ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে প্রথমবারের মতো 'আরএম-৪৮ইউ' (RM-48U) নামক টার্গেট মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে পরিচালিত এই অভিযানে ৩৪টি মিসাইল এবং ৩৩৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য তৈরি এই মিসাইলটিকে এখন যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে ব্যবহার করছে ক্রেমলিন।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া তাদের পুরনো এস-৩০০ ও এস-৪০০ সিস্টেমের ইন্টারসেপ্টরগুলোকে এই নতুন টার্গেট মিসাইলে রূপান্তর করেছে। গত ডিসেম্বরে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল, রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪০০টিরও বেশি এমন মিসাইল মজুদ রয়েছে। কম খরচে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখাই এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য। গত রাতের হামলায় রাশিয়ার শক্তিশালী 'সিরকন' মিসাইল এবং বিপুল সংখ্যক ইরানি 'শাহেদ' ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই নতুন মোড় এবং আধুনিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ চেইন এবং জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। প্রধান উপদেষ্টা এই সংকট মোকাবিলায় নিয়মিত বিশ্বনেতাদের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : আন্তর্জাতিক রাশিয়া
.png)
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে প্রথমবারের মতো 'আরএম-৪৮ইউ' (RM-48U) নামক টার্গেট মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে পরিচালিত এই অভিযানে ৩৪টি মিসাইল এবং ৩৩৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য তৈরি এই মিসাইলটিকে এখন যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে ব্যবহার করছে ক্রেমলিন।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া তাদের পুরনো এস-৩০০ ও এস-৪০০ সিস্টেমের ইন্টারসেপ্টরগুলোকে এই নতুন টার্গেট মিসাইলে রূপান্তর করেছে। গত ডিসেম্বরে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল, রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪০০টিরও বেশি এমন মিসাইল মজুদ রয়েছে। কম খরচে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখাই এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য। গত রাতের হামলায় রাশিয়ার শক্তিশালী 'সিরকন' মিসাইল এবং বিপুল সংখ্যক ইরানি 'শাহেদ' ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই নতুন মোড় এবং আধুনিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ চেইন এবং জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। প্রধান উপদেষ্টা এই সংকট মোকাবিলায় নিয়মিত বিশ্বনেতাদের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন