ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী নীতি বাস্তবায়ন করলেই সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব: রেজাউল করীম



রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী নীতি বাস্তবায়ন করলেই সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব: রেজাউল করীম
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মনে করেন রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ইসলামী নীতি বাস্তবায়ন করতে পারলেই বাংলাদেশে প্রত্যাশিত সমৃদ্ধি জাতীয় লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

গতকাল রবিবার ( ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) বাংলাদেশ বেতারে একযোগে এই ভাষণ প্রচার করা হয়।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার, রাষ্ট্রগঠন সংস্কার বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইশতেহারের মৌলিক দিক বিশেষ কর্মসূচি তুলে ধরেন।

রেজাউল করীম বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই ভূখণ্ডের মানুষের হাজার বছরের চর্চিত বিশ্বাস জীবনাচারের নীতি ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। শরীয়াহ কেবল একটি আইনের নাম নয়; এটি মানুষের বিশ্বাস, জীবনবোধ, সংস্কৃতি, অভ্যাস আইনের সমন্বিত রূপ। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ইসলাম বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধি লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।

ভোট প্রদানের ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভালো নীতি সৎ ব্যক্তির পক্ষে ভোট দিলে তার সুফলের অংশ ভোটদাতার আমলনামায় যুক্ত হবে। আর খারাপ নীতি অসৎ ব্যক্তির পক্ষে ভোট দিলে তার কৃত অপরাধের দায়ও ভাগ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ভোট কেবল ইহকালীন বিষয় নয়, এটি পরকালীন বিষয়ও। তাই ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি দায়বদ্ধতা, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতকরণ, সেবাভিত্তিক দক্ষ সৎ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা, রাজস্ব পরিধির সম্প্রসারণ এবং স্বনির্ভর, শক্তিশালী বহুমাত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভাষণে সংক্ষিপ্ত আকারে দলের ইশতেহারের কাঠামো তুলে ধরে চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহার পাঁচটি ভাগে প্রণীত। প্রথম ভাগে রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতির পরিপালন, ক্ষমতার চর্চা হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির অনুসরণ, সকল ধর্ম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার মর্যাদা রক্ষা, সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্ক, সুশাসন, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা, বৈষম্য-বিরোধিতা, দুর্নীতির মূলোৎপাটন এবং নারীর মর্যাদা অধিকার প্রতিষ্ঠা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : চরমোনাই পীর রেজাউল করীম রাষ্ট্র পরিচালনা ইসলামী নীতি

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী নীতি বাস্তবায়ন করলেই সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব: রেজাউল করীম

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মনে করেন রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ইসলামী নীতি বাস্তবায়ন করতে পারলেই বাংলাদেশে প্রত্যাশিত সমৃদ্ধি জাতীয় লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

গতকাল রবিবার ( ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) বাংলাদেশ বেতারে একযোগে এই ভাষণ প্রচার করা হয়।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার, রাষ্ট্রগঠন সংস্কার বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইশতেহারের মৌলিক দিক বিশেষ কর্মসূচি তুলে ধরেন।

রেজাউল করীম বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই ভূখণ্ডের মানুষের হাজার বছরের চর্চিত বিশ্বাস জীবনাচারের নীতি ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। শরীয়াহ কেবল একটি আইনের নাম নয়; এটি মানুষের বিশ্বাস, জীবনবোধ, সংস্কৃতি, অভ্যাস আইনের সমন্বিত রূপ। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ইসলাম বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধি লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।

ভোট প্রদানের ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভালো নীতি সৎ ব্যক্তির পক্ষে ভোট দিলে তার সুফলের অংশ ভোটদাতার আমলনামায় যুক্ত হবে। আর খারাপ নীতি অসৎ ব্যক্তির পক্ষে ভোট দিলে তার কৃত অপরাধের দায়ও ভাগ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ভোট কেবল ইহকালীন বিষয় নয়, এটি পরকালীন বিষয়ও। তাই ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি দায়বদ্ধতা, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতকরণ, সেবাভিত্তিক দক্ষ সৎ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা, রাজস্ব পরিধির সম্প্রসারণ এবং স্বনির্ভর, শক্তিশালী বহুমাত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভাষণে সংক্ষিপ্ত আকারে দলের ইশতেহারের কাঠামো তুলে ধরে চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহার পাঁচটি ভাগে প্রণীত। প্রথম ভাগে রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতির পরিপালন, ক্ষমতার চর্চা হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির অনুসরণ, সকল ধর্ম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার মর্যাদা রক্ষা, সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্ক, সুশাসন, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা, বৈষম্য-বিরোধিতা, দুর্নীতির মূলোৎপাটন এবং নারীর মর্যাদা অধিকার প্রতিষ্ঠা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত