তখনই
ধারণা
করা
হয়েছিল,
দলটি
হয়তো
১১
দলীয়
নির্বাচনী
জোটে
আর
থাকছে
না।
২৪
ঘণ্টা
না
যেতেই
আজ শুক্রবার
(১৬
জানুয়ারি)
জরুরি
সংবাদ
সম্মেলন
ডেকে
জোটে
না
থাকার
পাশাপাশি
এককভাবে
নির্বাচন
করার
ঘোষণা
দেয়
ইসলামী
আন্দোলন।
একইসঙ্গে
জামায়াতের
সম্পর্কে
বেশ
কিছু
অভিযোগ
তুলে
দলটি।
বিষয়টি
তাৎক্ষণিক
প্রতিক্রিয়া
জানিয়েছে
জামায়াত।
দলটির
সহকারী
সেক্রেটারি
জেনারেল
ও
কেন্দ্রীয়
প্রচার
বিভাগের
প্রধান
অ্যাডভোকেট
এহসানুল
মাহবুব
জুবায়ের
বলেন,
‘আসন
সমঝোতা,
রাজনৈতিক
আলোচনা
কিংবা
পারস্পরিক
সম্পর্কের
ক্ষেত্রে
কোনো
পক্ষকেই
অসম্মান
বা
চাপ
প্রয়োগ
করা
হয়নি;
বরং
সর্বোচ্চ
স্বচ্ছতা,
বাস্তবতা
ও
সম্মান
বজায়
রেখেই
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছে।‘
তিনি
জানান,
মনোনয়ন
দাখিলের
পরও
কিছু
বিষয়ে
চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত
বাকি
থাকায়
পর্যায়ক্রমে
আলোচনার
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়।
এ
লক্ষ্যে
লিয়াজোঁ
কমিটি
মাঠের
বাস্তবতা,
দলগুলোর
সাংগঠনিক
শক্তি,
প্রার্থীর
পরিচিতি
ও
গ্রহণযোগ্যতা,
প্রতিদ্বন্দ্বী
দলের
অবস্থানসহ
বিভিন্ন
দিক
বিবেচনায়
নিয়ে
একাধিক
জরিপের
ভিত্তিতে
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
করে।
এ
প্রক্রিয়ায়
আট
থেকে
দশটি
জরিপ
বিশ্লেষণ
করা
হয়।
অ্যাডভোকেট
জুবায়ের
বলেন,
গত
কয়েক
দিনে
দীর্ঘ
বৈঠকের
মাধ্যমে
বিষয়গুলো
নিষ্পত্তির
চেষ্টা
করা
হয়েছে।
আসন
বণ্টন
ছিল
সম্মিলিত
সিদ্ধান্তের
ফল,
কাউকে
কিছু
চাপিয়ে
দেওয়া
হয়নি।
বিএনপির
চেয়ারম্যান
তারেক
রহমানের
সঙ্গে
সাক্ষাৎ
প্রসঙ্গে
তিনি
বলেন,
‘বেগম
খালেদা
জিয়ার
মৃত্যুর
পর
সহানুভূতি
জানাতেই
ওই
সাক্ষাৎ
হয়েছিল।
সেখানে
জাতীয়
সরকার
গঠন
বা
এ
ধরনের
কোনো
আলোচনা
হয়নি।
আলোচনার
মূল
বিষয়
ছিল–
বেগম
জিয়া
যে
রাজনৈতিক
ঐক্যের
প্রক্রিয়া
শুরু
করেছিলেন,
তা
নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী
সময়ে
অব্যাহত
রাখা।‘
আপনার মতামত লিখুন