আমাদের
নেত্রী
জনগণের
জানমাল
নিরাপত্তায়
আপসহীন
ছিলেন।
তার
নির্দেশনায়
আমরা
র্যাব গঠন করেছিলাম।
কিন্তু
র্যাবকে
দলীয়
স্বার্থে
এক
ঘণ্টা
বা
এক
দিনের
জন্যও
ব্যবহার
করেনি
বিএনপি বলে জানিয়েছেন সাবেক
স্বরাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী
এবং
বিএনপি
নেতা
লুৎফুজ্জামান
বাবর।
আজ বৃহস্পতিবার
(১
জানুয়ারি)
সকাল
সাড়ে
১১টার
দিকে
বেগম
খালেদা
জিয়ার
কবর
জিয়ারত
শেষে
সাংবাদিকদের
এ
কথা
বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছি,
এটা কেউ বলতে পারবে না,
প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এমন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।’
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন,
‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি খুঁজে পেয়েছিলাম, তা আর কারো মধ্যে পাইনি। অনেক পরে এসে তার ছেলে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে আমি সেই গুণাবলী খুঁজে পেয়েছি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন, যেন আগামীতে তার নেতৃত্বে একটি জনগণের রাষ্ট্র গঠন করতে পারি।’
বাবর আরও বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছি। রাজনৈতিক কোনো পরিকল্পনা নেই, এটা আমার ব্যক্তিগত আবেগ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়েছি।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। ওনার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আমাদের
নেত্রী
জনগণের
জানমাল
নিরাপত্তায়
আপসহীন
ছিলেন।
তার
নির্দেশনায়
আমরা
র্যাব গঠন করেছিলাম।
কিন্তু
র্যাবকে
দলীয়
স্বার্থে
এক
ঘণ্টা
বা
এক
দিনের
জন্যও
ব্যবহার
করেনি
বিএনপি বলে জানিয়েছেন সাবেক
স্বরাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী
এবং
বিএনপি
নেতা
লুৎফুজ্জামান
বাবর।
আজ বৃহস্পতিবার
(১
জানুয়ারি)
সকাল
সাড়ে
১১টার
দিকে
বেগম
খালেদা
জিয়ার
কবর
জিয়ারত
শেষে
সাংবাদিকদের
এ
কথা
বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছি,
এটা কেউ বলতে পারবে না,
প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এমন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।’
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন,
‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি খুঁজে পেয়েছিলাম, তা আর কারো মধ্যে পাইনি। অনেক পরে এসে তার ছেলে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে আমি সেই গুণাবলী খুঁজে পেয়েছি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন, যেন আগামীতে তার নেতৃত্বে একটি জনগণের রাষ্ট্র গঠন করতে পারি।’
বাবর আরও বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছি। রাজনৈতিক কোনো পরিকল্পনা নেই, এটা আমার ব্যক্তিগত আবেগ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়েছি।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। ওনার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন