ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

২২টি হাত আমরা একত্রিত হয়েছি: জামায়াত আমির



২২টি হাত আমরা একত্রিত হয়েছি: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে ১১টি দলের ২২টি হাত আমরা একত্রিত হয়েছি। তার মানে দেশের আপামর জনগণ একত্রিত হয়েছে। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য- তুমি দুর্নীবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি চাঁদাবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি দখলবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি আবালবৃদ্ধবনিতাকে সম্মান করো না তোমাকে লাল কার্ড, দেশের ফ্যাসিজমকে চিরতরে লাল কার্ড। 

আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে চুয়াডাঙ্গা টাউন মাঠে ১১ দলের সমর্থনে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

শফিকুর রহমান বলেন, দিশেহারা কেউ কেউ জনগণের ভোটে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয়ে অনেক জায়গায় আমার ১১ দলের পক্ষে যেসব মা-বোনেরা ক্যাম্পেইনে যাচ্ছেন, তাদের সঙ্গে অমানবিক অভদ্র আচরণ করছে। আমরা তাদের বলি নতুন করে সুড়সুড়ি দিয়ো না। আমাদের পরীক্ষা করার কিছুই নেই। দলটি এমন, তার কর্মীরা এমন, তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা এমন, তাদের যারা ভালোবাসে তারা এমন তারা হিমালয় পর্বতের কাছেও মাথা নত করে না। তারা শুধু মাথা নত করে আল্লাহর দরবারে। সুতরাং আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়ো না। 

তিনি বলেন, মনে রাখবা আমাদের জীবনের চেয়ে আমাদের মা-বোনদের ইজ্জতের দাম অনেক বেশি। সুতরাং বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা। কাউকে আমরা ছেড়ে কথা বলব না। যুক্তি নিয়ে এসো, কর্মসূচি নিয়ে এসো। ভদ্রভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি মাঠে তুমি তোমার মতো করে খেলো। কিন্তু যদি ফ্যাসিবাদী চেহারা নিয়ে কেউ আমাদের সামনে আসে, চব্বিশের ফ্যাসিবাদকে দেশের সম্মিলিত জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ যেভাবে লাল কার্ড দেখিয়েছে, ১২ তারিখে সেই লাল কার্ড দেখিয়ে দেওয়া হবে। 

জামায়াত আমির বলেন, আজকের যুব সমাজ আর বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছর যে রাজনীতি বাংলাদেশকে অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কোনো কোনো রাষ্ট্রের তাবেদারে পরিণত করেছে। আমাদের যুব সমাজ চিৎকার দিয়ে বলেছে, আমরা আর ওই বাংলাদেশ দেখতে চাই না। 

তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, টেন্ডারবাজ, মামলাবাজ এই চুয়াডাঙ্গাকে গিলে খাক তা আপনারা কি চান? তা যদি না হয় চব্বিশের আগস্ট যেমন একটা বিপ্লব হয়েছিল ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে আরেকটা বিপ্লব ঘটাতে হবে। চব্বিশের বিপ্লব ছিল বুলেটের বিরুদ্ধে। এবারের বিপ্লব হবে ব্যালটের মাধ্যমে দেশে ন্যায় এবং ইনসাফ কায়েম করার জন্য, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য, আধিপত্যবাদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য। চাঁদাবাজি এবং হয়রানিমূলক রাজনৈতিক এবং পুরোনো বস্তাপচা ব্যবস্থাকে তছনছ করে দেওয়ার জন্য। 

আজকের এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির চুয়াডাঙ্গা- আসনের অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন। বক্তব্য শেষে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা- আসনের জামায়াত মনোনীত প্রাথী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা- আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং উপস্থিত সবার প্রতি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : ডা. শফিকুর রহমান জামায়াত ইসলামী

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


২২টি হাত আমরা একত্রিত হয়েছি: জামায়াত আমির

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে ১১টি দলের ২২টি হাত আমরা একত্রিত হয়েছি। তার মানে দেশের আপামর জনগণ একত্রিত হয়েছে। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য- তুমি দুর্নীবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি চাঁদাবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি দখলবাজ তোমাকে লাল কার্ড, তুমি আবালবৃদ্ধবনিতাকে সম্মান করো না তোমাকে লাল কার্ড, দেশের ফ্যাসিজমকে চিরতরে লাল কার্ড। 

আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে চুয়াডাঙ্গা টাউন মাঠে ১১ দলের সমর্থনে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

শফিকুর রহমান বলেন, দিশেহারা কেউ কেউ জনগণের ভোটে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয়ে অনেক জায়গায় আমার ১১ দলের পক্ষে যেসব মা-বোনেরা ক্যাম্পেইনে যাচ্ছেন, তাদের সঙ্গে অমানবিক অভদ্র আচরণ করছে। আমরা তাদের বলি নতুন করে সুড়সুড়ি দিয়ো না। আমাদের পরীক্ষা করার কিছুই নেই। দলটি এমন, তার কর্মীরা এমন, তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা এমন, তাদের যারা ভালোবাসে তারা এমন তারা হিমালয় পর্বতের কাছেও মাথা নত করে না। তারা শুধু মাথা নত করে আল্লাহর দরবারে। সুতরাং আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়ো না। 

তিনি বলেন, মনে রাখবা আমাদের জীবনের চেয়ে আমাদের মা-বোনদের ইজ্জতের দাম অনেক বেশি। সুতরাং বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা। কাউকে আমরা ছেড়ে কথা বলব না। যুক্তি নিয়ে এসো, কর্মসূচি নিয়ে এসো। ভদ্রভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি মাঠে তুমি তোমার মতো করে খেলো। কিন্তু যদি ফ্যাসিবাদী চেহারা নিয়ে কেউ আমাদের সামনে আসে, চব্বিশের ফ্যাসিবাদকে দেশের সম্মিলিত জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ যেভাবে লাল কার্ড দেখিয়েছে, ১২ তারিখে সেই লাল কার্ড দেখিয়ে দেওয়া হবে। 

জামায়াত আমির বলেন, আজকের যুব সমাজ আর বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছর যে রাজনীতি বাংলাদেশকে অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কোনো কোনো রাষ্ট্রের তাবেদারে পরিণত করেছে। আমাদের যুব সমাজ চিৎকার দিয়ে বলেছে, আমরা আর ওই বাংলাদেশ দেখতে চাই না। 

তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, টেন্ডারবাজ, মামলাবাজ এই চুয়াডাঙ্গাকে গিলে খাক তা আপনারা কি চান? তা যদি না হয় চব্বিশের আগস্ট যেমন একটা বিপ্লব হয়েছিল ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে আরেকটা বিপ্লব ঘটাতে হবে। চব্বিশের বিপ্লব ছিল বুলেটের বিরুদ্ধে। এবারের বিপ্লব হবে ব্যালটের মাধ্যমে দেশে ন্যায় এবং ইনসাফ কায়েম করার জন্য, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য, আধিপত্যবাদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য। চাঁদাবাজি এবং হয়রানিমূলক রাজনৈতিক এবং পুরোনো বস্তাপচা ব্যবস্থাকে তছনছ করে দেওয়ার জন্য। 

আজকের এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির চুয়াডাঙ্গা- আসনের অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন। বক্তব্য শেষে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা- আসনের জামায়াত মনোনীত প্রাথী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা- আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং উপস্থিত সবার প্রতি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত