ঘুস লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের
(দুদক)
হাতে আটক যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) আশরাফুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এম এম মোর্শেদ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। এরই সাথে জব্দকৃত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে,
যশোর সদর উপজেলার এক সহকারী শিক্ষকের প্রয়াত স্ত্রীর পেনশনের ফাইল অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন আশরাফুল আলম। বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে ওই টাকা গ্রহণের সময় দুদক যশোরের একটি দল হাতেনাতে তাকে আটক করে। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে এই আটকের ঘটনাকে ‘সাজানো নাটক’
বলে দাবি করেছেন স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষকেরা। আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ করে তারা দাবি করেন,
কর্মকর্তা শৌচাগারে থাকাকালীন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার টেবিলে টাকা রেখে যাওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতেও দুদক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
দুদকের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানান,
আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করলেও অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ঘুষসহ আটক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম
.png)
রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ঘুস লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের
(দুদক)
হাতে আটক যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) আশরাফুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এম এম মোর্শেদ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। এরই সাথে জব্দকৃত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে,
যশোর সদর উপজেলার এক সহকারী শিক্ষকের প্রয়াত স্ত্রীর পেনশনের ফাইল অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন আশরাফুল আলম। বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে ওই টাকা গ্রহণের সময় দুদক যশোরের একটি দল হাতেনাতে তাকে আটক করে। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে এই আটকের ঘটনাকে ‘সাজানো নাটক’
বলে দাবি করেছেন স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষকেরা। আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ করে তারা দাবি করেন,
কর্মকর্তা শৌচাগারে থাকাকালীন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার টেবিলে টাকা রেখে যাওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতেও দুদক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
দুদকের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানান,
আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করলেও অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন