ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যমুনার তীর সংরক্ষণ বাঁধে ধস: তীব্র আতঙ্কে এলাকাবাসী



যমুনার তীর সংরক্ষণ বাঁধে ধস: তীব্র আতঙ্কে এলাকাবাসী
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের তিনটি পয়েন্টে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে এই ভাঙন দেখা দেওয়ায় বর্ষাকালে প্রকল্পটির আরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কালীতলা গ্রোয়েনের উজানে ধাপ গ্রাম এলাকায় বাঁধের তিনটি স্থানে ধস নেমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিবর প্রামাণিক ও ঈমান আলী জানান, গত এক মাস ধরে নদী থেকে পানি নেমে যাওয়ার সময় এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে পুরো গ্রাম ঝুঁকির মুখে পড়বে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, নদীভাঙন ঠেকাতে ২০০৫ সালে ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘যমুনা-বাঙালী নদী একীভূতকরণ রোধ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছিল। এর আওতায় অন্তারপাড়া থেকে দেবডাঙা পর্যন্ত ৩ হাজার ২০০ মিটার এলাকার মধ্যে ২ হাজার মিটার তীর সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে সেই প্রকল্পের অংশেই ধস দেখা দিয়েছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, ভাঙনকবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। বাঁধ রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : আতঙ্ক যমুনা এলাকাবাসী

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


যমুনার তীর সংরক্ষণ বাঁধে ধস: তীব্র আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের তিনটি পয়েন্টে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে এই ভাঙন দেখা দেওয়ায় বর্ষাকালে প্রকল্পটির আরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কালীতলা গ্রোয়েনের উজানে ধাপ গ্রাম এলাকায় বাঁধের তিনটি স্থানে ধস নেমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিবর প্রামাণিক ও ঈমান আলী জানান, গত এক মাস ধরে নদী থেকে পানি নেমে যাওয়ার সময় এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে পুরো গ্রাম ঝুঁকির মুখে পড়বে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, নদীভাঙন ঠেকাতে ২০০৫ সালে ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘যমুনা-বাঙালী নদী একীভূতকরণ রোধ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছিল। এর আওতায় অন্তারপাড়া থেকে দেবডাঙা পর্যন্ত ৩ হাজার ২০০ মিটার এলাকার মধ্যে ২ হাজার মিটার তীর সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে সেই প্রকল্পের অংশেই ধস দেখা দিয়েছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, ভাঙনকবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। বাঁধ রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত