মনুষ
কখনো
কখনো অনেক
একাকীত্ব
অনুভব
করেন।
এটি
আসলে
মনের
এক
গভীর
সমস্যা।
কেউ
একা
থেকেও
‘একা’
নন,
কেউ
সব
থেকেও
‘একা’। আবার কেউ কেউ ভাবেন ‘মানুষ মুলত
একা’।
অনেকেই একা থাকার দুঃখে, ভয়ে, হতাশায় মুহ্যমান হয়ে যান। এই বোধকে বদলাতে গেলে প্রথমেই পরিবর্তন আনতে হয় মনোজগতে, বদলাতে হয় ঘটনার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীকে।
প্রথমে যুক্তিকে সঙ্গী করে। তার পর ধীরে ধীরে নানা অভ্যাসের মাধ্যমে আবেগকে তার সঙ্গে যুক্ত করে। এর বিভিন্ন ধাপও রয়েছে। জানেন কী করে দূর করবেন একাকীত্বকে-
সঙ্গীকে
শ্বাস
ফেলার
অবসর
দিন
গলাগলি
করে
থাকার
ইচ্ছে
না
মিটলেই
যদি
ভাবেন
একা
হয়ে
গেলেন,
তা
হলে
বিপদ।
কারণ
সবার
কাছে
সম্পর্কের
সংজ্ঞা
এক
নয়।
অন্য
জন
হয়তো
এত
মিলমিশ
ভালোবাসেন
না,
শ্বাস
ফেলার
অবসর
চান।
তাকে
সেটা
দিয়ে
দেখুন,
আখেরে
লাভই
হবে।
হয়তো
তিনি
আরো
কাছে
চলে
আসবেন।
সম্পর্কের গভীরতা বাড়বে। কারণ ঘ্যানঘ্যান করে বা দোষারোপ করে আর যাই হোক, নৈকট্য আদায় করা যায় না।
অমূলক চিন্তা বাদ
দিন
একা থাকলে প্রথমেই মনে আসে বিপদে কাকে পাশে পাব? এটি এক ধরনের অমূলক চিন্তা। কারণ, আপনি যদি সব সময় সবার পাশে থাকেন, তারাও আপনার বিপদে পাশে থাকবেন। কাজেই স্বার্থপর না হলে বিপদে সঙ্গীর অভাব হবে না।
একাকীত্ব দূর
হতে
পারে
তার
তালিকা
বানান
হঠাৎ খুব একা লাগলে কী কী করলে একাকীত্ব দূর হতে পারে তার তালিকা বানান। প্রায়োরিটি লিস্ট। স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গ হয়তো এক নম্বরে। তাকে পাওয়া গেল না। দু’নম্বরে কী আছে দেখুন। সন্তান, বন্ধু। হল না? সিনেমা, থিয়েটার, ঘুরে বেড়ানো। তাও হল না? টিভি দেখুন, গান শুনুন বা বই পড়ুন। ইচ্ছে করছে না? তা হলে দেখুন চার নম্বরে কী আছে। পাঁচ নম্বরে? কিছু না কিছু তো হবেই। যা পাচ্ছেন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন।
সম্পর্কে দূরত্ব
রাখুন
একা হতে না চাইলে কোনো সম্পর্কেরই বেশি গভীরে যাবেন না। একটু দূরত্ব রাখুন। তাতে হতাশা আসে কম। সব দিক বজায় থাকে।
নিজকে নমনীয় করুন
মন মানছে না? তা হলে শুনুন, পাওয়ার ব্যাপারে বেশি ছটফট করলে কিন্তু একাকীত্ব এড়াতে পারবেন না। আজ যা চাইছেন তা কাল পেলে কী এমন ক্ষতি, ভেবে দেখুন। ভালো করে ভাবলেই বুঝতে পারবেন ক্ষতি আসলে কিছু নেই। এ আপনার অস্থিরতা, একমুখী ভাবনা। কাজেই কষ্ট পেতে না চাইলে একটু নমনীয় করুন নিজেকে।
সময়টাকে কাজে
লাগান
একাকীত্বের সময়টাকে কাজে লাগান। অর্থকরী কাজ করুন, এতে সময়ও কাটবে, হাতে টাকাপয়সা এলে আগ্রহও বাড়বে। সমমানসিকতার মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও বাড়ান।
দুশ্চিন্তা কমান
একাকীত্ব বোধের সঙ্গে কখনও মিশে থাকে দুশ্চিন্তা, অশান্তি। ব্যস্ত থাকলে তা সব সময় সামনে আসে না। একা হলেই মনকে চঞ্চল করে তোলে। এ রকম হলে প্রধান কাজ দুশ্চিন্তা কমানো।
পড়াশোনা
আড্ডার মধ্যমণি হতে চাইলে একটু পড়াশোনা করুন। ভাল সিনেমা-থিয়েটার দেখুন। খেলা বা দেশবিদেশের খবরা-খবর রাখতে পারলে ভালো। রসিকতার ভাঁড়ার পূর্ণ হলে তো কথাই নেই। মোট কথা, নিজস্বতা বলে কিছু একটা যেন থাকে৷
শরীর ঠিক রাখুন
শরীর ঠিক রাখুন। ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সঙ্গে একটু আধটু রূপচর্চা। সময় কাটবে।
প্রেম করুন
একাকীত্বের সবচেয়ে বড় দাওয়াই প্রেম। তবে বুঝেশুনে। যে কোনো সম্পর্কেই ভেবেচিন্তে না এগোলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা আছে। প্রেমে ঝগড়া বা খিটখিট করে যাবেন না। তাতে অশান্তি বেড়ে আরো একা হয়ে যাবেন। কাজেই সহ্যশক্তিও একটু আধটু বাড়ান। ঘন ঘন বিরক্ত হলে মন ভালো থাকে এমন কিছু অভ্যাস করুন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মনুষ
কখনো
কখনো অনেক
একাকীত্ব
অনুভব
করেন।
এটি
আসলে
মনের
এক
গভীর
সমস্যা।
কেউ
একা
থেকেও
‘একা’
নন,
কেউ
সব
থেকেও
‘একা’। আবার কেউ কেউ ভাবেন ‘মানুষ মুলত
একা’।
অনেকেই একা থাকার দুঃখে, ভয়ে, হতাশায় মুহ্যমান হয়ে যান। এই বোধকে বদলাতে গেলে প্রথমেই পরিবর্তন আনতে হয় মনোজগতে, বদলাতে হয় ঘটনার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীকে।
প্রথমে যুক্তিকে সঙ্গী করে। তার পর ধীরে ধীরে নানা অভ্যাসের মাধ্যমে আবেগকে তার সঙ্গে যুক্ত করে। এর বিভিন্ন ধাপও রয়েছে। জানেন কী করে দূর করবেন একাকীত্বকে-
সঙ্গীকে
শ্বাস
ফেলার
অবসর
দিন
গলাগলি
করে
থাকার
ইচ্ছে
না
মিটলেই
যদি
ভাবেন
একা
হয়ে
গেলেন,
তা
হলে
বিপদ।
কারণ
সবার
কাছে
সম্পর্কের
সংজ্ঞা
এক
নয়।
অন্য
জন
হয়তো
এত
মিলমিশ
ভালোবাসেন
না,
শ্বাস
ফেলার
অবসর
চান।
তাকে
সেটা
দিয়ে
দেখুন,
আখেরে
লাভই
হবে।
হয়তো
তিনি
আরো
কাছে
চলে
আসবেন।
সম্পর্কের গভীরতা বাড়বে। কারণ ঘ্যানঘ্যান করে বা দোষারোপ করে আর যাই হোক, নৈকট্য আদায় করা যায় না।
অমূলক চিন্তা বাদ
দিন
একা থাকলে প্রথমেই মনে আসে বিপদে কাকে পাশে পাব? এটি এক ধরনের অমূলক চিন্তা। কারণ, আপনি যদি সব সময় সবার পাশে থাকেন, তারাও আপনার বিপদে পাশে থাকবেন। কাজেই স্বার্থপর না হলে বিপদে সঙ্গীর অভাব হবে না।
একাকীত্ব দূর
হতে
পারে
তার
তালিকা
বানান
হঠাৎ খুব একা লাগলে কী কী করলে একাকীত্ব দূর হতে পারে তার তালিকা বানান। প্রায়োরিটি লিস্ট। স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গ হয়তো এক নম্বরে। তাকে পাওয়া গেল না। দু’নম্বরে কী আছে দেখুন। সন্তান, বন্ধু। হল না? সিনেমা, থিয়েটার, ঘুরে বেড়ানো। তাও হল না? টিভি দেখুন, গান শুনুন বা বই পড়ুন। ইচ্ছে করছে না? তা হলে দেখুন চার নম্বরে কী আছে। পাঁচ নম্বরে? কিছু না কিছু তো হবেই। যা পাচ্ছেন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন।
সম্পর্কে দূরত্ব
রাখুন
একা হতে না চাইলে কোনো সম্পর্কেরই বেশি গভীরে যাবেন না। একটু দূরত্ব রাখুন। তাতে হতাশা আসে কম। সব দিক বজায় থাকে।
নিজকে নমনীয় করুন
মন মানছে না? তা হলে শুনুন, পাওয়ার ব্যাপারে বেশি ছটফট করলে কিন্তু একাকীত্ব এড়াতে পারবেন না। আজ যা চাইছেন তা কাল পেলে কী এমন ক্ষতি, ভেবে দেখুন। ভালো করে ভাবলেই বুঝতে পারবেন ক্ষতি আসলে কিছু নেই। এ আপনার অস্থিরতা, একমুখী ভাবনা। কাজেই কষ্ট পেতে না চাইলে একটু নমনীয় করুন নিজেকে।
সময়টাকে কাজে
লাগান
একাকীত্বের সময়টাকে কাজে লাগান। অর্থকরী কাজ করুন, এতে সময়ও কাটবে, হাতে টাকাপয়সা এলে আগ্রহও বাড়বে। সমমানসিকতার মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও বাড়ান।
দুশ্চিন্তা কমান
একাকীত্ব বোধের সঙ্গে কখনও মিশে থাকে দুশ্চিন্তা, অশান্তি। ব্যস্ত থাকলে তা সব সময় সামনে আসে না। একা হলেই মনকে চঞ্চল করে তোলে। এ রকম হলে প্রধান কাজ দুশ্চিন্তা কমানো।
পড়াশোনা
আড্ডার মধ্যমণি হতে চাইলে একটু পড়াশোনা করুন। ভাল সিনেমা-থিয়েটার দেখুন। খেলা বা দেশবিদেশের খবরা-খবর রাখতে পারলে ভালো। রসিকতার ভাঁড়ার পূর্ণ হলে তো কথাই নেই। মোট কথা, নিজস্বতা বলে কিছু একটা যেন থাকে৷
শরীর ঠিক রাখুন
শরীর ঠিক রাখুন। ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সঙ্গে একটু আধটু রূপচর্চা। সময় কাটবে।
প্রেম করুন
একাকীত্বের সবচেয়ে বড় দাওয়াই প্রেম। তবে বুঝেশুনে। যে কোনো সম্পর্কেই ভেবেচিন্তে না এগোলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা আছে। প্রেমে ঝগড়া বা খিটখিট করে যাবেন না। তাতে অশান্তি বেড়ে আরো একা হয়ে যাবেন। কাজেই সহ্যশক্তিও একটু আধটু বাড়ান। ঘন ঘন বিরক্ত হলে মন ভালো থাকে এমন কিছু অভ্যাস করুন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন