বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন নির্বাচনের জন্য জাতি উন্মুখ
হয়ে আছে। শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে)
দ্বিবার্ষিকী সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন,
আপনারা জানেন যে এমন একটা সময় এখন…যে সময়টার জন্য গোটা জাতি অপেক্ষা করে আছে যে
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়
আমরা ফিরে যেতে সক্ষম। আমরা সবাই এটা (নির্বাচন) চাই।
তিনি আরও বলেন,
একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যেতে চাইলে অপরের যে মত
প্রকাশের স্বাধীনতা সেটাকে আমাদের একই সঙ্গে মূল্য দিতে হবে। ঐক্য থাকবে মূল
জায়গায় ঐক্য থাকবে কিন্তু ভিন্নতা তো থাকবে। গণতান্ত্রের মূল কথা এই জায়গায় যে
আমি আপনার সঙ্গে একমত হবো না কিন্তু আপনার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে আমি অবশ্যই
সেটাকে রক্ষা করব।
বিএনপির
মহাসচিব বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশে ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা
হয়। তার সম্পর্কে বিভিন্ন রকম আপনার যত রকমের আপনার মিথ্যা অপপ্রচার প্রচার
চালানো হয় এই বিষয়গুলো থেকে আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটু বিরত থাকা উচিত।
সাংবাদিক
বিষয়ে ফখরুল বলেন, এখানে মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল)
সাহেব সঠিকভাবে বলেছেন যে, সাংবাদিকদের তাদের নিজস্ব যে দাবি দেওয়া, তাদের নিজস্ব
যে কাজ এবং ইউনিয়নের মূল যে কাজটা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে মালিক পক্ষ অথবা
সরকারের সঙ্গে কাজ করা সেটাই বোধহয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন,
কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনারা যদি কেউ
বিরোধী দল বলেন বা সরকারি দল বলেন তাহলে সেটা কোনোদিন হয় না। গত ১৫ বছরে
ফ্যাসিবাদ অর্থাৎ শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের এই জায়গাটাকে একদম
ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি অনুরোধ করব আপনাদের নেতৃবৃন্দকে সেই জায়গা থেকে আপনারা
বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।
এ সম্মেলনে
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সারা দেশের ১৮ অঙ্গ ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। বিকালে
রয়েছে কর্ম অধিবেশন যেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বিএফইউজের
ভারপ্রাপ্ত সভাপতিত্বে ওবায়দুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সহকারী
মহাসচিব বাছির জামাল ও প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএফইউজের
মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, হাসান হাফিজ, এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, সৈয়দ আবদাল আহমেদ,
শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, মুন্সি আবদুল মান্নান, বারেক হোসাইন, বিএফইউজের এরফানুল
হক নাহিদ, ১৮টি অঙ্গ ইউনিয়নের সভাপতির মধ্যে চট্টগ্রামে মো. শাহ নওয়াজ, রাজশাহীর
আবদুল আউয়াল, খুলনার রাশিদুল ইসলাম, বরিশালের আজাদ আলাউদ্দিন, যশোরের
আকরামুজ্জামান, বগুড়ার গণেশ দাশ, কক্সাবাজারের নুরুল ইসলাম হেলালী, কুমিল্লার
শাহিন মির্জা, দিনাজপুরের সাদাকাত আলী, কুষ্টিয়ার আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু,
ময়মনসিংহের আইয়ুব আলী, গাজীপুরের দেলোয়ার হোসেন, সিলেটের বদরুজ্জামান বদর, ফেনীর
সিদ্দিক আল মামুন, রংপুরের সালেকুজ্জামান সালেক, নারায়ণগঞ্জের আবু সাউদ মাসুদ,
মুন্সিগঞ্জের কাজী বিপ্লব হাসান বক্তব্য রাখেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন নির্বাচনের জন্য জাতি উন্মুখ
হয়ে আছে। শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে)
দ্বিবার্ষিকী সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন,
আপনারা জানেন যে এমন একটা সময় এখন…যে সময়টার জন্য গোটা জাতি অপেক্ষা করে আছে যে
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়
আমরা ফিরে যেতে সক্ষম। আমরা সবাই এটা (নির্বাচন) চাই।
তিনি আরও বলেন,
একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যেতে চাইলে অপরের যে মত
প্রকাশের স্বাধীনতা সেটাকে আমাদের একই সঙ্গে মূল্য দিতে হবে। ঐক্য থাকবে মূল
জায়গায় ঐক্য থাকবে কিন্তু ভিন্নতা তো থাকবে। গণতান্ত্রের মূল কথা এই জায়গায় যে
আমি আপনার সঙ্গে একমত হবো না কিন্তু আপনার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে আমি অবশ্যই
সেটাকে রক্ষা করব।
বিএনপির
মহাসচিব বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশে ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা
হয়। তার সম্পর্কে বিভিন্ন রকম আপনার যত রকমের আপনার মিথ্যা অপপ্রচার প্রচার
চালানো হয় এই বিষয়গুলো থেকে আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটু বিরত থাকা উচিত।
সাংবাদিক
বিষয়ে ফখরুল বলেন, এখানে মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল)
সাহেব সঠিকভাবে বলেছেন যে, সাংবাদিকদের তাদের নিজস্ব যে দাবি দেওয়া, তাদের নিজস্ব
যে কাজ এবং ইউনিয়নের মূল যে কাজটা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে মালিক পক্ষ অথবা
সরকারের সঙ্গে কাজ করা সেটাই বোধহয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন,
কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনারা যদি কেউ
বিরোধী দল বলেন বা সরকারি দল বলেন তাহলে সেটা কোনোদিন হয় না। গত ১৫ বছরে
ফ্যাসিবাদ অর্থাৎ শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের এই জায়গাটাকে একদম
ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি অনুরোধ করব আপনাদের নেতৃবৃন্দকে সেই জায়গা থেকে আপনারা
বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।
এ সম্মেলনে
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সারা দেশের ১৮ অঙ্গ ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। বিকালে
রয়েছে কর্ম অধিবেশন যেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বিএফইউজের
ভারপ্রাপ্ত সভাপতিত্বে ওবায়দুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সহকারী
মহাসচিব বাছির জামাল ও প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএফইউজের
মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, হাসান হাফিজ, এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, সৈয়দ আবদাল আহমেদ,
শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, মুন্সি আবদুল মান্নান, বারেক হোসাইন, বিএফইউজের এরফানুল
হক নাহিদ, ১৮টি অঙ্গ ইউনিয়নের সভাপতির মধ্যে চট্টগ্রামে মো. শাহ নওয়াজ, রাজশাহীর
আবদুল আউয়াল, খুলনার রাশিদুল ইসলাম, বরিশালের আজাদ আলাউদ্দিন, যশোরের
আকরামুজ্জামান, বগুড়ার গণেশ দাশ, কক্সাবাজারের নুরুল ইসলাম হেলালী, কুমিল্লার
শাহিন মির্জা, দিনাজপুরের সাদাকাত আলী, কুষ্টিয়ার আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু,
ময়মনসিংহের আইয়ুব আলী, গাজীপুরের দেলোয়ার হোসেন, সিলেটের বদরুজ্জামান বদর, ফেনীর
সিদ্দিক আল মামুন, রংপুরের সালেকুজ্জামান সালেক, নারায়ণগঞ্জের আবু সাউদ মাসুদ,
মুন্সিগঞ্জের কাজী বিপ্লব হাসান বক্তব্য রাখেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন