সামরিক বাহিনী এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জবা ও মাহরুনা গ্রামের কয়েকটি ভবনের মানচিত্র শেয়ার করে বাসিন্দাদের সতর্ক করে জানায়, ওই এলাকায় অবস্থান করা ‘আপনাদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে’।ইসরায়েলি বাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র অভিখাই আদ্রাই বলেন, ‘হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠন দক্ষিণ লেবাননে পুনরায় তাদের কার্যক্রম গড়ে তোলার যে নিষিদ্ধ চেষ্টা চালাচ্ছে, তার জবাবে (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) শিগগিরই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা চালাবে।’সাথে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত ভবনের নিকটে অবস্থান করছেন। আপনাদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অবিলম্বে ওই স্থান ত্যাগ করতে হবে।এই সতর্কতা এমন এক সময় এলো, যখন এক বছরের পুরোনো যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার আওতায় ইসরায়েল ও লেবানন একদিন আগে কয়েক দশকের মধ্যে তাদের প্রথম সরাসরি বৈঠক করেছে। বৈঠকে লেবাননের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত মর্গান অরটাগাসও উপস্থিত ছিলেন।ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর বৈঠকের পরিবেশকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে বর্ণনা করলেও একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছে, অর্থনৈতিক সহযোগিতায় কোনো অগ্রগতি হোক বা না হোক, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা ‘অত্যাবশ্যক’। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে যে লড়াই চলছিল, তা বন্ধ করতে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে লেবানন ও ইসরায়েল একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।তবে যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল বারবার লেবাননে বোমাবর্ষণ চালিয়েছে, সাধারণত এই বলে যে তারা হিজবুল্লাহর সদস্য ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যাতে সংগঠনটি পুনরায় অস্ত্রসজ্জা করতে না পারে।“যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী দক্ষিণ লেবানন থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহারের কথা থাকলেও ইসরায়েল সেখানে পাঁচটি এলাকায় এখনো সেনা মোতায়েন করে রেখেছে।“ এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ