আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মন্তব্য করেছেন গত ১০০ বছরে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্রের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মতো কেউ সংগ্রাম করেননি।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভায় এই কথা বলেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান বলেন,
‘গত ১০০ বছরে ৫ জন এমন নেতা এসেছেন,
যারা জনপ্রিয়তার শীর্ষ উঠেছিলেন। তারা হলেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক,
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,
শেখ মুজিবুর রহমান,
জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ভাসানী কখনো ক্ষমতায় আসেননি। এদের মধ্যে ফজলুল হক ও শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতন আছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া একমাত্র নেতা-নেত্রী,
যারা সারাজীবন জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন।‘
তিনি বলেন,
“একই বাড়ি থেকে স্বামী ও স্ত্রী পুরো জাতির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা-নেত্রী ছিলেন এমনটা ইতিহাসে দেখা যায় না। তারা রাজনীতিতে যেমন জনপ্রিয় ছিলেন এবং সেই জনপ্রিয়তা নিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমানের সততা ছিল,
সাহসিকতা, দেশপ্রেম অতুলনীয়। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণা করেন তিনি। সে দিন তিনি স্বাধীনতার ডাক না দিলে দেশের ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। শহীদ জিয়ার জানাজাও ছিল ঐতিহাসিক। একই দৃশ্য খালেদা জিয়ার জানাজায়ও আমরা দেখলাম। জিয়াউর রহমান তো দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া মানুষের হৃদয়ে ছিলেন। এ জন্য তার জানাজায় মানুষ স্বতস্ফূর্ত কান্না করেছে। স্বামীর মতোই তার দেশপ্রেম ছিল। আরেটি হলো সংগ্রামী জীবন। গণতন্ত্রের জন্য ১০০ বছরে বেগম জিয়ার মতো সংগ্রাম কেউ করেননি। বেগম খালেদা জিয়া বলতেন,
‘ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির,
আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা। আমরা যেন সেই স্বাধীনতার পতাকা সারাজীবন ধরে রাখি।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : গণতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া সংগ্রাম
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মন্তব্য করেছেন গত ১০০ বছরে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্রের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মতো কেউ সংগ্রাম করেননি।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভায় এই কথা বলেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান বলেন,
‘গত ১০০ বছরে ৫ জন এমন নেতা এসেছেন,
যারা জনপ্রিয়তার শীর্ষ উঠেছিলেন। তারা হলেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক,
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,
শেখ মুজিবুর রহমান,
জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ভাসানী কখনো ক্ষমতায় আসেননি। এদের মধ্যে ফজলুল হক ও শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতন আছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া একমাত্র নেতা-নেত্রী,
যারা সারাজীবন জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন।‘
তিনি বলেন,
“একই বাড়ি থেকে স্বামী ও স্ত্রী পুরো জাতির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা-নেত্রী ছিলেন এমনটা ইতিহাসে দেখা যায় না। তারা রাজনীতিতে যেমন জনপ্রিয় ছিলেন এবং সেই জনপ্রিয়তা নিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমানের সততা ছিল,
সাহসিকতা, দেশপ্রেম অতুলনীয়। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণা করেন তিনি। সে দিন তিনি স্বাধীনতার ডাক না দিলে দেশের ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। শহীদ জিয়ার জানাজাও ছিল ঐতিহাসিক। একই দৃশ্য খালেদা জিয়ার জানাজায়ও আমরা দেখলাম। জিয়াউর রহমান তো দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া মানুষের হৃদয়ে ছিলেন। এ জন্য তার জানাজায় মানুষ স্বতস্ফূর্ত কান্না করেছে। স্বামীর মতোই তার দেশপ্রেম ছিল। আরেটি হলো সংগ্রামী জীবন। গণতন্ত্রের জন্য ১০০ বছরে বেগম জিয়ার মতো সংগ্রাম কেউ করেননি। বেগম খালেদা জিয়া বলতেন,
‘ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির,
আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা। আমরা যেন সেই স্বাধীনতার পতাকা সারাজীবন ধরে রাখি।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন