“যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, তাদের সবাইকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, নিজে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্বও দিয়েছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি আবার নিজের দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন। তাঁর মধ্যে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। তিনি রাষ্ট্রকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মুক্ত করে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং খাদ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করেছেন।”
শনিবার (২০ জুন ২০২৬) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবারের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত “জীবন, কর্ম ও আদর্শ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়ার অবর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করেছেন। বিএনপিকে কেউ ফ্যাসিস্ট বলতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। ‘করব কাজ, গড়ব দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে কাজ করতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, বর্তমান উপাচার্যের সঙ্গে কাজ করে যাব।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের ১২ তলায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাভাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী রাষ্ট্রনায়ক ও দূরদর্শী নেতা। তাঁর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। শিক্ষা, গবেষণা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে দেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বিএনপি সদর উপজেলার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সিপিএস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মো. শাহ আলম মিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাভাবিপ্রবির আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ এবং প্রকৌশল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদাৎ-আল-হারুন।
আলোচনা সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অতিথিবৃন্দ আলোচনা সভার আগে মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও বৃক্ষরোপন করেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মাভাবিপ্রবি ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা।
.png)
রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
“যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, তাদের সবাইকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, নিজে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্বও দিয়েছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি আবার নিজের দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন। তাঁর মধ্যে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। তিনি রাষ্ট্রকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মুক্ত করে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং খাদ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করেছেন।”
শনিবার (২০ জুন ২০২৬) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবারের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত “জীবন, কর্ম ও আদর্শ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়ার অবর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করেছেন। বিএনপিকে কেউ ফ্যাসিস্ট বলতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। ‘করব কাজ, গড়ব দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে কাজ করতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, বর্তমান উপাচার্যের সঙ্গে কাজ করে যাব।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের ১২ তলায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাভাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী রাষ্ট্রনায়ক ও দূরদর্শী নেতা। তাঁর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। শিক্ষা, গবেষণা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে দেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বিএনপি সদর উপজেলার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সিপিএস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মো. শাহ আলম মিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাভাবিপ্রবির আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ এবং প্রকৌশল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদাৎ-আল-হারুন।
আলোচনা সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অতিথিবৃন্দ আলোচনা সভার আগে মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও বৃক্ষরোপন করেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মাভাবিপ্রবি ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন