কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছে বাম-প্রগতিশীলদের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রার্থীসহ জোটের নেতা-কর্মীরা সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন,
ঢাকা-৮ আসনের ত্রিদ্বীপ সাহা,
ঢাকা-৯ আসনের মনিরুজ্জামান মিলন,
ঢাকা-১১ আসনের কল্লোল বণিক,
ঢাকা-১৫ আসনের সাজেদুল হক রুবেল,
ঢাকা-৫ আসনের তোফাজ্জল হোসেন মোস্তফা দীপু,
ঢাকা-১৪ আসনের রিয়াজ হোসেন এবং ঢাকা-৪ আসনের ফিরোজ আল মামুন।
এই
সময়
অন্যদের
মধ্যে
উপস্থিত
ছিলেন
যুক্তফ্রন্টের
সমন্বয়ক
ও
বাসদের
সাধারণ
সম্পাদক
বজলুর
রশীদ
ফিরোজ,
সিপিবি’র সাবেক সভাপতি
মুজাহিদুল
ইসলাম
সেলিম,
বাসদের
সাবেক
সাধারণ
সম্পাদক
খালেকুজ্জামান,
সিপিবির
সাবেক
সাধারণ
সম্পাদক
রুহিন
হোসেন
(প্রিন্স),
বাংলাদেশ
জাসদের
স্থায়ী
কমিটির
সদস্য
ডা.
মুশতাক
হোসেন,
সিপিবির
সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য
রাগীব
আহসান
মুন্না,
বিপ্লবী
কমিউনিস্ট
লীগের
সাধারণ
সম্পাদক
ইকবাল
কবির
জাহিদ,
বাসদের
সহকারী
সাধারণ
সম্পাদক
রাজেকুজ্জামান
রতন,
বাসদের
(মার্ক্সবাদী)
সমন্বয়ক
মাসুদ
রানা,
গণতান্ত্রিক
বিপ্লবী
পার্টির
কেন্দ্রীয়
সদস্য
শহীদুল
ইসলাম
সবুজ,
সমাজতান্ত্রিক
পার্টির
যুগ্ম
সাধারণ
সম্পাদক
রুবেল
সিকদার
প্রমুখ।
নির্বাচনী প্রচারে শহীদ মিনারকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সিপিবি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন,
এটি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও সব গণসংগ্রামের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীক।
তিনি
বলেন,
‘গণতান্ত্রিক
যুক্তফ্রন্ট
গত
বছরের
নভেম্বরের
শেষে
গঠিত
হয়েছে।
এর
গঠন
প্রক্রিয়া
এখনো
চলমান।
বাম
গণতান্ত্রিক
জোট
ও
বাংলাদেশ
জাসদসহ
আরো
কিছু
দল
এতে
সম্পৃক্ত
রয়েছে। আমরা
শুধু
ভোট
চাইতে
আসিনি
বরং
দেশের
মানুষের
ভাগ্য
পরিবর্তনের
লক্ষ্যে
বামপন্থি,
প্রগতিশীল,
উদার
গণতান্ত্রিক
শক্তির
সমন্বয়ে
সরকার
প্রতিষ্ঠার
পূর্ণাঙ্গ
কর্মসূচি
নিয়ে
জনগণের
সামনে
হাজির
হয়েছি।‘
মুজাহিদুল ইসলাম
সেলিম বলেন, ‘ব্যবস্থা বদল না হলে
মানুষের ভাগ্য
বদলানো যাবে না।
দেড় বছরের শাসনে
পুরোনো ব্যবস্থা বহাল
থাকার কারণেই ঘুষ,
দুর্নীতি, সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি এবং
নির্বাচন নিয়েও
খেলা শেষ হয়নি।
তিনি সরকারের প্রস্তাবিত হ্যাঁ-না গণভোটকে অপ্রয়োজনীয় ও
প্রতারণামূলক আখ্যা
দিয়ে বলেন, এতে
জনগণকে মিথ্যাচারের ফাঁদে
ফেলা হচ্ছে।‘
তিনি
বলেন,
‘সংস্কার
করতে
হলে
তা
জনগণের
শক্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
করতে
হবে।
সেই
কাজ
নির্বাচিত
প্রতিনিধিরাই
পার্লামেন্টে
গিয়ে
করবে।
এই
নির্বাচন
বৃহত্তর
সমাজ
পরিবর্তনের
সংগ্রামের
একটি
অংশ-যে সমাজের
স্বপ্ন
দেখা
হয়েছিল
মুক্তিযুদ্ধ,
এরশাদবিরোধী
আন্দোলন
ও
২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের
সময়।‘
সরকারের
প্রস্তাবিত
‘হ্যাঁ’
‘না’
গণভোটকে
অপ্রয়োজনীয়
ও
প্রতারণামূলক
আখ্যা
দিয়ে
মুজাহিদুল
ইসলাম
সেলিম
বলেন,
‘এতে
জনগণকে
মিথ্যাচারের
ফাঁদে
ফেলা
হচ্ছে।
সংস্কার
করতে
হলে
তা
জনগণের
শক্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
করতে
হবে
এবং
সেই
কাজ
নির্বাচিত
প্রতিনিধিরাই
পার্লামেন্টে
গিয়ে
করবেন।‘
তিনি
আরও
বলেন,
‘এই
নির্বাচন
বৃহত্তর
সমাজ
পরিবর্তনের
সংগ্রামের
একটি
অংশ,
যে
সমাজের
স্বপ্ন
দেখা
হয়েছিল
মুক্তিযুদ্ধ,
এরশাদবিরোধী
আন্দোলন
ও
২৪-এর গণ–অভ্যুত্থানের
সময়।‘
জনগণের
প্রতি
আহ্বান
জানিয়ে
তিনি
বলেন,
‘স্বাধীনভাবে
বিবেক
ও
বিবেচনা
অনুযায়ী
নির্বাচনী
সংগ্রামে
অংশ
নিতে
হবে।‘
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছে বাম-প্রগতিশীলদের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রার্থীসহ জোটের নেতা-কর্মীরা সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন,
ঢাকা-৮ আসনের ত্রিদ্বীপ সাহা,
ঢাকা-৯ আসনের মনিরুজ্জামান মিলন,
ঢাকা-১১ আসনের কল্লোল বণিক,
ঢাকা-১৫ আসনের সাজেদুল হক রুবেল,
ঢাকা-৫ আসনের তোফাজ্জল হোসেন মোস্তফা দীপু,
ঢাকা-১৪ আসনের রিয়াজ হোসেন এবং ঢাকা-৪ আসনের ফিরোজ আল মামুন।
এই
সময়
অন্যদের
মধ্যে
উপস্থিত
ছিলেন
যুক্তফ্রন্টের
সমন্বয়ক
ও
বাসদের
সাধারণ
সম্পাদক
বজলুর
রশীদ
ফিরোজ,
সিপিবি’র সাবেক সভাপতি
মুজাহিদুল
ইসলাম
সেলিম,
বাসদের
সাবেক
সাধারণ
সম্পাদক
খালেকুজ্জামান,
সিপিবির
সাবেক
সাধারণ
সম্পাদক
রুহিন
হোসেন
(প্রিন্স),
বাংলাদেশ
জাসদের
স্থায়ী
কমিটির
সদস্য
ডা.
মুশতাক
হোসেন,
সিপিবির
সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য
রাগীব
আহসান
মুন্না,
বিপ্লবী
কমিউনিস্ট
লীগের
সাধারণ
সম্পাদক
ইকবাল
কবির
জাহিদ,
বাসদের
সহকারী
সাধারণ
সম্পাদক
রাজেকুজ্জামান
রতন,
বাসদের
(মার্ক্সবাদী)
সমন্বয়ক
মাসুদ
রানা,
গণতান্ত্রিক
বিপ্লবী
পার্টির
কেন্দ্রীয়
সদস্য
শহীদুল
ইসলাম
সবুজ,
সমাজতান্ত্রিক
পার্টির
যুগ্ম
সাধারণ
সম্পাদক
রুবেল
সিকদার
প্রমুখ।
নির্বাচনী প্রচারে শহীদ মিনারকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সিপিবি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন,
এটি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও সব গণসংগ্রামের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীক।
তিনি
বলেন,
‘গণতান্ত্রিক
যুক্তফ্রন্ট
গত
বছরের
নভেম্বরের
শেষে
গঠিত
হয়েছে।
এর
গঠন
প্রক্রিয়া
এখনো
চলমান।
বাম
গণতান্ত্রিক
জোট
ও
বাংলাদেশ
জাসদসহ
আরো
কিছু
দল
এতে
সম্পৃক্ত
রয়েছে। আমরা
শুধু
ভোট
চাইতে
আসিনি
বরং
দেশের
মানুষের
ভাগ্য
পরিবর্তনের
লক্ষ্যে
বামপন্থি,
প্রগতিশীল,
উদার
গণতান্ত্রিক
শক্তির
সমন্বয়ে
সরকার
প্রতিষ্ঠার
পূর্ণাঙ্গ
কর্মসূচি
নিয়ে
জনগণের
সামনে
হাজির
হয়েছি।‘
মুজাহিদুল ইসলাম
সেলিম বলেন, ‘ব্যবস্থা বদল না হলে
মানুষের ভাগ্য
বদলানো যাবে না।
দেড় বছরের শাসনে
পুরোনো ব্যবস্থা বহাল
থাকার কারণেই ঘুষ,
দুর্নীতি, সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি এবং
নির্বাচন নিয়েও
খেলা শেষ হয়নি।
তিনি সরকারের প্রস্তাবিত হ্যাঁ-না গণভোটকে অপ্রয়োজনীয় ও
প্রতারণামূলক আখ্যা
দিয়ে বলেন, এতে
জনগণকে মিথ্যাচারের ফাঁদে
ফেলা হচ্ছে।‘
তিনি
বলেন,
‘সংস্কার
করতে
হলে
তা
জনগণের
শক্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
করতে
হবে।
সেই
কাজ
নির্বাচিত
প্রতিনিধিরাই
পার্লামেন্টে
গিয়ে
করবে।
এই
নির্বাচন
বৃহত্তর
সমাজ
পরিবর্তনের
সংগ্রামের
একটি
অংশ-যে সমাজের
স্বপ্ন
দেখা
হয়েছিল
মুক্তিযুদ্ধ,
এরশাদবিরোধী
আন্দোলন
ও
২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের
সময়।‘
সরকারের
প্রস্তাবিত
‘হ্যাঁ’
‘না’
গণভোটকে
অপ্রয়োজনীয়
ও
প্রতারণামূলক
আখ্যা
দিয়ে
মুজাহিদুল
ইসলাম
সেলিম
বলেন,
‘এতে
জনগণকে
মিথ্যাচারের
ফাঁদে
ফেলা
হচ্ছে।
সংস্কার
করতে
হলে
তা
জনগণের
শক্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
করতে
হবে
এবং
সেই
কাজ
নির্বাচিত
প্রতিনিধিরাই
পার্লামেন্টে
গিয়ে
করবেন।‘
তিনি
আরও
বলেন,
‘এই
নির্বাচন
বৃহত্তর
সমাজ
পরিবর্তনের
সংগ্রামের
একটি
অংশ,
যে
সমাজের
স্বপ্ন
দেখা
হয়েছিল
মুক্তিযুদ্ধ,
এরশাদবিরোধী
আন্দোলন
ও
২৪-এর গণ–অভ্যুত্থানের
সময়।‘
জনগণের
প্রতি
আহ্বান
জানিয়ে
তিনি
বলেন,
‘স্বাধীনভাবে
বিবেক
ও
বিবেচনা
অনুযায়ী
নির্বাচনী
সংগ্রামে
অংশ
নিতে
হবে।‘
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন