দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আজ বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেন তিনি।
পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে’ বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এদিকে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার দলটির আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তার একজন রাজনৈতিক সহকর্মী দীর্ঘ ১৭ বছর পর সরাসরি রাজনীতির মাঠে ফিরছেন, এটিকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।’
একই সঙ্গে শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঐক্যের ব্যাপারে তারেক রহমান কী ভূমিকা রাখেন, অথবা কী পরিকল্পনা আছে তার এবং বাস্তবায়ন কিভাবে করবেন—এসব বিষয়ে জামায়াত নজর রাখবে।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম বলেছেন, ‘তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখেন তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাটিকে। তবে তিনি মনে করেন, ‘তারেক রহমান কিভাবে ভূমিকা রাখেন, তার ওপর নির্ভর করে জাতীয় রাজনীতিতে তার অবস্থান তৈরি হবে।’
অন্যদিকে, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘তারেক রহমানের এ প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরো সুসংহত করবে।’
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ ভূমিতে ফেরার এ অধিকারটি পুনরুদ্ধার হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়েরই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
তারেক রহমান এবং তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাকে দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছে। হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের ফলে এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি ও তার পরিবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন।’
তিনি লিখেছেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী বাংলাদেশ রাষ্ট্র চাই, যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাদের যাতে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। বিগত দেড় দশকের অবরুদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ ভেঙে আমরা আজ যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ
বিষয় : বিএনপি তারেক রহমান জামায়াতে ইসলাম
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আজ বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেন তিনি।
পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে’ বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এদিকে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার দলটির আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তার একজন রাজনৈতিক সহকর্মী দীর্ঘ ১৭ বছর পর সরাসরি রাজনীতির মাঠে ফিরছেন, এটিকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।’
একই সঙ্গে শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঐক্যের ব্যাপারে তারেক রহমান কী ভূমিকা রাখেন, অথবা কী পরিকল্পনা আছে তার এবং বাস্তবায়ন কিভাবে করবেন—এসব বিষয়ে জামায়াত নজর রাখবে।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম বলেছেন, ‘তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখেন তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাটিকে। তবে তিনি মনে করেন, ‘তারেক রহমান কিভাবে ভূমিকা রাখেন, তার ওপর নির্ভর করে জাতীয় রাজনীতিতে তার অবস্থান তৈরি হবে।’
অন্যদিকে, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘তারেক রহমানের এ প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরো সুসংহত করবে।’
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ ভূমিতে ফেরার এ অধিকারটি পুনরুদ্ধার হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়েরই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
তারেক রহমান এবং তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাকে দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছে। হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের ফলে এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি ও তার পরিবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন।’
তিনি লিখেছেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী বাংলাদেশ রাষ্ট্র চাই, যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাদের যাতে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। বিগত দেড় দশকের অবরুদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ ভেঙে আমরা আজ যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন