আসন্ন গণভোটে অংশ নিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।’
এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষের সম্মতি প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে অংশ নিন, সনদে আপনার সম্মতি দিন।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘গণভোটে আপনি হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষন আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ। গণভোটে হ্যাঁ ভোট মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে।’
‘এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সংসদ নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।’
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠির ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।’
আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশা মতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। “হ্যাঁ”তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন গণভোটে অংশ নিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।’
এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষের সম্মতি প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে অংশ নিন, সনদে আপনার সম্মতি দিন।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘গণভোটে আপনি হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষন আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ। গণভোটে হ্যাঁ ভোট মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে।’
‘এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সংসদ নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।’
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠির ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।’
আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশা মতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। “হ্যাঁ”তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন