ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের



আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে এবার চাষিরা আলু চাষ কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু তানোরেই এক হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গতকাল উপজেলার চোরখৈর গ্রামে একজন চাষি আলুখেতে সেচ দিচ্ছেনছবি: প্রথম আলো

মৌসুমে আলুর দাম এতটাই কম ছিল যে অনেক চাষির উৎপাদন খরচ উঠছিল না। তাই লোকসান এড়ানোর আশায় অনেক চাষি আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু পরে সরকার হিমাগার পর্যায়ে আলুর কেজি ২২ টাকা ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করেও বিপাকে পড়ছেন চাষিরা। হিমাগারভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে তাঁদের এখন ঘর থেকে টাকা এনে দিতে হচ্ছে।

এদিকে গত মৌসুমের আলু বিক্রিতে লোকসানের কারণে এবার রাজশাহীতে প্রায় ৪ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে এই জেলায় যেখানে ৩৮ হাজার ৫৭১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল, সেখানে এবার তা কমে ৩৪ হাজার ২৮০ হেক্টরে নেমেছে। জেলার সবচেয়ে বেশি ও ভালো জাতের আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। সেখানকার চাষিরাও এবার আলু চাষ কমিয়েছেন। গত বছর তানোরে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও এবার হয়েছে ১২ হাজার ২৬৫ হেক্টরে ।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে আলু নিয়ে শুধু হতাশার গল্পই শোনা গেল। তানোর উপজেলার চোরখৈর গ্রামের চাষি মো. মইদুল ইসলাম জানান, তিনি হিমাগারে ১২১ বস্তা আলু রেখেছিলেন। সেই আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ঘর থেকে ১৬ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হয়েছে।

(পর্ব-- ১)

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : কৃষক বিক্রি আলু হিমাগারের ভাড়া

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে এবার চাষিরা আলু চাষ কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু তানোরেই এক হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গতকাল উপজেলার চোরখৈর গ্রামে একজন চাষি আলুখেতে সেচ দিচ্ছেনছবি: প্রথম আলো

মৌসুমে আলুর দাম এতটাই কম ছিল যে অনেক চাষির উৎপাদন খরচ উঠছিল না। তাই লোকসান এড়ানোর আশায় অনেক চাষি আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু পরে সরকার হিমাগার পর্যায়ে আলুর কেজি ২২ টাকা ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করেও বিপাকে পড়ছেন চাষিরা। হিমাগারভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে তাঁদের এখন ঘর থেকে টাকা এনে দিতে হচ্ছে।

এদিকে গত মৌসুমের আলু বিক্রিতে লোকসানের কারণে এবার রাজশাহীতে প্রায় ৪ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে এই জেলায় যেখানে ৩৮ হাজার ৫৭১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল, সেখানে এবার তা কমে ৩৪ হাজার ২৮০ হেক্টরে নেমেছে। জেলার সবচেয়ে বেশি ও ভালো জাতের আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। সেখানকার চাষিরাও এবার আলু চাষ কমিয়েছেন। গত বছর তানোরে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও এবার হয়েছে ১২ হাজার ২৬৫ হেক্টরে ।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে আলু নিয়ে শুধু হতাশার গল্পই শোনা গেল। তানোর উপজেলার চোরখৈর গ্রামের চাষি মো. মইদুল ইসলাম জানান, তিনি হিমাগারে ১২১ বস্তা আলু রেখেছিলেন। সেই আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ঘর থেকে ১৬ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হয়েছে।

(পর্ব-- ১)

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত