আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভয়ভীতি, নারী ও সংখ্যালঘু
ভোটারদের হুমকি, কালো টাকা বিতরণ এবং সাইবার হামলার অভিযোগ তুলেছেন খুলনা-৫
(ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি
জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
গোলাম
পরওয়ার বলেন, ‘দিনমজুর, গরিব মানুষ, সংখ্যালঘু নারীদের ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে
দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বিরিয়ানি আর নগদ টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। এটা
নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন’।
আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার
দিকে খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম
পরওয়ার এ অভিযোগ করেন। এরই সাথে অনুষ্ঠানে তিনি নিজের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা
করেন।
মিয়া
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অবাধ, সুষ্ঠু
ও উৎসবমুখর নির্বাচনের আশ্বাস দেওয়া হলেও মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। নির্বাচনের এখনো
এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও প্রার্থী, কর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি চলছে।
মাঠপর্যায়ে ভয়াবহ অনিয়ম ও সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর
ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জামায়াতের নারী কর্মীদের লাঞ্ছনার অভিযোগ তুলে
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা
চালাতে গেলে নারী কর্মীদের বোরকা ও মুখের কাপড় টেনে খোলা হচ্ছে এবং প্রতিবাদ করলে
শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপরও হামলার অভিযোগ
আছে’।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, খুলনা-৫ আসনের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিলে তাদের মারাত্মক পরিণাম ভোগ করতে হবে বলে শাসানো হচ্ছে। এমনকি নির্বাচনী প্রচারণার কোনো সভায় অংশ না নিতেও তাদের ওপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরাসরি সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে যে, জামায়াতের সভায় যোগ দিলে বিপদের মুখে পড়তে হবে।
গোলাম
পরওয়ারের অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাবেক জনপ্রতিনিধিদের
জোর করে বাড়ি থেকে তুলে এনে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এটা ভোট নয়, জোর করে রাজনৈতিক অবস্থান চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।
বিষয় : ভোট কেনা গোলাম পরওয়ার
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভয়ভীতি, নারী ও সংখ্যালঘু
ভোটারদের হুমকি, কালো টাকা বিতরণ এবং সাইবার হামলার অভিযোগ তুলেছেন খুলনা-৫
(ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি
জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
গোলাম
পরওয়ার বলেন, ‘দিনমজুর, গরিব মানুষ, সংখ্যালঘু নারীদের ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে
দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বিরিয়ানি আর নগদ টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। এটা
নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন’।
আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার
দিকে খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম
পরওয়ার এ অভিযোগ করেন। এরই সাথে অনুষ্ঠানে তিনি নিজের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা
করেন।
মিয়া
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অবাধ, সুষ্ঠু
ও উৎসবমুখর নির্বাচনের আশ্বাস দেওয়া হলেও মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। নির্বাচনের এখনো
এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও প্রার্থী, কর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি চলছে।
মাঠপর্যায়ে ভয়াবহ অনিয়ম ও সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর
ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জামায়াতের নারী কর্মীদের লাঞ্ছনার অভিযোগ তুলে
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা
চালাতে গেলে নারী কর্মীদের বোরকা ও মুখের কাপড় টেনে খোলা হচ্ছে এবং প্রতিবাদ করলে
শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপরও হামলার অভিযোগ
আছে’।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, খুলনা-৫ আসনের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিলে তাদের মারাত্মক পরিণাম ভোগ করতে হবে বলে শাসানো হচ্ছে। এমনকি নির্বাচনী প্রচারণার কোনো সভায় অংশ না নিতেও তাদের ওপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরাসরি সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে যে, জামায়াতের সভায় যোগ দিলে বিপদের মুখে পড়তে হবে।
গোলাম
পরওয়ারের অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাবেক জনপ্রতিনিধিদের
জোর করে বাড়ি থেকে তুলে এনে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এটা ভোট নয়, জোর করে রাজনৈতিক অবস্থান চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন