ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের অন্যতম মধুর উদযাপন আজ। ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে প্রেমের যে উৎসব শুরু হয়েছিল, তা প্রোপোজ ডের রোমাঞ্চ পেরিয়ে আজ পৌঁছেছে তৃতীয় দিনে। ক্যালেন্ডারের পাতা অনুযায়ী আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, ‘চকলেট ডে’।
ভালোবাসার এই বিশেষ সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় আজকের দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে সম্পর্কের মিষ্টতা বৃদ্ধির জন্য। ডার্ক চকলেট হোক বা মিল্ক চকলেট। প্রিয় মানুষের হাতে এক টুকরো প্রিয় স্বাদ তুলে দিয়ে মান-অভিমান ভুলিয়ে দেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ। আজ রবিবার হওয়ায় ছুটির আমেজে উৎসবের আমেজ যেন আরও বেড়েছে। তাই নিজের অনুভূতিগুলোকে চকলেটের মোড়কে সাজিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার মাধ্যমে আজ দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলুন। মনে রাখবেন, চকলেটের এই মিষ্টতা কেবল স্বাদে নয়, বরং আপনার আন্তরিকতায় প্রকাশ পায়।
ভিক্টোরিয়ান আমল থেকেই হৃদয়ের ভাষা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে চকলেটের কদর ছিল অনেক
বেশি।
তৎকালীন ইউরোপ ও আমেরিকায় প্রণয় নিবেদনের শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে শৌখিন চকলেটের বাক্সকেই বেছে নেওয়া হতো। সময়ের বিবর্তনে সেই ঐতিহ্য আজ বিশ্বব্যাপী এক সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত যে, চকলেটে থাকা নির্দিষ্ট কিছু উপাদান মস্তিষ্কে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসরণ ঘটায়, যা নিমেষেই মনের বিষণ্ণতা কাটিয়ে এক প্রশান্তিময় আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। মূলত সম্পর্কের টানাপোড়েন দূর করে মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা বাড়াতেই এই দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য পায়।
তবে এই দিবসটি যে কেবল যুগলদের জন্য, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডি নেই; তাই যারা বর্তমানে সম্পর্কে নেই বা 'সিঙ্গেল', তাদের হতাশ হওয়ার বিন্দুমাত্র কারণ নেই। নিজের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম উপায় হতে পারে পছন্দের ফ্লেভারের একটি চকলেট। নিজের মানসিক প্রশান্তি এবং উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে কোনো সঙ্গীর অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তাই আজকের দিনে কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই নিজের জন্য এক বাক্স ডার্ক বা মিল্ক চকলেট কিনে নিন।
মনে রাখবেন, চকলেটের প্রতিটি কামড় আপনার একাকীত্বের অবসাদ কাটিয়ে মনে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে। তাই সম্পর্কের সমীকরণ যাই হোক না কেন, জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে চকলেটের মিষ্টতায় রাঙিয়ে তোলাটাই আসল সার্থকতা। এই ৯ই ফেব্রুয়ারি আপনার দিনটি হয়ে উঠুক কেবল স্বাদে নয়, বরং আত্মতুষ্টিতেও অনন্য।
ইতিহাস
হতে জানা যায়, ১৯৫০-এর
দশকে জাপানে ‘মোরোজফ’ নামক একটি চকলেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের হাত ধরেই ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে চকলেট বিনিময়ের সংস্কৃতি সূচিত হয়। তবে জাপানিজ এই প্রথার একটি মজার দিক হলো, সেখানে মূলত নারীরাই তাদের পছন্দের পুরুষদের চকলেট উপহার দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হওয়া এই শৌখিন রীতি সময়ের বিবর্তনে একুশ শতকেও তার এখনও
আগের মতোই জনপ্রিয়।
বর্তমানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে এই প্রথাটি একটি সারা
বিশ্বের উৎসবে রূপ
নিয়েছে, যা এখন ‘চকলেট ডে’ হিসেবে সবার
কাছে পরিচিত। কেবল
জাপানেই নয়, সারা বিশ্বে আজ এই দিনটি অত্যন্ত সমাদৃত। আধুনিক যুগে এসে এটি কেবল উপহারের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং প্রিয়জনের প্রতি সম্মান ও মিষ্টতা প্রকাশের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
চকলেট কেবল একটি খাদ্যবস্তু নয়,
এটি হলো এক টুকরো খুশি, যা কাগজের মোড়কে বন্দি থাকে।
অনেকে মনে করেন, একুশ শতকের এই
যান্ত্রিক যুগে চকলেট ডে বুঝি স্রেফ ব্যবসায়িক কৌশল। কিন্তু একটু গভীরে তাকালে বোঝা
যায়, উপহার হিসেবে চকলেটের আবেদন চিরন্তন। প্রাচীন মায়া সভ্যতায় চকলেটকে বলা হতো 'দেবতাদের
পানীয়'। সেই আভিজাত্য আজও অম্লান। আপনি যখন কারো হাতে এক টুকরো চকলেট তুলে দেন, তখন
আসলে আপনি তাকে বলছেন "আমি তোমার জীবনের তিক্ততাটুকু শুষে নিতে চাই এবং বিনিময়ে
তোমার মুখে এই মিষ্টতাটুকু দেখতে চাই।" এই যে মন থেকে চাওয়ার নামই তো ভালোবাসা।
চকলেটের একটি অদ্ভুত ক্ষমতা আছে।
এর ঘ্রাণেই মানুষের মন ভালো হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে, এতে থাকা ফিনাইল-ইথাইল-অ্যামাইন
আমাদের মস্তিষ্কে এমন এক অনুভূতি তৈরি করে যা প্রেমে পড়ার অনুভূতির কাছাকাছি। তাই হয়তো
ঝগড়া মেটাতে বা অভিমানী প্রিয়তমার ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ফোটাতে এক বাক্স চকলেটের কোনো
বিকল্প নেই। উপহারের দাম কত, সেটি বড় কথা নয়; বরং সেই রুপালি মোড়কের ভেতর লুকিয়ে থাকা
আপনার যত্নটুকুই আসল।
আবার চকলেট ডে মানেই যে শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার
মিলনমেলা, তা কিন্তু নয়। আজকের এই দিনে মা-বাবা, ভাই-বোন বা শৈশবের সেই পুরনো বন্ধুটিকেও
একটি চকলেট দিয়ে চমকে দেওয়া যায়। এমনকি আপনার ডেস্কে সারা দিন মুখ গুঁজে কাজ করা সহকর্মীটিকেও
আজ একটি চকলেট দিয়ে বলতে পারেন, "ভালো থেকো।" ছোট ছোট এই আনন্দগুলোই তো জীবনকে
সুন্দর করে তোলে।
আর যারা আজ সিঙ্গেল বা একা আছেন,
তাদের জন্য এটি নিজের প্রতি প্রেম প্রকাশের দিন। নিজের প্রিয় ডার্ক চকলেটটি কিনে আয়েশ
করে কামড় দিন। একাকীত্বের স্বাদ সবসময় নোনতা হবে কেন? তাকে চকলেটের মতো মিষ্টিও করে
তোলা যায়। জীবনটা খুব ছোট, তাই ক্যালোরি বা সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে খুব বেশি না ভেবে
আজ একটু মিষ্টিমুখ করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
পরিশেষে, চকলেটের স্থায়িত্ব হয়তো
জিহ্বায় কয়েক মুহূর্ত, কিন্তু যে আন্তরিকতা নিয়ে আপনি এটি কাউকে দেন, তার রেশ থেকে
যায় আজীবন। তাই এই ৯ ফেব্রুয়ারি চকলেটের মিষ্টতায় ধুয়ে যাক সব তিক্ততা, দূর হোক মনের
দূরত্ব।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : চকলেট ডে ভালোবাসার উৎসব ৯ ফেব্রুয়ারি
.png)
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের অন্যতম মধুর উদযাপন আজ। ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে প্রেমের যে উৎসব শুরু হয়েছিল, তা প্রোপোজ ডের রোমাঞ্চ পেরিয়ে আজ পৌঁছেছে তৃতীয় দিনে। ক্যালেন্ডারের পাতা অনুযায়ী আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, ‘চকলেট ডে’।
ভালোবাসার এই বিশেষ সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় আজকের দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে সম্পর্কের মিষ্টতা বৃদ্ধির জন্য। ডার্ক চকলেট হোক বা মিল্ক চকলেট। প্রিয় মানুষের হাতে এক টুকরো প্রিয় স্বাদ তুলে দিয়ে মান-অভিমান ভুলিয়ে দেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ। আজ রবিবার হওয়ায় ছুটির আমেজে উৎসবের আমেজ যেন আরও বেড়েছে। তাই নিজের অনুভূতিগুলোকে চকলেটের মোড়কে সাজিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার মাধ্যমে আজ দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলুন। মনে রাখবেন, চকলেটের এই মিষ্টতা কেবল স্বাদে নয়, বরং আপনার আন্তরিকতায় প্রকাশ পায়।
ভিক্টোরিয়ান আমল থেকেই হৃদয়ের ভাষা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে চকলেটের কদর ছিল অনেক
বেশি।
তৎকালীন ইউরোপ ও আমেরিকায় প্রণয় নিবেদনের শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে শৌখিন চকলেটের বাক্সকেই বেছে নেওয়া হতো। সময়ের বিবর্তনে সেই ঐতিহ্য আজ বিশ্বব্যাপী এক সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত যে, চকলেটে থাকা নির্দিষ্ট কিছু উপাদান মস্তিষ্কে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসরণ ঘটায়, যা নিমেষেই মনের বিষণ্ণতা কাটিয়ে এক প্রশান্তিময় আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। মূলত সম্পর্কের টানাপোড়েন দূর করে মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা বাড়াতেই এই দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য পায়।
তবে এই দিবসটি যে কেবল যুগলদের জন্য, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডি নেই; তাই যারা বর্তমানে সম্পর্কে নেই বা 'সিঙ্গেল', তাদের হতাশ হওয়ার বিন্দুমাত্র কারণ নেই। নিজের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম উপায় হতে পারে পছন্দের ফ্লেভারের একটি চকলেট। নিজের মানসিক প্রশান্তি এবং উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে কোনো সঙ্গীর অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তাই আজকের দিনে কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই নিজের জন্য এক বাক্স ডার্ক বা মিল্ক চকলেট কিনে নিন।
মনে রাখবেন, চকলেটের প্রতিটি কামড় আপনার একাকীত্বের অবসাদ কাটিয়ে মনে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে। তাই সম্পর্কের সমীকরণ যাই হোক না কেন, জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে চকলেটের মিষ্টতায় রাঙিয়ে তোলাটাই আসল সার্থকতা। এই ৯ই ফেব্রুয়ারি আপনার দিনটি হয়ে উঠুক কেবল স্বাদে নয়, বরং আত্মতুষ্টিতেও অনন্য।
ইতিহাস
হতে জানা যায়, ১৯৫০-এর
দশকে জাপানে ‘মোরোজফ’ নামক একটি চকলেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের হাত ধরেই ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে চকলেট বিনিময়ের সংস্কৃতি সূচিত হয়। তবে জাপানিজ এই প্রথার একটি মজার দিক হলো, সেখানে মূলত নারীরাই তাদের পছন্দের পুরুষদের চকলেট উপহার দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হওয়া এই শৌখিন রীতি সময়ের বিবর্তনে একুশ শতকেও তার এখনও
আগের মতোই জনপ্রিয়।
বর্তমানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে এই প্রথাটি একটি সারা
বিশ্বের উৎসবে রূপ
নিয়েছে, যা এখন ‘চকলেট ডে’ হিসেবে সবার
কাছে পরিচিত। কেবল
জাপানেই নয়, সারা বিশ্বে আজ এই দিনটি অত্যন্ত সমাদৃত। আধুনিক যুগে এসে এটি কেবল উপহারের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং প্রিয়জনের প্রতি সম্মান ও মিষ্টতা প্রকাশের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
চকলেট কেবল একটি খাদ্যবস্তু নয়,
এটি হলো এক টুকরো খুশি, যা কাগজের মোড়কে বন্দি থাকে।
অনেকে মনে করেন, একুশ শতকের এই
যান্ত্রিক যুগে চকলেট ডে বুঝি স্রেফ ব্যবসায়িক কৌশল। কিন্তু একটু গভীরে তাকালে বোঝা
যায়, উপহার হিসেবে চকলেটের আবেদন চিরন্তন। প্রাচীন মায়া সভ্যতায় চকলেটকে বলা হতো 'দেবতাদের
পানীয়'। সেই আভিজাত্য আজও অম্লান। আপনি যখন কারো হাতে এক টুকরো চকলেট তুলে দেন, তখন
আসলে আপনি তাকে বলছেন "আমি তোমার জীবনের তিক্ততাটুকু শুষে নিতে চাই এবং বিনিময়ে
তোমার মুখে এই মিষ্টতাটুকু দেখতে চাই।" এই যে মন থেকে চাওয়ার নামই তো ভালোবাসা।
চকলেটের একটি অদ্ভুত ক্ষমতা আছে।
এর ঘ্রাণেই মানুষের মন ভালো হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে, এতে থাকা ফিনাইল-ইথাইল-অ্যামাইন
আমাদের মস্তিষ্কে এমন এক অনুভূতি তৈরি করে যা প্রেমে পড়ার অনুভূতির কাছাকাছি। তাই হয়তো
ঝগড়া মেটাতে বা অভিমানী প্রিয়তমার ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ফোটাতে এক বাক্স চকলেটের কোনো
বিকল্প নেই। উপহারের দাম কত, সেটি বড় কথা নয়; বরং সেই রুপালি মোড়কের ভেতর লুকিয়ে থাকা
আপনার যত্নটুকুই আসল।
আবার চকলেট ডে মানেই যে শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার
মিলনমেলা, তা কিন্তু নয়। আজকের এই দিনে মা-বাবা, ভাই-বোন বা শৈশবের সেই পুরনো বন্ধুটিকেও
একটি চকলেট দিয়ে চমকে দেওয়া যায়। এমনকি আপনার ডেস্কে সারা দিন মুখ গুঁজে কাজ করা সহকর্মীটিকেও
আজ একটি চকলেট দিয়ে বলতে পারেন, "ভালো থেকো।" ছোট ছোট এই আনন্দগুলোই তো জীবনকে
সুন্দর করে তোলে।
আর যারা আজ সিঙ্গেল বা একা আছেন,
তাদের জন্য এটি নিজের প্রতি প্রেম প্রকাশের দিন। নিজের প্রিয় ডার্ক চকলেটটি কিনে আয়েশ
করে কামড় দিন। একাকীত্বের স্বাদ সবসময় নোনতা হবে কেন? তাকে চকলেটের মতো মিষ্টিও করে
তোলা যায়। জীবনটা খুব ছোট, তাই ক্যালোরি বা সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে খুব বেশি না ভেবে
আজ একটু মিষ্টিমুখ করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
পরিশেষে, চকলেটের স্থায়িত্ব হয়তো
জিহ্বায় কয়েক মুহূর্ত, কিন্তু যে আন্তরিকতা নিয়ে আপনি এটি কাউকে দেন, তার রেশ থেকে
যায় আজীবন। তাই এই ৯ ফেব্রুয়ারি চকলেটের মিষ্টতায় ধুয়ে যাক সব তিক্ততা, দূর হোক মনের
দূরত্ব।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন