ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

৭নং জগদল ইউনিয়নে এমদাদুল হককে নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা



৭নং জগদল ইউনিয়নে এমদাদুল হককে নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা
ছবি: এমদাদুল হক

দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ইতালি প্রবাসী তরুণ রাজনীতিবিদ এমদাদুল হক (মোল্লা)। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও সামাজিক পরিসরে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ মনে করছেন, তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্ব সময়ের দাবি, আর সে জায়গা থেকেই তারা এমদাদুল হককে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এমদাদুল হক জগদল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তুখোড় নেতৃত্বের কারণে তিনি অল্প সময়েই এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন। জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি প্রথম সারির কর্মী হিসেবে কাজ করেন বলে সহকর্মীরা জানান। আন্দোলনের দিনগুলোতে তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ অনেককে উৎসাহিত করেছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।

বর্তমানে তিনি ইতালি উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের রাজনীতি, বিশেষ করে নিজ এলাকা দিরাই উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে কখনো দূরে সরে যাননি। ইতালিতে বসবাস করলেও নিয়মিতভাবে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থেকেছেন।

দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মরহুম আশিক মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক। পরিবারটি এলাকায় সামাজিকভাবে সুপরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মাদ্রাসা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন। শৈশব থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পরিবেশে বেড়ে ওঠায় মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সামাজিক মূল্যবোধ তার মধ্যে গড়ে ওঠে বলে ঘনিষ্ঠজনরা মনে করেন।

জীবিকার তাগিদে ২০১৮ সালে তিনি ইতালিতে পাড়ি জমান। প্রবাস জীবনের শুরুটা সহজ ছিল না। ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা ও নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তাকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। তবে প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিজ এলাকার রাজনীতি ও মানুষের খোঁজখবর রাখা বন্ধ করেননি।

পরবর্তীতে ইতালিতে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। সেখানে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে নানা ভয়ভীতি ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান। দীর্ঘ সময় দেশে ফিরতে না পারলেও প্রবাস থেকেই তিনি দিরাই উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের আন্দোলন এবং জুলাই বিপ্লবের সময় তার সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন, বিভিন্নভাবে প্রেরণা দিয়েছেন এবং আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। স্থানীয়দের মতে, প্রবাসে থেকেও নিজ এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকা তার দায়িত্ববোধের প্রমাণ।

এমদাদুল হককে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহের পেছনে আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে তার ‘ক্লিন ইমেজ’। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি বিতর্কমুক্ত ও সৎ ভাবমূর্তির অধিকারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, বর্তমান সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে জায়গা থেকে একজন তরুণ, শিক্ষিত ও প্রবাস-অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন।

ভাটির জনপদ দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও নানা উন্নয়ন বঞ্চনার কথাও প্রায়ই শোনা যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা—এসব খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের। এমদাদুল হক এসব বিষয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমদাদুল হক বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। কখনো আর্থিকভাবে, কখনো সরাসরি উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেছি। আমার চিন্তা-ভাবনার কেন্দ্রে সবসময় দিরাই উপজেলার মানুষ।”

তিনি আরও বলেন, “জগদল ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি একটি উন্নয়নমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো খাতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করবো। যুবসমাজকে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক সন্তানের জনক। পারিবারিক দায়িত্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে তিনি সচেষ্ট বলে ঘনিষ্ঠজনরা জানান। তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় সুনামগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান এমপি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ নাছির উদ্দীন চৌধুরীর হাত ধরে। রাজনৈতিক শিক্ষায় ও আদর্শিক চর্চায় সেই সময়কার দিকনির্দেশনা তার জীবনে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি নিজেও উল্লেখ করেছেন।

সব মিলিয়ে তরুণ নেতৃত্ব, প্রবাস-অভিজ্ঞতা, সংগঠনিক দক্ষতা এবং নিজ এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে এমদাদুল হককে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অনেকেই। এখন দেখার বিষয়, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতা ঘোষণা হলে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলে তিনি কতটা জনসমর্থন সংগঠিত করতে পারেন। তবে ইতোমধ্যে জগদল ইউনিয়নে তাকে ঘিরে যে আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী নির্বাচনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : দিরাই উপজেলা ৭নং জগদল ইউনিয়ন মানুষের প্রত্যাশা

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


৭নং জগদল ইউনিয়নে এমদাদুল হককে নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ইতালি প্রবাসী তরুণ রাজনীতিবিদ এমদাদুল হক (মোল্লা)। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও সামাজিক পরিসরে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ মনে করছেন, তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্ব সময়ের দাবি, আর সে জায়গা থেকেই তারা এমদাদুল হককে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এমদাদুল হক জগদল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তুখোড় নেতৃত্বের কারণে তিনি অল্প সময়েই এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন। জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি প্রথম সারির কর্মী হিসেবে কাজ করেন বলে সহকর্মীরা জানান। আন্দোলনের দিনগুলোতে তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ অনেককে উৎসাহিত করেছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।

বর্তমানে তিনি ইতালি উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের রাজনীতি, বিশেষ করে নিজ এলাকা দিরাই উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে কখনো দূরে সরে যাননি। ইতালিতে বসবাস করলেও নিয়মিতভাবে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থেকেছেন।

দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মরহুম আশিক মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক। পরিবারটি এলাকায় সামাজিকভাবে সুপরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মাদ্রাসা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন। শৈশব থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পরিবেশে বেড়ে ওঠায় মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সামাজিক মূল্যবোধ তার মধ্যে গড়ে ওঠে বলে ঘনিষ্ঠজনরা মনে করেন।

জীবিকার তাগিদে ২০১৮ সালে তিনি ইতালিতে পাড়ি জমান। প্রবাস জীবনের শুরুটা সহজ ছিল না। ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা ও নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তাকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। তবে প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিজ এলাকার রাজনীতি ও মানুষের খোঁজখবর রাখা বন্ধ করেননি।

পরবর্তীতে ইতালিতে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। সেখানে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে নানা ভয়ভীতি ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান। দীর্ঘ সময় দেশে ফিরতে না পারলেও প্রবাস থেকেই তিনি দিরাই উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের আন্দোলন এবং জুলাই বিপ্লবের সময় তার সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন, বিভিন্নভাবে প্রেরণা দিয়েছেন এবং আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। স্থানীয়দের মতে, প্রবাসে থেকেও নিজ এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকা তার দায়িত্ববোধের প্রমাণ।

এমদাদুল হককে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহের পেছনে আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে তার ‘ক্লিন ইমেজ’। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি বিতর্কমুক্ত ও সৎ ভাবমূর্তির অধিকারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, বর্তমান সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে জায়গা থেকে একজন তরুণ, শিক্ষিত ও প্রবাস-অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন।

ভাটির জনপদ দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও নানা উন্নয়ন বঞ্চনার কথাও প্রায়ই শোনা যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা—এসব খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের। এমদাদুল হক এসব বিষয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমদাদুল হক বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। কখনো আর্থিকভাবে, কখনো সরাসরি উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেছি। আমার চিন্তা-ভাবনার কেন্দ্রে সবসময় দিরাই উপজেলার মানুষ।”

তিনি আরও বলেন, “জগদল ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি একটি উন্নয়নমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো খাতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করবো। যুবসমাজকে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক সন্তানের জনক। পারিবারিক দায়িত্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে তিনি সচেষ্ট বলে ঘনিষ্ঠজনরা জানান। তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় সুনামগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান এমপি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ নাছির উদ্দীন চৌধুরীর হাত ধরে। রাজনৈতিক শিক্ষায় ও আদর্শিক চর্চায় সেই সময়কার দিকনির্দেশনা তার জীবনে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি নিজেও উল্লেখ করেছেন।

সব মিলিয়ে তরুণ নেতৃত্ব, প্রবাস-অভিজ্ঞতা, সংগঠনিক দক্ষতা এবং নিজ এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে এমদাদুল হককে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অনেকেই। এখন দেখার বিষয়, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতা ঘোষণা হলে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলে তিনি কতটা জনসমর্থন সংগঠিত করতে পারেন। তবে ইতোমধ্যে জগদল ইউনিয়নে তাকে ঘিরে যে আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী নির্বাচনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত