ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

নীলফামারী-৩: জলঢাকায় ওবায়দুল্লাহ সালাফীর জনসভায় জনসমুদ্র, ব্যাপক সাড়া



নীলফামারী-৩: জলঢাকায় ওবায়দুল্লাহ সালাফীর জনসভায় জনসমুদ্র, ব্যাপক সাড়া
ছবি: কামরুজ্জামান (কামরুল)

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী- (জলঢাকা) আসনে জামায়াত মনোনিত ১২ দল সমর্থিত  প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফীর নির্বাচনী জনসভায় জনসমুদ্রে রূপ নেয়। 

গত সোমবার ( ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় উপজেলা,পৌরসভা বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সাধারণ ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মাঠজুড়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জনসভার শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন কারী জাহাঙ্গীর হোসেন। উপজেলা জামায়াতের আমির জনাব মোকলেছুর রহমান মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোয়াম্মার আল-হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী - আসনে দাড়িপাল্লা মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানি করা হবে না। কেউ অহেতুক মামলা নিপীড়নের শিকার হবে না-এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে জলঢাকাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। আধুনিক বাস টার্মিনাল স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন এবং কসাইখানায় আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি বলেন, মসজিদ-মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে। সনাতনীসহ সব ধর্মের মানুষের পাশে জামায়াত শিবির আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।

জনসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রথমেই দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে জনকল্যাণমূলক রাজনীতির পক্ষে রায় দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আইডিয়াল কলেজ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান, জেলা জামায়াতের মজলিসে শূরা সদস্য প্রভাষক ছাদের হোসেন, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি তাজমুল হাসান সাগর, উত্তরাঞ্চল এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আবু সাঈদ লিয়ন, উপজেলা নায়েবে আমির আলহাজ্ব কামারুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সময় দাড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফির হাত ধরে কয়েকজন তরুণ ছাত্রশিবিরে যোগদান করেন।

মহাসমাবেশ শেষে নেতাকর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বিশাল জনসভায় নীলফামারী-৩ জনসমুদ্র

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


নীলফামারী-৩: জলঢাকায় ওবায়দুল্লাহ সালাফীর জনসভায় জনসমুদ্র, ব্যাপক সাড়া

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী- (জলঢাকা) আসনে জামায়াত মনোনিত ১২ দল সমর্থিত  প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফীর নির্বাচনী জনসভায় জনসমুদ্রে রূপ নেয়। 

গত সোমবার ( ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় উপজেলা,পৌরসভা বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সাধারণ ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মাঠজুড়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জনসভার শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন কারী জাহাঙ্গীর হোসেন। উপজেলা জামায়াতের আমির জনাব মোকলেছুর রহমান মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোয়াম্মার আল-হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী - আসনে দাড়িপাল্লা মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানি করা হবে না। কেউ অহেতুক মামলা নিপীড়নের শিকার হবে না-এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে জলঢাকাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। আধুনিক বাস টার্মিনাল স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন এবং কসাইখানায় আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি বলেন, মসজিদ-মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে। সনাতনীসহ সব ধর্মের মানুষের পাশে জামায়াত শিবির আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।

জনসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রথমেই দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে জনকল্যাণমূলক রাজনীতির পক্ষে রায় দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আইডিয়াল কলেজ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান, জেলা জামায়াতের মজলিসে শূরা সদস্য প্রভাষক ছাদের হোসেন, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি তাজমুল হাসান সাগর, উত্তরাঞ্চল এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আবু সাঈদ লিয়ন, উপজেলা নায়েবে আমির আলহাজ্ব কামারুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সময় দাড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফির হাত ধরে কয়েকজন তরুণ ছাত্রশিবিরে যোগদান করেন।

মহাসমাবেশ শেষে নেতাকর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত