ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় বন্ধ হলো মাদরাসার পাঠদান কার্যক্রম

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের ধুরাইল জাফরুল উলুম আলিম মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ৩ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে মাদরাসাটি।বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।’প্রতিষ্ঠানটিতে ৬০০ শিক্ষার্থী থাকলেও বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটি গেলে দেখা মিলে কয়েকজন শিক্ষার্থীর। এ সময় জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের সহপাঠীকে মারধর করা হয়েছে। এরকম ঘটনা আরো কয়েকবার ঘটেছে, কোনো বিচার মেলেনি। আমরা বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন করেছি।স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, ধুরাইল জাফরুল উলুম আলিম মাদরাসার প্রধান ফটকের সামনে গত মঙ্গলবার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইমাম আজমকে গতিরোধ করে মারধর করেন বহিরাগত চাদশ্রী আশ্রাম পাড়া এলাকার হুমায়ুনের ছেলে শান্ত। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে রয়েছেন।৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমাম আজম বলেন, ‘আমি নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। এ সময় দুজন এসে আমাকে নাম জিজ্ঞেস করে। এরপর আমার বিচার আছে বলে জানায়। এর পরই দুজন এসে আমাকে মারধর করে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’এ বিষয়ে অভিযুক্ত তরুণের চাচা বদরুল আহসান বলেন, ‘আমি শুনেছি আমার ভাতিজা ওই শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় মারে। শোনার পর এই ঘটনাটি শিক্ষকরা সমাধান করতে পারতেন। এক শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়েছে ক্লাস না করার জন্য। আমরা আজ বসব সমাধানের ব্যাপারে।’অন্যদিকে, ক্লাস বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাহিরের শান্ত নামের এক তরুণ আমার শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে ঘটনার পর মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়নি, কিছুটা বিশৃঙ্খল বা অগোছালো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল মাত্র। আজ বিষয়টি সমাধানের জন্য বসার কথা রয়েছে।’এদিকে তিনদিন ধরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিষয়টি তিনি জানেন না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। আজ দুই পরিবারকে নিয়ে সমাধানের বসার কথা জানিয়েছে অধ্যক্ষ।’   এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় বন্ধ হলো মাদরাসার পাঠদান কার্যক্রম