ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শরিয়া বাস্তবায়নের অঙ্গীকার না থাকায় জামায়াত জোটে যাইনি: চরমোনাই পীর



শরিয়া বাস্তবায়নের অঙ্গীকার না থাকায় জামায়াত জোটে যাইনি: চরমোনাই পীর
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আমরা নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। তবে আমরা একা নই। আমাদের সঙ্গে আল্লাহ আছেন। দেশপ্রেমিক মানুষ আছেন। ইসলাম প্রেমীরা আছেন।

আজ সোমবার ( ফেব্রুয়ারি) বিকাল টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া- (নবীনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজুরের পক্ষে নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রেজাউল করীম।

বক্তব্যে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘জামায়াত নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু শরিয়া বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার না থাকায় আমরা কোনো জোটে যাইনি।‘

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর আদর্শ দেখতে হবে। এখানে বিএনপিসহ তাদের জোট যে নীতি আদর্শ নিয়ে চলতে চায়, সে নীতি আদর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রায় ৫৪ বছর চলেছে। তাদের নীতি আদর্শের না, প্রচলিত গণতন্ত্র। যার প্রবক্তা হলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। তিনি এক কথায় বুঝাতে চেয়েছিলেন, সমস্ত ক্ষমতার মালিক জনগণ।‘

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট। জামায়াতের আমিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন, তারা ক্ষমতায় যেতে পারলে ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে না, দেশ চালাবে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে। যে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে আমাদের দেশ ৫৩/৫৪ বছর চলছিল, আবার নতুনভাবে যদি ওই নীতি আদর্শের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ শান্তি বা মুক্তি পাবে তা চিন্তাও করা যায় না।‘

রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে দেশে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে উন্নয়ন থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।‘

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলনের নবীনগর উপজেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন সরকার।

এতে প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া- (নবীনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জিয়াউল হক সরকার, হাবিবুর রহমান মিজবাহ, আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা মেহেদি হাসান, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

চরমোনাই পীর এই সময় নজরুল ইসলামের হাতে প্রতীকী হাত পাখা তুলে দেন। তিনি জনগণকে শান্তির প্রতীক হিসেবে হাত পাখায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : চরমোনাই পীর শরিয়া বাস্তবায়ন জামায়াত জোট

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


শরিয়া বাস্তবায়নের অঙ্গীকার না থাকায় জামায়াত জোটে যাইনি: চরমোনাই পীর

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আমরা নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। তবে আমরা একা নই। আমাদের সঙ্গে আল্লাহ আছেন। দেশপ্রেমিক মানুষ আছেন। ইসলাম প্রেমীরা আছেন।

আজ সোমবার ( ফেব্রুয়ারি) বিকাল টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া- (নবীনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজুরের পক্ষে নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রেজাউল করীম।

বক্তব্যে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘জামায়াত নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু শরিয়া বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার না থাকায় আমরা কোনো জোটে যাইনি।‘

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর আদর্শ দেখতে হবে। এখানে বিএনপিসহ তাদের জোট যে নীতি আদর্শ নিয়ে চলতে চায়, সে নীতি আদর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রায় ৫৪ বছর চলেছে। তাদের নীতি আদর্শের না, প্রচলিত গণতন্ত্র। যার প্রবক্তা হলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। তিনি এক কথায় বুঝাতে চেয়েছিলেন, সমস্ত ক্ষমতার মালিক জনগণ।‘

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট। জামায়াতের আমিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন, তারা ক্ষমতায় যেতে পারলে ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে না, দেশ চালাবে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে। যে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে আমাদের দেশ ৫৩/৫৪ বছর চলছিল, আবার নতুনভাবে যদি ওই নীতি আদর্শের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ শান্তি বা মুক্তি পাবে তা চিন্তাও করা যায় না।‘

রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে দেশে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে উন্নয়ন থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।‘

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলনের নবীনগর উপজেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন সরকার।

এতে প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া- (নবীনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জিয়াউল হক সরকার, হাবিবুর রহমান মিজবাহ, আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা মেহেদি হাসান, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

চরমোনাই পীর এই সময় নজরুল ইসলামের হাতে প্রতীকী হাত পাখা তুলে দেন। তিনি জনগণকে শান্তির প্রতীক হিসেবে হাত পাখায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত