ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বোন হেনস্তার বিচার চাওয়া ছোট বোন ধর্ষণচেষ্টার শিকার



বোন হেনস্তার বিচার চাওয়া ছোট বোন ধর্ষণচেষ্টার শিকার
ছবি: সংগৃহীত

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে আসেন ছোট বোনকে নিয়ে। পরে সালিস করার আশ্বাসে স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হন ছোট বোন।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরেই ইউপি সদস্যকে আটক করে রাতে তার বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এক বছর আগে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে রুমন মিয়ার (২১) সাথে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় এক তরুণীর (২০)। পরিচয় থেকেই ধীরে ধীরে প্রেম হয়। আর সেই প্রেমের আট মাস পর গত ২ নভেম্বর তাকে বিয়ে করেন রুমন। বিয়ের কিছুদিন পর রুমন তাকে স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতেও নিয়ে এসে ৪ দিন সংসারও করেন। এর মধ্যে ওই তরুণীকে তাড়াতে কৌশল অবলম্বন করে রুমনের পরিবার। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দের কারণে ওই কিশোরী বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। এর মধ্যে গত রবিবার ওই তরুণী ফের তার খালাতো বোনকে সাথে নিয়ে স্ত্রীর দাবিতে রুমনের বাড়িতে অবস্থান নেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দ আবারও ওই তরুণীর কাছে গিয়ে হুমকি দেন। পরে ইউপি সদস্য বিয়ের কাগজপত্র এনে দিলে বিষয়টি সালিস করে দেবেন বলে দুজনকেই নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। 

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে তাকে অন্যদের হাতে তুলে দিয়ে তার সাথে আসা ছোট বোনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান ইউপি সদস্য। সেখান থেকে কৌশলে ছুটে এসে ফের দুজন একত্রিত হন। পরে আজ মঙ্গলবার সকালে থানায় গিয়ে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশ ইউপি সদস্যকে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের মাইজবাগ বাজার থেকে আটক করে থানায় নেয়। পরে ওই তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গরবার রাতেই মামলা রেকর্ডভুক্ত করা হয়।

এ দিকে ইউপি সদস্যকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর এলাকার কয়েক শ লোক থানায় অবস্থান নেয়। ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে দাবি করে মুক্তি চায় তারা।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম জানান, ইউপি সদস্য ছাড়াও আর ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামীকাল ইউপি সদস্যকে আদালতে পাঠানো হবে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : সারাদেশ হেনস্তার

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


বোন হেনস্তার বিচার চাওয়া ছোট বোন ধর্ষণচেষ্টার শিকার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে আসেন ছোট বোনকে নিয়ে। পরে সালিস করার আশ্বাসে স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হন ছোট বোন।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরেই ইউপি সদস্যকে আটক করে রাতে তার বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এক বছর আগে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে রুমন মিয়ার (২১) সাথে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় এক তরুণীর (২০)। পরিচয় থেকেই ধীরে ধীরে প্রেম হয়। আর সেই প্রেমের আট মাস পর গত ২ নভেম্বর তাকে বিয়ে করেন রুমন। বিয়ের কিছুদিন পর রুমন তাকে স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতেও নিয়ে এসে ৪ দিন সংসারও করেন। এর মধ্যে ওই তরুণীকে তাড়াতে কৌশল অবলম্বন করে রুমনের পরিবার। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দের কারণে ওই কিশোরী বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। এর মধ্যে গত রবিবার ওই তরুণী ফের তার খালাতো বোনকে সাথে নিয়ে স্ত্রীর দাবিতে রুমনের বাড়িতে অবস্থান নেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দ আবারও ওই তরুণীর কাছে গিয়ে হুমকি দেন। পরে ইউপি সদস্য বিয়ের কাগজপত্র এনে দিলে বিষয়টি সালিস করে দেবেন বলে দুজনকেই নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। 

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে তাকে অন্যদের হাতে তুলে দিয়ে তার সাথে আসা ছোট বোনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান ইউপি সদস্য। সেখান থেকে কৌশলে ছুটে এসে ফের দুজন একত্রিত হন। পরে আজ মঙ্গলবার সকালে থানায় গিয়ে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশ ইউপি সদস্যকে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের মাইজবাগ বাজার থেকে আটক করে থানায় নেয়। পরে ওই তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গরবার রাতেই মামলা রেকর্ডভুক্ত করা হয়।

এ দিকে ইউপি সদস্যকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর এলাকার কয়েক শ লোক থানায় অবস্থান নেয়। ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আকন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে দাবি করে মুক্তি চায় তারা।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম জানান, ইউপি সদস্য ছাড়াও আর ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামীকাল ইউপি সদস্যকে আদালতে পাঠানো হবে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত