ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

গিজার বিস্ফোরণের আগে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়



গিজার বিস্ফোরণের আগে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়
ছবি: সংগৃহীত

শীত থেকে বাঁচতে বর্তমানে অনেক মানুষ বাড়িতে ইলেকট্রিক গিজার ব্যবহার করেন। অত্যাধুনিক সব বৈদ্যুতিন যন্ত্রের মাধ্যমে নিমেষে পানি গরম হয়ে যায়। একদিকে যেমন সুবিধা বাড়ে, অন্যদিকে বিপদের ঝুঁকিও থাকে। তবে প্রতিবছরই গিজারের জন্য বহু দুর্ঘটনা ঘটে।

গিজারের ভেতরের পানি গরম হয় এবং এই গরম পানি ভেতরে চাপ সৃষ্টি করে। কখনো কখনো এই চাপ এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে গিজার ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।

ইলেকট্রিক গিজার ফেটে বিস্ফোরণ হওয়ার আগে সাধারণত কিছু লক্ষণ দেখা যায়। এই লক্ষণগুলো চিনতে পারলে আপনি গিজার ও নিজের পরিবারের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারবেন।

চলুন জেনে নেওা যাক গিজার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগের যেসব লক্ষণগুলো দেখা দেয়-

পানি চুইয়ে পড়া

ইলেকট্রিক ওয়াটার গিজারে একটি সেফটি ভালভ থাকে।

যদি সেফটি ভালভ থেকে বারবার পানি চুইয়ে পড়ে, তবে এটি গিজারের ভেতরে অতিরিক্ত পানির চাপের ইঙ্গিত দেয়। অতিরিক্ত চাপের কারণে গিজার ফেটে যেতে পারে।

জোরে শব্দ হওয়া

যদি হঠাৎ করে ইলেকট্রিক ওয়াটার গিজারের ভেতর থেকে কোনো শব্দ আসতে শুরু করে, যেমন শিস দেওয়ার মতো শব্দ বা জোরে কোনো শব্দ। তাহলে বুঝবেন, গিজারের ভেতরে উচ্চ চাপ তৈরি হচ্ছে।

গিজারে মরিচা পড়া

যদি গিজারের বডিতে মরিচা ধরে বা বাইরে বুদবুদ দেখা যায়, তবে এটি গিজার ফেটে যাওয়ার একটি বড় লক্ষণ।

যদি এমন কিছু লক্ষ করেন, তবে অবিলম্বে গিজারটি বন্ধ করুন এবং একজন মেকানিককে ডাকুন।

অতিরিক্ত গরম পানির প্রবাহ

যদি গিজারটি স্বাভাবিক তাপে চালু থাকে এবং তার পরও অতিরিক্ত গরম পানি বের হয়, তবে এটি থার্মোস্ট্যাট নষ্ট হয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট লক্ষণ। পানি অতিরিক্ত গরম হলে উচ্চ চাপ তৈরি হবে, যা গিজার ফেটে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

সেফটি ভালভ অপরিহার্য

ইলেকট্রিক গিজারের ভেতরে একটি সেফটি ভালভ থাকে। যদি সেফটি ভালভটি বারবার চালু হয়, তবে এটি ইঙ্গিত দেয় যে গিজারের ভেতরে বিপজ্জনক মাত্রার চাপ তৈরি হচ্ছে।

নিরাপত্তার জন্য এটি করুন

ইলেকট্রিক গিজারের নিরাপত্তার জন্য, প্রতি বছর এটি সার্ভিসিং করানো গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় একটি আইএসআই-চিহ্নিত গিজার বা সেফটি ভালভ ব্যবহার করুন। দীর্ঘক্ষণ ধরে গিজার চালু রাখবেন না।

সূত্র : আজতক বাংলা

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বিস্ফোরণ গিজার লক্ষণ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গিজার বিস্ফোরণের আগে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

শীত থেকে বাঁচতে বর্তমানে অনেক মানুষ বাড়িতে ইলেকট্রিক গিজার ব্যবহার করেন। অত্যাধুনিক সব বৈদ্যুতিন যন্ত্রের মাধ্যমে নিমেষে পানি গরম হয়ে যায়। একদিকে যেমন সুবিধা বাড়ে, অন্যদিকে বিপদের ঝুঁকিও থাকে। তবে প্রতিবছরই গিজারের জন্য বহু দুর্ঘটনা ঘটে।

গিজারের ভেতরের পানি গরম হয় এবং এই গরম পানি ভেতরে চাপ সৃষ্টি করে। কখনো কখনো এই চাপ এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে গিজার ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।

ইলেকট্রিক গিজার ফেটে বিস্ফোরণ হওয়ার আগে সাধারণত কিছু লক্ষণ দেখা যায়। এই লক্ষণগুলো চিনতে পারলে আপনি গিজার ও নিজের পরিবারের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারবেন।

চলুন জেনে নেওা যাক গিজার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগের যেসব লক্ষণগুলো দেখা দেয়-

পানি চুইয়ে পড়া

ইলেকট্রিক ওয়াটার গিজারে একটি সেফটি ভালভ থাকে।

যদি সেফটি ভালভ থেকে বারবার পানি চুইয়ে পড়ে, তবে এটি গিজারের ভেতরে অতিরিক্ত পানির চাপের ইঙ্গিত দেয়। অতিরিক্ত চাপের কারণে গিজার ফেটে যেতে পারে।

জোরে শব্দ হওয়া

যদি হঠাৎ করে ইলেকট্রিক ওয়াটার গিজারের ভেতর থেকে কোনো শব্দ আসতে শুরু করে, যেমন শিস দেওয়ার মতো শব্দ বা জোরে কোনো শব্দ। তাহলে বুঝবেন, গিজারের ভেতরে উচ্চ চাপ তৈরি হচ্ছে।

গিজারে মরিচা পড়া

যদি গিজারের বডিতে মরিচা ধরে বা বাইরে বুদবুদ দেখা যায়, তবে এটি গিজার ফেটে যাওয়ার একটি বড় লক্ষণ।

যদি এমন কিছু লক্ষ করেন, তবে অবিলম্বে গিজারটি বন্ধ করুন এবং একজন মেকানিককে ডাকুন।

অতিরিক্ত গরম পানির প্রবাহ

যদি গিজারটি স্বাভাবিক তাপে চালু থাকে এবং তার পরও অতিরিক্ত গরম পানি বের হয়, তবে এটি থার্মোস্ট্যাট নষ্ট হয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট লক্ষণ। পানি অতিরিক্ত গরম হলে উচ্চ চাপ তৈরি হবে, যা গিজার ফেটে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

সেফটি ভালভ অপরিহার্য

ইলেকট্রিক গিজারের ভেতরে একটি সেফটি ভালভ থাকে। যদি সেফটি ভালভটি বারবার চালু হয়, তবে এটি ইঙ্গিত দেয় যে গিজারের ভেতরে বিপজ্জনক মাত্রার চাপ তৈরি হচ্ছে।

নিরাপত্তার জন্য এটি করুন

ইলেকট্রিক গিজারের নিরাপত্তার জন্য, প্রতি বছর এটি সার্ভিসিং করানো গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় একটি আইএসআই-চিহ্নিত গিজার বা সেফটি ভালভ ব্যবহার করুন। দীর্ঘক্ষণ ধরে গিজার চালু রাখবেন না।

সূত্র : আজতক বাংলা

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত