ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শান্তিগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন



শান্তিগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
ছবি: নাইম তালুকদার

শান্তিগঞ্জের সুরমা নদীর ভাংগন কবলিত ঠাকুরভোগ গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছে গ্রামবাসী।

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর)  বিকেল ১ টায় শান্তিগঞ্জ  উপজেলার  ঠাকুরভোগ গ্রামের নদী ভাংগন কবলিত  নদীর তীরবর্তী ঠাকুরভোগ  গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ, শিশু কিশোর এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলেমদ্বীন মাওলানা আব্দুল্লাহ, যুব জমিয়তের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আকমল হুছাইন, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্র জমিয়ত নেতা মাওলানা জাহাঙ্গীর খান,

 জুবেল মিয়া, ফিরুজ মিয়া, গণমাধ্যম কর্মী নাইম তালুকদার, জিল্লু মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কলনী নদীর ভাংগনে ঠাকুরভোগ  গ্রামের দুই তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। বাড়িঘর, ফসলী জমি হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব। ভাঙ্গনের মুখে গৃহহীন, হতদরিদ্র ছিন্নমূল অবস্থায় বসবাস করছেন। এই নদী ভাংগনের কবলে গ্রামের তৃতীয়াংশ পরিবার। প্রতিনিয়ত এই ভাংগন দেখে শংকিত এলাকাবাসী,।  এ অবস্থায় ফের ভাংগন দেখা দেয়ায় মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারাতে বসেছে। তাই ভাংগন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 

বিষয় : সারাদেশ সুরমা নদী এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


শান্তিগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

শান্তিগঞ্জের সুরমা নদীর ভাংগন কবলিত ঠাকুরভোগ গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছে গ্রামবাসী।

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর)  বিকেল ১ টায় শান্তিগঞ্জ  উপজেলার  ঠাকুরভোগ গ্রামের নদী ভাংগন কবলিত  নদীর তীরবর্তী ঠাকুরভোগ  গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ, শিশু কিশোর এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলেমদ্বীন মাওলানা আব্দুল্লাহ, যুব জমিয়তের সভাপতি হাফিজ মাওলানা আকমল হুছাইন, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্র জমিয়ত নেতা মাওলানা জাহাঙ্গীর খান,

 জুবেল মিয়া, ফিরুজ মিয়া, গণমাধ্যম কর্মী নাইম তালুকদার, জিল্লু মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কলনী নদীর ভাংগনে ঠাকুরভোগ  গ্রামের দুই তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। বাড়িঘর, ফসলী জমি হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব। ভাঙ্গনের মুখে গৃহহীন, হতদরিদ্র ছিন্নমূল অবস্থায় বসবাস করছেন। এই নদী ভাংগনের কবলে গ্রামের তৃতীয়াংশ পরিবার। প্রতিনিয়ত এই ভাংগন দেখে শংকিত এলাকাবাসী,।  এ অবস্থায় ফের ভাংগন দেখা দেয়ায় মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারাতে বসেছে। তাই ভাংগন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত