শরীয়তপুরে জেলা ছাত্রদল ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসহাক সরদার, সদস্য শফিকুর রহমান সাগর, আবিদ খান, কর্মী আরমান দরজি, নীরব তালুকদার, রাকিব তালুকদার, হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ, তুলাসার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মেহেদী হাসান নাঈম বেপারী, বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সবুজ তালুকদার।
পালং মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এ উপলক্ষে জেলা ছাত্রদল একটি মোটরসাইকেল আনন্দ মিছিল করে।
মিছিল শেষে সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রদলের কর্মী মোহাম্মদ আকাশ হাওলাদার মোটরসাইকেল নিয়ে শহরের চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় একই এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা এবং খুলনায় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মোতালেব শিকদারের ওপর গুলির প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে এনসিপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল সাইড নেওয়াকে কেন্দ্র করে আকাশের সঙ্গে মিছিলকারীদের বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে আকাশকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সোহেল তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন,
আমাদের নেতা তারেক রহমান ২৫ তারিখ দেশে ফিরবেন। এ উপলক্ষে আমরা শান্তিপূর্ণ মোটরসাইকেল মিছিল করেছি। মিছিল শেষে চৌরঙ্গী দিয়ে যাওয়ার সময় সাবেক ছাত্রলীগকর্মী বর্তমান এনসিপি নেতা সবুজ তালুকদার ও সাইফুলের নেতৃত্বে এনসিপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। একজন যুবদল নেতার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। এ সন্ত্রাসী হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
অন্যদিকে, জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সবুজ তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন,
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা এবং খুলনায় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মোতালেব শিকদারের ওপর গুলির প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে আমরা চৌরঙ্গী এলাকা দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় ছাত্রদলের একটি ছেলে আমাদের মিছিলে ঢুকে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এক জায়গায় আটকে রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সোহেল তালুকদারসহ অন্যরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েও পাইনি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাধীন।
এম
এইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
শরীয়তপুরে জেলা ছাত্রদল ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসহাক সরদার, সদস্য শফিকুর রহমান সাগর, আবিদ খান, কর্মী আরমান দরজি, নীরব তালুকদার, রাকিব তালুকদার, হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ, তুলাসার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মেহেদী হাসান নাঈম বেপারী, বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সবুজ তালুকদার।
পালং মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এ উপলক্ষে জেলা ছাত্রদল একটি মোটরসাইকেল আনন্দ মিছিল করে।
মিছিল শেষে সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রদলের কর্মী মোহাম্মদ আকাশ হাওলাদার মোটরসাইকেল নিয়ে শহরের চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় একই এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা এবং খুলনায় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মোতালেব শিকদারের ওপর গুলির প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে এনসিপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল সাইড নেওয়াকে কেন্দ্র করে আকাশের সঙ্গে মিছিলকারীদের বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে আকাশকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সোহেল তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন,
আমাদের নেতা তারেক রহমান ২৫ তারিখ দেশে ফিরবেন। এ উপলক্ষে আমরা শান্তিপূর্ণ মোটরসাইকেল মিছিল করেছি। মিছিল শেষে চৌরঙ্গী দিয়ে যাওয়ার সময় সাবেক ছাত্রলীগকর্মী বর্তমান এনসিপি নেতা সবুজ তালুকদার ও সাইফুলের নেতৃত্বে এনসিপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। একজন যুবদল নেতার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। এ সন্ত্রাসী হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
অন্যদিকে, জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সবুজ তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন,
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা এবং খুলনায় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মোতালেব শিকদারের ওপর গুলির প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে আমরা চৌরঙ্গী এলাকা দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় ছাত্রদলের একটি ছেলে আমাদের মিছিলে ঢুকে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এক জায়গায় আটকে রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সোহেল তালুকদারসহ অন্যরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েও পাইনি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাধীন।
এম
এইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন