বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের নানা
কর্মকাণ্ড নিয়ে কার্টুন আঁকার প্রচলন রয়েছে। আমরা যেগুলোকে উন্নত বিশ্বের দেশ বলি,
সেখানে তো রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র সমালোচনাও হয় কার্টুনের ভাষায়। আঁকা হয় ব্যাঙ্গাত্মক
ছবিও। বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও কার্টুনে রাজনৈতিক সমালোচনার চল একসময় ছিল। তবে
স্বাধীন মতপ্রকাশের পথে বাধা এমন সব আইনের মারপ্যাঁচে সে যুগেরও প্রায় অবসান হয়েছে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের
পর গত বছরের ২ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে ফেসবুকে নিজের একটি কার্টুন শেয়ার
করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যে কার্টুনটি ২০০৯ সালে এঁকেছিলেন কার্টুনিস্ট
মেহেদি। যেখানে দেখা যায়, বিএনপির কাউন্সিলে দলের নেতাদের সামনে নিজের ছেলের মাথায়
মুকুট পরিয়ে দিচ্ছেন তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
কিছুটা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় আঁকা
সেই কার্টুনটি শেয়ার করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আসুন আমরা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সত্যনিষ্ঠ, নৈতিক দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করা সাংবাদিকদের সুরক্ষার
জন্য ঐক্যবদ্ধ হই।’
আর এই পোস্টের পর অভ্যুত্থান
পরবর্তী বাংলাদেশে আবার মুক্ত সাংবাদিকতার চর্চা হবে, কার্টুন আঁকার,
রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করার সুযোগ সৃষ্টির প্রত্যাশা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা।
এরই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানকে
নিয়ে একটি কার্টুন এঁকেছেন কার্টুনিস্ট উদয়।নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে কার্টুনিস্ট
উদয় বলেন,
‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর আকাঁ এমন একটি কার্টুন তাঁর হাতে তুলে দেয়াই স্বপ্ন ছিল। কার্টুনটি তাকে দিতে পেরে আমি অতি আনন্দিত।’
দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন ছেড়ে গত ২৫
ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তারই বিশেষ অংশ ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি’ লেখার পাশাপাশি কোট-প্যান্ট পরা
তারেকের কার্টুন রয়েছে সেই ছবিতে।
বিএনপির এই প্রধানকে কোনো রাজ
সিংহাসনে বসাননি উদয়। বরং বসিয়েছেন সাধারণ প্লাস্টিকের চেয়ারে। গত ২৫ ডিসেম্বরের
সমাবেশ মঞ্চে তার জন্য রাখা বিশেষ চেয়ার সরিয়ে এমনই একটি সাধারণ প্লাস্টিকের
চেয়ারে বসেছিলেন তারেক রহমান। সে বিষয়টিই যেন মনে করিয়ে দিতে চান উদয়।
তারেক রহমানের এই কার্টুন বা ক্যারিকেচারটিতে তার মুখমণ্ডলটি আঁকা হয়েছে শরীরের তুলনায় বড় করে। সাধারণত, ব্যক্তির গুরুত্ব বোঝাতে কার্টুনিস্টরা এভাবে এঁকে থাকেন। এটা দেখতে সাধারণ মানুষের কাছে হাস্যকর হলেও শিল্পী বা কার্টুনিস্ট খুব সঙ্তগ কারণেই এটি করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাঁধাই করা কার্টুনটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন
উদয়। সেটি হাতে নিয়ে উদয়ের সঙ্গে ছবি তোলেন তারেক রহমান, জানান ধন্যবাদও।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : বিএনপি তারেক রহমান সর্বশেষ আপডেট
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের নানা
কর্মকাণ্ড নিয়ে কার্টুন আঁকার প্রচলন রয়েছে। আমরা যেগুলোকে উন্নত বিশ্বের দেশ বলি,
সেখানে তো রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র সমালোচনাও হয় কার্টুনের ভাষায়। আঁকা হয় ব্যাঙ্গাত্মক
ছবিও। বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও কার্টুনে রাজনৈতিক সমালোচনার চল একসময় ছিল। তবে
স্বাধীন মতপ্রকাশের পথে বাধা এমন সব আইনের মারপ্যাঁচে সে যুগেরও প্রায় অবসান হয়েছে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের
পর গত বছরের ২ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে ফেসবুকে নিজের একটি কার্টুন শেয়ার
করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যে কার্টুনটি ২০০৯ সালে এঁকেছিলেন কার্টুনিস্ট
মেহেদি। যেখানে দেখা যায়, বিএনপির কাউন্সিলে দলের নেতাদের সামনে নিজের ছেলের মাথায়
মুকুট পরিয়ে দিচ্ছেন তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
কিছুটা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় আঁকা
সেই কার্টুনটি শেয়ার করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আসুন আমরা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সত্যনিষ্ঠ, নৈতিক দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করা সাংবাদিকদের সুরক্ষার
জন্য ঐক্যবদ্ধ হই।’
আর এই পোস্টের পর অভ্যুত্থান
পরবর্তী বাংলাদেশে আবার মুক্ত সাংবাদিকতার চর্চা হবে, কার্টুন আঁকার,
রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করার সুযোগ সৃষ্টির প্রত্যাশা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা।
এরই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানকে
নিয়ে একটি কার্টুন এঁকেছেন কার্টুনিস্ট উদয়।নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে কার্টুনিস্ট
উদয় বলেন,
‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর আকাঁ এমন একটি কার্টুন তাঁর হাতে তুলে দেয়াই স্বপ্ন ছিল। কার্টুনটি তাকে দিতে পেরে আমি অতি আনন্দিত।’
দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন ছেড়ে গত ২৫
ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তারই বিশেষ অংশ ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি’ লেখার পাশাপাশি কোট-প্যান্ট পরা
তারেকের কার্টুন রয়েছে সেই ছবিতে।
বিএনপির এই প্রধানকে কোনো রাজ
সিংহাসনে বসাননি উদয়। বরং বসিয়েছেন সাধারণ প্লাস্টিকের চেয়ারে। গত ২৫ ডিসেম্বরের
সমাবেশ মঞ্চে তার জন্য রাখা বিশেষ চেয়ার সরিয়ে এমনই একটি সাধারণ প্লাস্টিকের
চেয়ারে বসেছিলেন তারেক রহমান। সে বিষয়টিই যেন মনে করিয়ে দিতে চান উদয়।
তারেক রহমানের এই কার্টুন বা ক্যারিকেচারটিতে তার মুখমণ্ডলটি আঁকা হয়েছে শরীরের তুলনায় বড় করে। সাধারণত, ব্যক্তির গুরুত্ব বোঝাতে কার্টুনিস্টরা এভাবে এঁকে থাকেন। এটা দেখতে সাধারণ মানুষের কাছে হাস্যকর হলেও শিল্পী বা কার্টুনিস্ট খুব সঙ্তগ কারণেই এটি করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাঁধাই করা কার্টুনটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন
উদয়। সেটি হাতে নিয়ে উদয়ের সঙ্গে ছবি তোলেন তারেক রহমান, জানান ধন্যবাদও।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন