ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, ‘এই জাহানের মালিক আল্লাহ। বেহেশত-দোজখের মালিক আল্লাহ। কেউ যদি আপনার কাছে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করতে আসে, সে মোনাফেক। আর কেউ যদি বিশ্বাস করে যে একখানা ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যাবে, তাহলে সে শিরকি করল।’
আজ মঙ্গলবার ভোলা সদর উপজেলার নিয়ামতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গরুর গাড়ি প্রতীকের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘এ ধরনের কেউ আপনাদের কাছে আসলে তাদের স্রেফ বলে দেবেন, ধর্মকে বিক্রি করে ভোট চাইবেন না। কেয়ামতকে ভয় করেন। নির্বাচনের চেয়ে কেয়ামত অনেক বেশি বড়।’
পার্থ বলেন, ‘ভোলায় আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জু মিয়ার ছেলে। যিনি ভোলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছেন। আমিও যদি আগামীতে এমপি হয়ে সংসদে যেতে পারি, তাহলে প্রথম দিনই ভোলা-বরিশাল সেতুর ব্যাপারে সংসদ গরম করে ফেলব।’
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘আমার জীবনটা যখন
পালবিহীন নৌকার মতো
ছিল, ঠিক তখনই
দেশনেত্রী বেগম খালেদা
জিয়া আমাকে আশ্রয়
দিয়ে রাজনীতি শিক্ষা
দিয়েছেন এবং ভোলার
দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আজ
দেশনেত্রী আমাদের মধ্যে
নেই। কিন্তু তিনি
প্রমাণ করে গেছেন
মানুষের জন্য যদি
ভালো কাজ করতে
পারে এবং আল্লাহ
যদি রাজি থাকে
তাহলে শুধু দেশের
প্রধানমন্ত্রী নয়, হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী
বানিয়ে দেওয়া হয়।
এমন একসময় ছিল
যখন আমি শেখ
হাসিনার চোখে চোখ
রেখে কথা বলতাম।
বাংলাদেশে অনেকেই সেই
সাহস করত না।’
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, ‘এই জাহানের মালিক আল্লাহ। বেহেশত-দোজখের মালিক আল্লাহ। কেউ যদি আপনার কাছে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করতে আসে, সে মোনাফেক। আর কেউ যদি বিশ্বাস করে যে একখানা ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যাবে, তাহলে সে শিরকি করল।’
আজ মঙ্গলবার ভোলা সদর উপজেলার নিয়ামতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গরুর গাড়ি প্রতীকের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘এ ধরনের কেউ আপনাদের কাছে আসলে তাদের স্রেফ বলে দেবেন, ধর্মকে বিক্রি করে ভোট চাইবেন না। কেয়ামতকে ভয় করেন। নির্বাচনের চেয়ে কেয়ামত অনেক বেশি বড়।’
পার্থ বলেন, ‘ভোলায় আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জু মিয়ার ছেলে। যিনি ভোলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছেন। আমিও যদি আগামীতে এমপি হয়ে সংসদে যেতে পারি, তাহলে প্রথম দিনই ভোলা-বরিশাল সেতুর ব্যাপারে সংসদ গরম করে ফেলব।’
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘আমার জীবনটা যখন
পালবিহীন নৌকার মতো
ছিল, ঠিক তখনই
দেশনেত্রী বেগম খালেদা
জিয়া আমাকে আশ্রয়
দিয়ে রাজনীতি শিক্ষা
দিয়েছেন এবং ভোলার
দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আজ
দেশনেত্রী আমাদের মধ্যে
নেই। কিন্তু তিনি
প্রমাণ করে গেছেন
মানুষের জন্য যদি
ভালো কাজ করতে
পারে এবং আল্লাহ
যদি রাজি থাকে
তাহলে শুধু দেশের
প্রধানমন্ত্রী নয়, হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী
বানিয়ে দেওয়া হয়।
এমন একসময় ছিল
যখন আমি শেখ
হাসিনার চোখে চোখ
রেখে কথা বলতাম।
বাংলাদেশে অনেকেই সেই
সাহস করত না।’
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন