলীয়
বন্ধুরা
সেই
ভাষণ
শুনতে
চাননি,
তারা
চলে
গিয়েছেন। ভালো
কথা,
কিন্তু
সেই
ভাষণের
ওপর
আলোচনার
জন্য
তারা
৫০
ঘণ্টা
সময়
বরাদ্দ
করার
প্রস্তাব
করেছেন।
যদি
রাষ্ট্রপতির
ভাষণের
ওপর
৫০
ঘণ্টা
আলোচনা
হয়,
তবে
সংখ্যানুপাতে
আমরা
সময়
বরাদ্দ
করব,
একে
আমরা
এপ্রিশিয়েট
করি।‘
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই।‘
তিনি
আরও বলেন,
‘রাষ্ট্র
ইমোশন
দিয়ে
চলে
না,
চলে
সংবিধান
ও
আইন
দিয়ে।
জনরায়কে
অবশ্যই
সম্মান
দিতে
হবে,
তবে
তা
হতে
হবে
সাংবিধানিক
উপায়ে।‘
সালাহউদ্দিন
আহমেদ
উল্লেখ
করেন,
বর্তমান
অধিবেশনে
১৩৩টি
অধ্যাদেশ
নিষ্পত্তির
বাধ্যবাধকতা
থাকায়
এই
মুহূর্তে
সংবিধান
সংশোধনী
বিল
আনা
কঠিন।
তবে
আগামী
বাজেট
অধিবেশনে
কার্য
উপদেষ্টা
কমিটির
সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী
সংবিধান
সংশোধনের
জন্য
কমিটি
গঠন
এবং
বিল
উত্থাপন
করা
যেতে
পারে।
তিনি
বলেন,
জুলাই
জাতীয়
সনদ
একটি
ঐতিহাসিক
রাজনৈতিক
সমঝোতার
দলিল।
আমরা
এর
প্রতিটি
শব্দের
প্রতি
দায়বদ্ধ।
কিন্তু
কোনো
অবৈধ
আদেশের
মাধ্যমে
সংবিধান
সংশোধন
করা
যায়
কি
না,
তা
একটি
বড়
সাংবিধানিক
প্রশ্ন।
আসুন
আমরা
কার্য
উপদেষ্টা
কমিটিতে
বসে
আলোচনার
মাধ্যমে
বিল
উত্থাপনের
বিষয়ে
সিদ্ধান্ত
নিই।
সংবিধান
মেনে
এবং
আইনি
প্রক্রিয়া
অনুসরণ
করে
রাষ্ট্রকে
এগিয়ে
নিয়ে
যাওয়ার
আহ্বান
জানান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : রাষ্ট্রপতি আলোচনা ভাষণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.png)
রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্রপতি
মো.
সাহাবুদ্দিনের
ভাষণ
বর্জন
করে
সংসদ
কক্ষ
থেকে
বেরিয়ে
গেলেও
সেই
ভাষণের
ওপর
৫০
ঘণ্টা
আলোচনার
দাবি
জানিয়েছে
বিরোধী
দল।
আজ রবিবার
সংসদ
অধিবেশনে
অনির্ধারিত
আলোচনায়
অংশ
নিয়ে
বিরোধী
দলীয়
নেতার
বক্তব্যের
জবাবে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন
আহমেদ
এ
তথ্য
জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন,
‘রাষ্ট্রপতি
সংবিধানের
৭৩
অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী
ভাষণ
দিয়েছেন।
আমাদের
বিরোধী
দলীয়
বন্ধুরা
সেই
ভাষণ
শুনতে
চাননি,
তারা
চলে
গিয়েছেন। ভালো
কথা,
কিন্তু
সেই
ভাষণের
ওপর
আলোচনার
জন্য
তারা
৫০
ঘণ্টা
সময়
বরাদ্দ
করার
প্রস্তাব
করেছেন।
যদি
রাষ্ট্রপতির
ভাষণের
ওপর
৫০
ঘণ্টা
আলোচনা
হয়,
তবে
সংখ্যানুপাতে
আমরা
সময়
বরাদ্দ
করব,
একে
আমরা
এপ্রিশিয়েট
করি।‘
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই।‘
তিনি
আরও বলেন,
‘রাষ্ট্র
ইমোশন
দিয়ে
চলে
না,
চলে
সংবিধান
ও
আইন
দিয়ে।
জনরায়কে
অবশ্যই
সম্মান
দিতে
হবে,
তবে
তা
হতে
হবে
সাংবিধানিক
উপায়ে।‘
সালাহউদ্দিন
আহমেদ
উল্লেখ
করেন,
বর্তমান
অধিবেশনে
১৩৩টি
অধ্যাদেশ
নিষ্পত্তির
বাধ্যবাধকতা
থাকায়
এই
মুহূর্তে
সংবিধান
সংশোধনী
বিল
আনা
কঠিন।
তবে
আগামী
বাজেট
অধিবেশনে
কার্য
উপদেষ্টা
কমিটির
সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী
সংবিধান
সংশোধনের
জন্য
কমিটি
গঠন
এবং
বিল
উত্থাপন
করা
যেতে
পারে।
তিনি
বলেন,
জুলাই
জাতীয়
সনদ
একটি
ঐতিহাসিক
রাজনৈতিক
সমঝোতার
দলিল।
আমরা
এর
প্রতিটি
শব্দের
প্রতি
দায়বদ্ধ।
কিন্তু
কোনো
অবৈধ
আদেশের
মাধ্যমে
সংবিধান
সংশোধন
করা
যায়
কি
না,
তা
একটি
বড়
সাংবিধানিক
প্রশ্ন।
আসুন
আমরা
কার্য
উপদেষ্টা
কমিটিতে
বসে
আলোচনার
মাধ্যমে
বিল
উত্থাপনের
বিষয়ে
সিদ্ধান্ত
নিই।
সংবিধান
মেনে
এবং
আইনি
প্রক্রিয়া
অনুসরণ
করে
রাষ্ট্রকে
এগিয়ে
নিয়ে
যাওয়ার
আহ্বান
জানান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন