ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

জনসমাজে প্রতিক্রিয়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ



চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ
ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চর বাগডাঙ্গা এলাকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৩ ব্যাটালিয়ন বিজিবি'র অভিযানে ভারতীয় নেশা জাতীয় ৯৪বোতল এস্কাপ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে। ২৯ জুলাই ২০২৬ বিজিবি’র ৫৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চরবাগডাঙ্গা বিওপি'র একটি বিশেষ টহলদল রাত ১'০০ টার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চাচ্চুরচর গ্রাম হতে ৯৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করতে সক্ষম হন। জব্দকৃত এস্কাফ সিরাপের বাজার মূল্য ৩৭,৬০০'০০ টাকা। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় জমা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি জুলাই মাসে ৫৩ বিজিবি কর্তৃক বিভিন্ন অভিযানে ১ জন আসামীসহ ৬৯৯ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল নেশাজাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পুশ ইন প্রতিরোধ, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধসহ যে কোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ দিকে মাদক নিয়ে জনসমাজে বিভিন্ন সমালোচনা লক্ষ্য করা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, বিরামহীন ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে চলেছেন বিজিবি, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা গুলো। আবার অনেকে বলছেন, এ যুদ্ধ "ভারতীয় মাদক সন্ত্রাস"-এর বিরুদ্ধে! এর শেষ পরিণতি কি?! দেশের যুব সমাজ থেকে শুরু করে আরও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। নেশাগ্রস্ত হয়ে যুব সমাজ যেমন ধ্বংস হচ্ছে, অনেক পরিবারে ঝগড়া-বিবাদ, নারী নির্যাতন ও সংসার বিচ্ছেদ ঘটছে! আদালতে মামলা জট তৈরি হচ্ছে! সচেতন মহল বলছেন, এ অবস্থা থেকে টেকসই পরিত্রাণের উপায় খুঁজতে হবে। তাঁদের মতে, ভারত চোরাই পথে খাদ্যপণ্য বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাংলাদেশকে দিচ্ছে না। ভারতের রাষ্ট্রীয় পলিশির অংশ হিসেবে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী  বাহিনী বিএসএফ মাদক চোরাচালানীদের সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমের মাদক দ্রব্য অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। সচেতন মহল বলছেন, "ভারতীয় মাদক সন্ত্রাস" বন্ধে রাষ্ট্রীয় ভাবে বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক ও সমঝোতা-চূক্তি হওয়া প্রয়োজন। নচেৎ আমাদের সমাজ কাঠামো ধ্বংস হচ্ছে, আইন-শৃংখলা ও নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা গুলোকে নাজেহাল ও ব্যতিব্যস্ত হতে হচ্ছে; এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমাজের চিন্তাশীল মানুষ মাদক সন্ত্রাস বন্ধে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : চাঁপাইনবাবগঞ্জ নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চর বাগডাঙ্গা এলাকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৩ ব্যাটালিয়ন বিজিবি'র অভিযানে ভারতীয় নেশা জাতীয় ৯৪বোতল এস্কাপ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে। ২৯ জুলাই ২০২৬ বিজিবি’র ৫৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চরবাগডাঙ্গা বিওপি'র একটি বিশেষ টহলদল রাত ১'০০ টার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চাচ্চুরচর গ্রাম হতে ৯৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করতে সক্ষম হন। জব্দকৃত এস্কাফ সিরাপের বাজার মূল্য ৩৭,৬০০'০০ টাকা। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় জমা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি জুলাই মাসে ৫৩ বিজিবি কর্তৃক বিভিন্ন অভিযানে ১ জন আসামীসহ ৬৯৯ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল নেশাজাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পুশ ইন প্রতিরোধ, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধসহ যে কোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ দিকে মাদক নিয়ে জনসমাজে বিভিন্ন সমালোচনা লক্ষ্য করা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, বিরামহীন ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে চলেছেন বিজিবি, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা গুলো। আবার অনেকে বলছেন, এ যুদ্ধ "ভারতীয় মাদক সন্ত্রাস"-এর বিরুদ্ধে! এর শেষ পরিণতি কি?! দেশের যুব সমাজ থেকে শুরু করে আরও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। নেশাগ্রস্ত হয়ে যুব সমাজ যেমন ধ্বংস হচ্ছে, অনেক পরিবারে ঝগড়া-বিবাদ, নারী নির্যাতন ও সংসার বিচ্ছেদ ঘটছে! আদালতে মামলা জট তৈরি হচ্ছে! সচেতন মহল বলছেন, এ অবস্থা থেকে টেকসই পরিত্রাণের উপায় খুঁজতে হবে। তাঁদের মতে, ভারত চোরাই পথে খাদ্যপণ্য বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাংলাদেশকে দিচ্ছে না। ভারতের রাষ্ট্রীয় পলিশির অংশ হিসেবে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী  বাহিনী বিএসএফ মাদক চোরাচালানীদের সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমের মাদক দ্রব্য অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। সচেতন মহল বলছেন, "ভারতীয় মাদক সন্ত্রাস" বন্ধে রাষ্ট্রীয় ভাবে বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক ও সমঝোতা-চূক্তি হওয়া প্রয়োজন। নচেৎ আমাদের সমাজ কাঠামো ধ্বংস হচ্ছে, আইন-শৃংখলা ও নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা গুলোকে নাজেহাল ও ব্যতিব্যস্ত হতে হচ্ছে; এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমাজের চিন্তাশীল মানুষ মাদক সন্ত্রাস বন্ধে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত